বিশ্ব নেতাদের প্রিয় মোবাইল ফোন
ক্ষমতাধর তাঁরা, বিশ্বনেতারা। আমাদের মতো যখন-তখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন না। মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেও খেয়াল রাখতে হয় নানা বিষয়, থাকতে হয় সতর্ক। মোবাইল ব্র্যান্ড বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁরা সতর্ক থাকেন, সহজে প্রকাশ করতে চান না। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ফাঁস হয়ে যায় তাঁদের প্রিয় মোবাইল ফোনটির কথা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা রীতিমতো ব্ল্যাকবেরির ভক্তই বলা চলে। প্রায় এক দশক ধরেই ব্ল্যাকবেরি ব্যবহারে অভ্যস্ত ওবামা। বিভিন্ন সময় ব্ল্যাকবেরি হাতে দেখাও গেছে ক্ষমতাধর এই বিশ্বনেতাকে। তবে ব্ল্যাকবেরিতে নিরাপত্তা-ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় হোয়াইট হাউসের সিদ্ধান্তে ব্ল্যাকবেরি ব্যবহার ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ব্ল্যাকবেরির পরিবর্তে ওবামার হাতে শিগগিরই দেখা যেতে পারে অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর কোনো স্মার্টফোন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক খবরে বলা হয়েছে, ব্ল্যাকবেরি ছেড়ে বারাক ওবামা অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারেন। বারাক ওবামার ব্যবহারের জন্য এলজি ও স্যামসাংয়ের দুটি মডেলের স্মার্টফোন পরীক্ষা করে দেখেছে হোয়াইট হাউস।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনেরও পছন্দ ব্ল্যাকবেরি ফোন। মোবাইল ফোনে গোয়েন্দাগিরির আশঙ্কার পরও ক্যামেরন তাঁর আস্থা রাখছেন ব্ল্যাকবেরিতেই। ওবামা, ক্যামেরন ছাড়াও ব্ল্যাকবেরির আরেকজন বিখ্যাত ভক্ত জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল। ম্যার্কেল ব্ল্যাকবেরি জেড১০ মডেলের মোবাইল ব্যবহার করেন। এতে ফোন ট্যাপিং ঠেকাতে সিকুসাইট এনক্রিপশন প্রযুক্তি যুক্ত করা আছে। অবশ্য এর আগে ২০০৯ সাল থেকে জার্মানির চ্যান্সেলর নকিয়া ৬২১০ স্লাইড ফোন ব্যবহার করতেন।
গত বছরের জুলাই মাসে ব্ল্যাকবেরি ব্যবহার শুরু করেছেন ম্যার্কেল। ব্ল্যাকবেরির আরেক ভক্ত হিলারি ক্লিনটন। ব্ল্যাকবেরি থেকে তাঁকে বিভিন্ন সময় বার্তা পাঠাতেও দেখা গেছে। সব মিলিয়ে ক্ষমতাধর বিশ্বনেতাদের অনেকের পছন্দের ব্র্যান্ড ব্ল্যাকবেরি।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কোস হল্যান্ড অবশ্য অ্যাপল-ভক্ত। তিনি আইফোন৫ নিয়েই বেশ সন্তুষ্ট। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মোবাইল ফোন ব্যবহারের কথা দীর্ঘদিন ধরে অস্বীকার করে আসছেন। ২০১০ সালে তিনি একবার বলেছিলেন, ‘মোবাইল ফোন হচ্ছে একটা ঝামেলা, এই যন্ত্র কাছে থাকলে রিং বাজতেই থাকে।’ তবে ২০১২ সালে পুতিনকে অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর একটি স্মার্টফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন পছন্দ করেন এইচটিসি বাটারফ্লাই ফোন। অবশ্য উত্তর কোরিয়ার তৈরি অ্যারিরাং স্মার্টফোন নিয়েও তাঁকে কথা বলতে শোনা যায়।
মোবাইল ফোন ব্যবহারের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাত্রা। তিনি কমপক্ষে পাঁচটি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। থাইল্যান্ডের বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর অ্যাডভান্সড ইনফো সার্ভিসেসের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। এখানে প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্বেও ছিলেন। তাঁর পছন্দের ফোন আইফোন৫। এ ছাড়া লুমিয়া ৯২০ ও অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোন রয়েছে তাঁর।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পছন্দ অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোন। তিনি ব্যবহার করেন স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি সিরিজের স্মার্টফোন।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
- বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী