বিশ্বব্রহ্মাণ্ড প্রসারিত হচ্ছে প্রচণ্ড গতিতে

আহসান হাবিব : বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অন্ত যে ঘটবে, তা তো জানাই ছিল যদিও ঠিক কবে, তা নয়। এবার বিজ্ঞানীরা হিসাব-নিকাশ করে বলছেন— ৩৭০ কোটি বছর পরে। মার্কিন এবং জাপানি বিজ্ঞানীদের এই দলটি অবশ্য তাদের ভবিষ্যদ্বাণীকে ৫০ শতাংশের বেশি সম্ভাব্যতা দিতে রাজি নন। সময়, কাল কিংবা মহাকাল যে আগামী ৩৭০ কোটি বছরের মধ্যে শেষ হবে, তার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ বলে তাদের ভবিষ্যদ্বাণী।
এই বিজ্ঞানীরা কিন্তু বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সংক্রান্ত একটি বহুদিনের তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করছেন। ওই তত্ত্ব অনুযায়ী বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের পরিধি ক্রমেই বেড়েই চলেছে এবং অনন্তকাল বাড়তেই থাকবে। অবশ্য এই তত্ত্বের পটভূমিতে রয়েছে সৃষ্টির সূচনার সেই ‘বিগ ব্যাং’ বা সুবিশাল বিস্ফোরণ। একটি বোমা ফাটলে যেমন টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে, ঠিক তেমনিভাবেই আমাদের ব্রহ্মাণ্ডের ব্যাস ও পরিধি বেড়ে চলেছে।
এখন এ গবেষকরা বলছেন, পদার্থবিদ্যার নিয়মাবলী থেকেই বোঝা যায়, ব্রহ্মাণ্ডের পরিধি যে অনন্তকাল ধরে বেড়ে চলবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কেন নেই, তা বুঝতে গেলে অঙ্কে ঢুকতে হবে; পদার্থবিদরা ক্রমবর্ধমান ব্রহ্মাণ্ড সম্পর্কে আঁকজোক করতে গিয়ে ‘টাইম কাট-অব’ বলে একটি বস্তু ব্যবহার করেন— অর্থাত্ সময় যখন শেষ হবে, সেই ধরনের একটি তত্ত্বগত ঘটনা। এটা আসলে আঁকজোকের একটা পন্থা হলেও সেটাই শেষে বাস্তব হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে বার্কলের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার বিজ্ঞানী রাফায়েল বুসো এবং তার সতীর্থদের ধারণা। সৌরজগতের বাইরে এমন অনেক গ্রহই সম্প্রতি খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
বিগ ব্যাং যাবত্ প্রায় ১.৩৭০ কোটি বছর বিগত হয়েছে। এতদিনে বোঝা গেল, বিজ্ঞানীরা স্রেফ তাদের অঙ্কের খেলার জন্য যে কাল্পনিক তারিখটা ব্যবহার করছিলেন, সময়ের কবে অন্ত ঘটবে—সময় একটি চরম ঠাটটায় ঠিক সেই রকম সময়েই উধাও হতে পারে। আর সময়ই যদি না থাকে, তবে পৃথিবীটাই বা থাকে কী করে? আমার, আপনার কথা তো বাদ দিলাম।
আবার অস্ট্রেলিয়ার মাউন্ট স্ট্রমলো মানমন্দিরের জ্যোতির্বস্তুবিদ চার্লস লাইনউইভার বলেছেন, বুসো আসলে ভুল করেছেন স্ট্যাটিস্ট্রিক্স বা পরিসংখ্যানবিদ্যার একটি পদ্ধতিকে বড় বেশি গুরুত্ব দিয়ে। বুসোর ব্রহ্মাণ্ডের গড় আয়ু নির্দিষ্ট আর ওঠা এসেছে গাণিতিক সম্ভাব্যতা পাওয়ার দুরাশায় সময়ের অন্তের একটি তাত্ত্বিক বিন্দু নির্দেশ করা থেকে। আরও সহজ করে বলতে গেলে, সময়ের শেষ অবধারিতভাবে একটি বাস্তব অর্থাত্ বস্তুগত ঘটনা এবং তার একটি বস্তুগত কার্যকারণের প্রয়োজন। ওটাকে শুধু গণিতের খেলা হিসেবে ধরলে চলবে না।আমার দেশ
এই বিজ্ঞানীরা কিন্তু বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সংক্রান্ত একটি বহুদিনের তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করছেন। ওই তত্ত্ব অনুযায়ী বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের পরিধি ক্রমেই বেড়েই চলেছে এবং অনন্তকাল বাড়তেই থাকবে। অবশ্য এই তত্ত্বের পটভূমিতে রয়েছে সৃষ্টির সূচনার সেই ‘বিগ ব্যাং’ বা সুবিশাল বিস্ফোরণ। একটি বোমা ফাটলে যেমন টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে, ঠিক তেমনিভাবেই আমাদের ব্রহ্মাণ্ডের ব্যাস ও পরিধি বেড়ে চলেছে।
এখন এ গবেষকরা বলছেন, পদার্থবিদ্যার নিয়মাবলী থেকেই বোঝা যায়, ব্রহ্মাণ্ডের পরিধি যে অনন্তকাল ধরে বেড়ে চলবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কেন নেই, তা বুঝতে গেলে অঙ্কে ঢুকতে হবে; পদার্থবিদরা ক্রমবর্ধমান ব্রহ্মাণ্ড সম্পর্কে আঁকজোক করতে গিয়ে ‘টাইম কাট-অব’ বলে একটি বস্তু ব্যবহার করেন— অর্থাত্ সময় যখন শেষ হবে, সেই ধরনের একটি তত্ত্বগত ঘটনা। এটা আসলে আঁকজোকের একটা পন্থা হলেও সেটাই শেষে বাস্তব হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে বার্কলের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার বিজ্ঞানী রাফায়েল বুসো এবং তার সতীর্থদের ধারণা। সৌরজগতের বাইরে এমন অনেক গ্রহই সম্প্রতি খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
বিগ ব্যাং যাবত্ প্রায় ১.৩৭০ কোটি বছর বিগত হয়েছে। এতদিনে বোঝা গেল, বিজ্ঞানীরা স্রেফ তাদের অঙ্কের খেলার জন্য যে কাল্পনিক তারিখটা ব্যবহার করছিলেন, সময়ের কবে অন্ত ঘটবে—সময় একটি চরম ঠাটটায় ঠিক সেই রকম সময়েই উধাও হতে পারে। আর সময়ই যদি না থাকে, তবে পৃথিবীটাই বা থাকে কী করে? আমার, আপনার কথা তো বাদ দিলাম।
আবার অস্ট্রেলিয়ার মাউন্ট স্ট্রমলো মানমন্দিরের জ্যোতির্বস্তুবিদ চার্লস লাইনউইভার বলেছেন, বুসো আসলে ভুল করেছেন স্ট্যাটিস্ট্রিক্স বা পরিসংখ্যানবিদ্যার একটি পদ্ধতিকে বড় বেশি গুরুত্ব দিয়ে। বুসোর ব্রহ্মাণ্ডের গড় আয়ু নির্দিষ্ট আর ওঠা এসেছে গাণিতিক সম্ভাব্যতা পাওয়ার দুরাশায় সময়ের অন্তের একটি তাত্ত্বিক বিন্দু নির্দেশ করা থেকে। আরও সহজ করে বলতে গেলে, সময়ের শেষ অবধারিতভাবে একটি বাস্তব অর্থাত্ বস্তুগত ঘটনা এবং তার একটি বস্তুগত কার্যকারণের প্রয়োজন। ওটাকে শুধু গণিতের খেলা হিসেবে ধরলে চলবে না।আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
- বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী