বিল গেটসের জটিল রোগ নির্ণয়ের সাশ্রয়ী সহজ যন্ত্র
হয়তো অনেকের ভাবনাতেই আছে, আহা! এমন কোনো যন্ত্র যদি উদ্ভাবন করা যেত—যাতে এইচআইভি, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়ার মতো মারাত্মক রোগগুলো মুহূর্তেই শনাক্ত করে তার চিকিৎসা দেওয়া যেত। এই কল্পনাকে বাস্তব করতেই মাঠে নেমেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও মানবহিতৈষী বিল গেটস। ব্যবসা ও প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট বিজনেস ইনসাইডার জানিয়েছে, বিল গেটস এমন একটি যন্ত্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন; যার মাধ্যমে জটিল সব রোগ নির্ণয় করা যাবে।
গ্র্যান্ড চ্যালেঞ্জেস ইন গ্লোবাল হেলথ কর্মসূচির এক দশক পালন করছে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠানটি। এই চ্যালেঞ্জে বিশ্বের সব বিজ্ঞানীদের কাছে বিশ্বের নানা সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য আহ্বান করা হয়। এরপর ধারণাদাতাকে অর্থসাহায্য দিয়ে তা বাস্তবায়ন করার জন্য বলা হয়। ইতিমধ্যে এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নতুন ধরনের টয়লেট উদ্ভাবন, মূত্র থেকে ব্যাটারি, উন্নত কনডমসহ বিভিন্ন ধারণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।
৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিল গেটস বিজ্ঞানীদের নতুন একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। এক ব্লগ পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘এমন যন্ত্র কেউ কি তৈরি করতে পারবেন যা নিমিষেই লালা, থুতু, রক্ত প্রভৃতির নমুনা নিয়ে এইচআইভি, টিবি, ম্যালেরিয়াসহ অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারবে? শর্ত হচ্ছে, যন্ত্রটিকে সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, ছোট চিকিৎসাকেন্দ্রে ব্যবহার উপযোগী এবং সর্বোপরি কম বিদ্যুৎ খরচে চলার উপযোগী হতে হবে।’
এ ধরনের যন্ত্র তৈরি করা সম্ভব হবে কিনা তা ভবিষ্যৎই বলে দেবে। অবশ্য, বিল গেটস এ ধরনের একটি যন্ত্রের প্রোটোটাইপ দেখিয়েছেন। থ্রিডি প্রিন্টার সদৃশ এই যন্ত্রটি নিয়ে বর্তমানে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। এই যন্ত্রে নমুনা দেওয়া হলে সেই পরীক্ষার ফল স্ক্রিনের ওপর ভেসে ওঠে।
গেটস তাঁর ব্লগ পোস্টে জানিয়েছেন, বর্তমানে পাঁচটি দল তাঁর এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলভিত্তিক রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্টার্টোজ।
বিল গেটস এই চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা সবাই জানি যে, কোনো প্রতিষ্ঠান সহযোগিতার হাত বাড়ালে এ ধরনের যন্ত্র তৈরি করা হয়তো কারিগরিভাবে সম্ভব।’ কিন্তু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যে, তা কি সাধারণ মানুষের আয়ত্তের মধ্যে হবে এবং চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে তা কাজে লাগানো যাবে কি না?
এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার জন্য অনুপ্রেরণাও দিচ্ছেন বিল গেটস। তিনি জানিয়েছেন, ‘ধারণা যদি সফল হয় তবে তা দারুণ হবে। কিন্তু ব্যর্থ হলে আমরা হতাশ হব। যদি কোনো উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত সফলতার মুখ না দেখে তবে একেবারে ভেঙে পড়ার কিছু নেই; হয়তো তা থেকেই নতুন কোনো সম্ভাবনা বের হয়ে আসবে।’
জীবনে যাঁরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের জন্য বিল গেটসের এই পরামর্শটুকুও হয়তো অসাধারণ কিছু।প্রথম আলো
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
- নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan