বিশ্বে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে, সুস্থভাবে বাঁচা নয়
বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। অর্থাৎ, তারা বেশিদিন বেঁচে থাকছেন। কিন্তু, বহু মানুষই দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকছেন। অর্থাৎ, রোগগ্রস্ত হয়েই কাটছে জীবনের শেষ কয়েকটি বছর। ১৮৮টি রাষ্ট্রে বড় ধরনের সব রোগ ও জখম এবং মানুষের আয়ুর ওপর এসবের প্রভাবের বিষয়ে পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বিশ্বজুড়ে সাধারণ স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গত দশকে এইচআইভি/এইডস ও ম্যালেরিয়ার মতো সংক্রামক রোগসমূহ প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতির কল্যাণেই তা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু ও শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসাতেও যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে ততোটা অগ্রগতি হয়নি। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রোগগ্রস্ত হয়ে ও শারীরিক অক্ষমতা নিয়েই মানুষ দীর্ঘজীবী হচ্ছে। দ্য ল্যানসেট সাময়িকীতে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট অব হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন-এর অধ্যাপক ও প্রধান গবেষক থিও ভস বলেছেন, স্বাস্থ্যের দিক থেকে বিশ্ব দারুণ উন্নতি করেছে। তবে এখন চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, বিভিন্ন অসুখ ও শারীরিক অক্ষমতার প্রধান কারণগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো প্রতিহত বা চিকিৎসা করা। গবেষণায় জানা গেছে, ১৯৯০ সালে জন্মের সময় নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই যেখানে বৈশ্বিক গড় আয়ু ছিল ৬৫ বছর ৩ মাস। সেখানে ২০১৩ সালে তা ৬ বছর ২ মাস বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ বছর ৫ মাসে। অন্যদিকে, ১৯৯০ সালে সুস্বাস্থ্য নিয়ে যেখানে মানুষ ৫৬ বছর ৯ মাস বেঁচে থাকতো, সেখানে ২০১৩ সালে তা ৫ বছর ৪ মাস বেড়ে ৬২ বছর ৩ মাসে উন্নীত হয়েছে। মৃত্যু, এবং মারাত্মক শারীরিক অবস্থা বা দীর্ঘস্থায়ী ও কঠিন অসুখ যেমন- হার্ট ও ফুসফুসের রোগ, ডায়াবেটিস ও গুরুতর জখমের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, ১৯৯০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ১৮৮টি দেশের মধ্যে অধিকাংশ দেশেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে তুলনামূলক বেশি গড় আয়ু লাভের ক্ষেত্রে ‘তাৎপর্যপূর্ণ ও ইতিবাচক’ পরিবর্তন এসেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা, প্যারাগুয়ে ও বেলারুসের মতো কয়েকটি দেশে সুস্বাস্থ্যের ভিত্তিতে গড় আয়ু কমেছে। ২০১৩ সালে লেসোথো ও সোয়াজিল্যান্ডে জন্ম হওয়া শিশুদের সুস্থতার ভিত্তিতে গড় আয়ু ২০ বছর আগের তুলনায় ১০ বছর হ্রাস পেয়েছে। নিকারাগুয়া ও ক্যাম্বোডিয়ার অধিবাসীরা ১৯৯০ সালের তুলনায় যথাক্রমে ১৪ বছর ৭ মাস ও ১৩ বছর ৯ মাস বেশি সুস্থভাবে বেঁচে থাকছেন। ২০১৩ সালে লেসোথোতে সুস্বাস্থ্যের ভিত্তিতে গড় আয়ু ৪২ বছর ছিল, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ওই বছর জাপানে সুস্বাস্থ্যের ভিত্তিতে জাপানিদের গড় আয়ু ছিল ৭৩ বছর ৪ মাস।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া