বিষয় বাণিজ্যিক ওয়াজ
বশীর উদ্দীন আহমেদ : জর্জিয়ার আটলান্টা শহরে ছোট বড় ২২টি জামে মসজিদে প্রতিদিন কোন না কোন ফরজ নামাজের আগে অথবা পরে এবং প্রতি জুম্মাবারে ধারাবাহিক ভাবে মহাগ্রন্থ আল-কোরাণ ও হাদিসের (দরসে কোরাণ ও হাদিস) তরজমা ও তাফসীর পেশ করা হয়! সম্মানিত ইমাম সাহেবগণ এই মহৎ কাজটি বিনা পারিশ্রমিকে করে থাকেন। ফল্র বছরান্তে নিয়মিত মুসল্লীদের অন্তরে পাক কালাম ও হাদিস তথা ইসলামী জীবন বিধান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা সৃষ্টি হয় যা তাদের ্দৈনন্দিন চলার পথে পাথেয় হিসেবে কাজ করে! আমার প্রাণ প্রিয় মাতৃভূমিতে যদি এই প্রথা চালু করা যেত তাহলে দুরদুরান্ত থেকে আমাদের হেদায়েতের জন্য মোটা অংকের চূক্তিতে হুজূর ভাড়া করে এনে দিবারাত্র মাইকযোগে বাণিজ্যিক ওয়াজ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে হয়তোবা আনা যেত! দিনে দিনে এই প্রবণতা এক শ্রেণীর মানূষের জীবন জীবিকার উপায় হয়ে দাড়িয়েছে!
আমাদের কর্তব্যঃ আমাদের উচিৎ দিবারাত্র মাইকযোগে ওয়াজের অপেক্ষায় না থেকে নিয়ত সহি করে দ্বীনি প্রতিস্টানে আল্লাহর সন্তোষটি অর্জনের অভিপ্রায়ে হিজরী সালের শুরুতেই অথনা পবিত্র রমজানে কিম্বা বছরের যে কোন সময়ে নিয়ম করে দান ইসলামী প্রতিস্টানের পরিচালনা পরিষদের হাতে পোউছে দেয়া এবং রসিদ সংগ্রহ করা! কারণ ওয়াজ মাহফিলের আয়োজনে, ভাড়াটীয়া হুজুরের হাদিয়া, আসা-যাওয়া খাওয়া দাওয়া এবং বিশিস্ট মেহমানদের খেদমতে আপনার দানের সিংহ ভাগই ব্যায় হয়ে যায়! ইসলামী প্রতিস্টানের শিক্ষক কর্মচারিদের বেতন বাকী থেকে যায় তিন মাস! প্রতিস্টানের ফান্ডে জমা হয় খুব অল্প টাকা! আসুন আমরা এখন থেকে আমাদের স্থানীয় ইসলামী প্রতিস্টান সমূহে নিয়মিত দারসে কোরান দারসে হাদিস মাহফিলের আয়োজন করে দ্বীন শিখি এবং নিজ দ্বায়ীত্বে দান-অনুদান কমিটির হাতে তুলে দেই যাহাতে ১০০% দান প্রতিস্টানের ফান্ডে জমা হয় আর বাণিজ্যিক হুজূর ভাগ বসাতে না পারে! যে টাকার জন্য তাদের কোন হিসাব দিতে হয়না,বিল-ভাইচারে রেভিনিউ স্টাম্পে সাইন দিতে হয়না, দিতে হয়না ইনকামটেক্স! দাতাগণ যদি ওয়াজ মাহফিলের অপেক্ষায় না দ্বীনের খেদমতে স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে আল্লাহর সন্তোষটির জন্য আল্লহার দেয়া মাল আল্লাহর রাস্তায় ব্যায় করতে এগিয়ে আসেন তাহলে ভাড়াটিয় হুজূর ইহাতে ভাগ বসানোর সুযগ পাবেন না! তাদের উচিৎ তাদের নিজের জান মাল শ্রম সময় আল্লাহর রাস্তায় ব্যায় করা। ইহাই ঈমানের দাবি! আর তারা যদি ইহাকেই তাদের রুটিরুজির অবলম্বন মনে করেন তাহলে তাদের এরাস্তা থেকে সরে যাওয়া উচিৎ অন্য কোন কাজকর্ম করে হালাল জীবিকা অর্জন করা উচিৎ! তা’ না হলে দিবারাত্র কেন কেয়ামত পর্য্যন্ত মাইকযোগে বাণিজ্যিক ওয়াজ ফরমাইলেও হেদায়েতের ফায়সালা হবে না! দ্বীনি প্রতিস্টানের অভাব ও মিটবেনা! এখানে যদি কিছু ভূল বলা নহয়ে থাকে আল্লাহ পাক যেন আমাকে ক্ষমা করেন। সকলের সুচিন্তিত মতামত আশা করছি।
আটলান্টা, জর্জিয়া।
সর্বশেষ সংবাদ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!