বিল ক্লিনটন ও লিজ হার্লির প্রেমের গুজব…
হোয়াইট হাউজের শিক্ষানবিশ মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে জনপ্রিয় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে সারা বিশ্বে ব্যাপক তোলপাড় হয়। নব্বই দশকের শেষদিকের ঘটনা এটি। কিন্তু, এ অধ্যায়ের সঙ্গে আরও একটি অধ্যায় সবার অজানাই থেকে গেছে। সেটি হলো, যখন লিউনস্কির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ক্লিনটনের, সেই একই সময়ে হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী এলিজাবেথ হার্লির সঙ্গেও সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন সুদর্শন এ প্রেসিডেন্ট। এমন অভিযোগ এনেছেন হলিউডের অভিনেতা টম সিজেমোর। অবশ্য, লিজ হার্লি নামে সমধিক পরিচিত অভিনেত্রী এর সত্যতার কথা সরাসরি অস্বীকার করেছেন। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত নেয়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। ওদিকে শেষমেষ নিজের মিথ্যের খোলসটাও ভাঙলেন সিজেমোর। তিনি স্বীকার করেছেন, পুরোটাই ছিল বানোয়াট এক গল্প ও কল্পনাপ্রসূত। তার এ আচরণের জন্য তিনি এরই মধ্যে হার্লি ও ক্লিনটন পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ও ক্ষমাও চেয়েছেন। এমনকি তিনি কোনদিন হোয়াইট হাউজে পা রাখেননি বা কোন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করেননি বলে স্বীকার করেছেন। সিজেমোর বলেছেন, আমি কোনদিন হোয়াইট হাউজে যাইনি ও কখনও বিল ক্লিনটনের সঙ্গে দেখা করিনি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টেলিগ্রাফ। অভিনেতা সিজেমোরের পুরনো একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে রাডার অনলাইন। তাতে দেখা গেছে, সিজেমোর তার বন্ধুদের গর্ব করে বলছেন, ১৯৯৮ সালে তিনি ক্লিনটনের সঙ্গে হার্লির পরিচয় করিয়ে দেন। সেই দিন হোয়াইট হাউজে সেইভিং প্রাইভেট রায়ান চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী ছিল। সিজেমোরও একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। প্রদর্শনীর এক পর্যায়ে সিজেমোরকে ডেকে পাঠান ক্লিনটন। সাবেক প্রেসিডেন্ট তার কাছে জানতে চান, লিজ হার্লির সঙ্গে কি তোমার ৪ বছর ধরে সম্পর্ক চলছে? এখনও কি তার সঙ্গে তোমার দেখা হয়? তাদের মধ্যে আর কোন সম্পর্ক নেই বলে সিজেমোর প্রেসিডেন্টকে নিশ্চিত করেন। সে সময় সিজেমোরের কাছে হার্লির ফোন নম্বরটি চান ক্লিনটন। ওই ভিডিওতে সিজেমোর গর্ব করে তার বন্ধুদের কাছে এ ঘটনা বলছিলেন। ভিডিওটিতে সিজেমোরকে বলতে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন হার্লিকে পরে ফোন করে বললেন, এলিজাবেথ, আমি তোমার প্রেসিডেন্ট! তোমাকে আনার জন্য আমি একটি বিমান পাঠাচ্ছি। এরপর ক্লিনটন লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে হার্লিকে ওয়াশিংটনে আনতে একটি ব্যক্তিগত বিমান পাঠান। ৪ দিন ওয়াশিংটনেই ছিলেন হার্লি। ক্লিনটনের সঙ্গে হার্লির ১ বছর সম্পর্ক ছিল। এদিকে সিজেমোরের এমন উদ্ভট অভিযোগ টুইটারে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন হার্লি। তিনি সেখানে লিখেছেন, আমাকে ও বিল ক্লিনটনকে জড়িয়ে এটি হাস্যকর ও অর্থহীন গল্প, যা একেবারেই সত্য নয়। এদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে হার্লির সঙ্গে তার সম্পর্কের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলেও, তিনি কোন মন্তব্য করেনি। শেষ পর্যন্ত সিজেমোরের স্বীকারোক্তির কারণে এ ঘটনা বেশিদূর এগোনোর আগেই সমাপ্ত হলো।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’