Thursday, 12 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বিশ্বনাথ প্রবাসী কল্যাণ সমিতি ইউএসএ’র গঠনতন্ত্র অনুযায়ীই বর্তমান কমিটি বহাল, নির্বাচন ভন্ডুলের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার দায়ী (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 81 বার

প্রকাশিত: November 12, 2019 | 2:17 PM

https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/539628740219251/

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসীদের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন বিশ্বনাথ প্রবাসী কল্যাণ সমিতি ইউএসএ’র নির্বাচন ভন্ডুলের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইফতেখার সিরাজকে দায়ী করেছে তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশনের অপর দু’সদস্য আমিরুল ইসলাম হিরন ও শমসিদ খান। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, গঠনতন্ত্র অনুযায়ীই বর্তমান কমিটি বহাল আছে। কমিটির বিলুপ্তি ঘটেনি। গত ১০ নভেম্বর রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে ব্রঙ্কসের খলিল পার্টি সেন্টারে বিশ্বনাথ প্রবাসী কল্যাণ সমিতি ইউএসএ’র অন্যতম উপদেষ্টা হাফিজ মোহাম্মদ এহিয়া মেন্দীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের দু’সদস্য ছাড়াও বক্তব্য রাখেন বর্তমান সভাপতি হাজি মনির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মনাফ, উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির রানু, সহ সভাপতি সেবুল খান মাহবুব ও আজাদুর রহমান প্রমুখ। পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ লুৎফর ররহমান। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন’র।

সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান কমিটির কর্মকর্তা, উপদেষ্টা, সাধারণ সদস্য, সভাপতি হাজি মনির আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মনাফের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মনির-মনাফ প্যানেলের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইফতেখার সিরাজ উপস্থিত ছিলেন না।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লোকমান আহমেদ, আবদুল কুদ্দুস, তৈয়বুর রহমান, ছোরাব আলী, তৌফিকুর রহমান, শাহেদ আহমেদ, আযম আলী, আবদুল আহাদ, আবুল কালাম, মতিন মিয়া, নিজামুল ইসলাম, লিয়াকত আলী, আশিক আহমেদ, বদরুল ইসলাম, বাবুল খান, খসরু আহমদ, গোলাম জিলানী, মিজানুর রহমান, ওয়াহাব মিয়া, আখলাছ মিয়া প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইফতেখার সির জের এক ঘেঁয়েমির কারণেই নির্বাচনটি বানচাল হয়ে যায়। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মনির-মনাফ প্যানেল গঠনতন্ত্র মোতাবেক নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার জন্য দাবি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু মাঝপথে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইফতেখার সিরাজ অন্য দু’কমিশনারকে তোয়াক্কা না করেই অজ্ঞাত কারণে তাদের প্যানেলের ফি সহ দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্র ফেরত দিয়ে দেন। একইভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আসাদ-শিহাব প্যানেলের ফি সহ দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্রও ফেরত দিয়ে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নিয়মতান্ত্রিকভাবে গঠনতন্ত্র মেনে কার্যকারী কমিটি নির্বাচন কমিশনকে নিয়োগ দেয়। কিন্তু বারবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইফতেখার সিরাজকে বলার পরও তিনি গঠনতন্ত্র লংঘন করে নিজের খেয়াল খুশিমত চলতে থাকেন। গঠনতন্ত্রের ধারা ১৩ (নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশন) এ বর্ণিত আছে কার্যকরী কমিটির সাথে আলোচনাক্রমে নির্বাচন বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন কমিশন। কিন্তুপ্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রথমেই ব্যালট পেপারে প্রার্থীর জন্ম তারিখ (জন্মসাল) ইচ্ছাকৃতভাবে উল্লেখ করেন নি। কার্যকরী কমিটির পক্ষ থেকে এবিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আই অ্যাম দি ল মেকার, আই অ্যাম মেকিং ল। আমি জানি কী করতে হবে। এবিষয়ে কার্যকরী কমিটি অপর দু’কমিশনারকে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান. ইফতেখার সিরাজ এ ব্যাপারে তাদের সাথে কোন পরামর্শ করেন নি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার অন্য দুই কমিশনারকে পাশ কাাটিয়ে আসাদ-শিহাব প্যানেলের পক্ষে কাজ করেছেন। “মনির-মনাফ” প্যানেলের পক্ষ থেকে গঠনতন্ত্রের সংশ্লিষ্ট ধারা-উপধারা উল্লেখ করে পাঁচটি অভিযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু ‘আসাদ-শিহাব’ প্যানেলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য কালক্ষেপন করে যেনতেনভাবে একটি নির্বাচন করার চেষ্টা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
অভিযোগের মধ্যে ছিল, ‘আসাদ-শিহাব’ প্যানেলের সদস্য পদপ্রার্থী আবু আলম বিশ্বনাথের বাসিন্দা নয়। গঠনতন্ত্রের ধারা ২ এর (খ) উপধারা মতে, একজন নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিকে বিশ্বনাথের বাসিন্দা হতে হবে। দুইজন সহ সভাপতি প্রার্থির ব্যাপারেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল যে, একজন মিশিগানে বসবাস করেন দীর্ঘ চার বছর। আরেকজন আমেরিকার বৈধ বাসিন্দা নন। গঠনতন্ত্রের ধারা ৩ এর উপধারা (ক) এর বর্ণনায় এই পদের জন্য নিউইয়র্কের বাসিন্দা ও বৈধ হতে হবে। সমিতির তহবিল আত্মসাত করেছিল কমিটির কোষাধ্যক্ষ কবীর আহমদ। তার ভাই ফারুক আহমদ দায়িত্ব নিয়েছিল এই অর্থ ফেরত দেওয়ার। কিন্তু অর্থ ফেরত দেন নি। একজন ব্যক্তি স্খলনজনিত কারণে নির্বাচন করতে পারেন না। সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী খোঁয়াজ আলী ‘মখন-লিটন’ কমিটির কার্যকালে নৈতিক স্খলনজনিত কারণে তাকে ওই কমিটি বহিষ্কার করে। তার বহিষ্কারাদেশ আজও প্রত্যাহার হয়নি। এইসব ব্যাপারে বারবার বলার পরেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইফতেখার সিরাজ গঠনতন্ত্র না মেনে আইন অমান্য করে ‘আসাদ-শিহাব’ প্যানেলের পক্ষে কাজ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আজকে বিশ্বনাথ সমিতির বিভক্তি এবং নির্বাচন বানচাল হওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইফতেখার সিরাজই দায়ি। যোগসাজস করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে উপদেষ্টাদের মধ্যে বিভাজনের সৃষ্টি করেছেন তিনি। সর্বতোভাবে “মনির-মনাফ” প্যানেল নির্বাচনের চেষ্টা করেছে। বারবার আমরা সমঝোতা চেয়েছি। কিন্তুু তিনি গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতা না মেনে নিজের ইচ্ছামত পাঁচটি অভিযোগের কথা সমাধান করাতো দূরের কথা, বরং কীভাবে আসাদ-শিহাব প্যানেলকে সুবিধা দেওয়া যায় তার চেষ্টা করেছেন। তিনি কালক্ষেপণ করে পাঁচ মাস অতিবাহিত করে নির্বাচনের সময় পার করে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বিশ্বনাথবাসীর মানসম্মান ভুলন্ঠিত করেছেন। তিনি ‘আসাদ-শিহাব’ প্যানেলের হয়ে নির্বাচনী কার্যক্রমে বাঁধার সৃষ্টি করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে নির্বাচন বানচাল করেছেন। ইফতেখার সিরাজ ওই সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, মনির-মনাফ প্যানেল নির্বাচনে ভয় পায়। তাই তারা নির্বাচন করতে চায় না। কিন্তু ‘মনির-মনাফ’ প্যানেলে সতের জনের মধ্যে বর্তমান কমিটির এগারজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। ইফতেখার সিরাজ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মত নিজের পক্ষপাতিত্বকে হালাল করার নির্লজ্জ চেষ্টা করেছেন। নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্র মোতাবেক গঠন করা হয়। কিন্তু ইফতেখার সিরাজ গঠনতন্ত্র বিরোধী কাজ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইফতেখার সিরাজ বলেছেন বর্তমানে কোন কমিটি নেই। তিনি কীসের ভিত্তিতে এসব কথা বললেন। তিনি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নেয়া কালে বর্তমান কমিটিকে বলেছিলেন, আপনারা নতুন কমিটি না আসা পর্যন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যান। আর এখন তিনি অসত্য কথা বলছেন। গঠনতন্ত্রের ধারা ১৩ এর উপধারা (ঘ) ও (ঙ) এ বলা আছে তিন পরিষদের সহযোগিতায় নতুন কমিটির অভিষেক হবে। এই তিন পরিষদের একটি পরিষদ হল বর্তমান কার্যকরী কমিটি। নির্বাচন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হলে তিন পরিষদের সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু করতে পারবেন না। এই তিন পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করবেন কার্যকরী কমিটির সভাপতি। এতে প্রমাণিত হয় কার্যকরী কমিটি বহাল আছে এবং বহাল থাকবে, নতুন কমিটির অভিষেক না হওয়া পর্যন্ত। সংগঠনের নির্বাচনকালীন বা সমিতির নতুন কমিটি না আসা পর্যন্ত সমিতির কার্যক্রম চলতে থাকে। কার্যকরী কমিটি বিলুপ্ত হয় না। এখন ইফতেখার সিরাজ যদি মনে করেন তিনিই বিশ্বনাথ প্রবাসী; তিনিই আইন, তিনিই সবকিছু। তা বিশ্বনাথবাসী মেনে নিতে পারেন না। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার অপর দু’কমিশনারের সাথে যোগাযোগ ছাড়া এককভাবে নির্বাচন স্থগিত করেন মৌখিকভাবে। তফসিল ঘোষণা না দিয়ে ছয়/সাত মাস বিলম্ব করেন। উপদেষ্টাদের সভার সম্মতি ছাড়া সিদ্ধান্ত নেন। তিনি নিজেই আইন ভঙ্গ করেন। নমিনেশন প্রত্যাহারের তারিখের পরে কাউকে নমিনেশনের ফি ও কাগজ ফেরত দিতে পারেন না। নির্ধারিত তারিখের পর কেউ নমিনেশনের ফি ও কাগজ জমা বা উত্তোলন করতে পারে না। কিন্তু তিনি তা এক পক্ষকে গোপনে এবং অন্য পক্ষকে কিছু সংখ্যক উপদেষ্টার সমন্বয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ফেরত দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ৩রা নভেম্বর রোববার যে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে তা শুধু মিথাচারে পূর্ণ একটি সাজানো নাটক। সেখানে ‘আসাদ-শিহাব’ প্যানেলের প্রেসিডেণ্ট পদপ্রার্থী আতাউল গণি আসাদ অভিযোগ করেছেন, গঠনতন্ত্র সংশোধন বিধিসম্মত হয় নি। তিনি এমন একজন ব্যক্তি যে কার্যকরী কমিটিতে থাকলেও কমিটিকে ভাঙ্গনের চেষ্টা করেন। তিনি সহ সভাপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সমিতির কোন কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন না। তিনি সেক্রেটারী থাকাকালীন সমিতির রেজিস্ট্রেশন করার দায়িত্ব নিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেন নি। এমন কী কোন ব্যাংক একাউণ্ট ওপেন করতে পারেননি। আতাউল গণি আসাদ গত দুই হাজার সতের এবং দুই হাজার আঠার সালে সমিতির কমিটি গঠনের সময় বলেছিলেন, আবু আলম বিশ্বনাথের বাসিন্দা নয়। কিন্তু সেই আবু আলম এ বছর তারই প্যানেলের একজন সদস্য পদপ্রার্থী। আতাউল গণি এবছরও নেতা হওয়ার জন্য বর্তমান কমিটি থেকে দু’জন ও তার আবিষ্কার দক্ষিণ সুরমার আবু আলমকে নিয়ে একটি প্যানেল করে প্রেসিডেণ্ট পদপ্রার্থী হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, যে গঠনতন্ত্র আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলাম সেই গঠনতন্ত্রের বিধিমালা অনুসরণ করে পাঁচ সদস্যের গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটি করা হয়। পরে কার্যকরী কমিটিতে গঠনতন্ত্রের সংশোধনী পাশ করা হয়েছে। যা সমিতির রেজুলুশন বইতে লিপিবদ্ধ আছে। গঠনতন্ত্রের ধারা ১৫ তে বর্ণিত আছে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন হবে। উক্ত কমিটি ধারা উপধারা সংশোধনের পরে পরবর্তী কার্যকরী কমিটিতে পেশ করে। তা ৫১% সদস্যের মতানুসারে অনুমোদিত হবে। গঠনতন্ত্রের সংশোধনী বিষয়ে আর কারও অনুমোদনের কথা উল্লেখ নেই।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি সভাপতি হাজী মনির আহমদ সংগঠনের কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, এ কমিটির সময়ই সংগঠনের ব্যাংক একাউণ্ট ওপেন, কবরস্থান ক্রয়, এলাকায় অনুদান প্রদান সহ রেকর্ড পরিমান কাজ করা হয়েছে।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV