বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখতে না গেলেই মামলা
ডেস্ক: বৃদ্ধ বাবা-মাকে অবহেলা করার কোন সুযোগ নেই চাইনিজদের। চীনে নতুন প্রণয়নকৃত আইন অনুযায়ী, বাবা-মাকে দেখতে না গেলেই সন্তানদের মামলার ঝুঁকি রয়েছে। গতকাল থেকে দেশটিতে আইনটি বলবৎ হয়েছে। সংশোধিত এ আইনের ফলে বর্তমান অবস্থার কতটুকু উন্নয়ন হবে সেটা দেখার বিষয়। আইনটিতে পরিষ্কারভাবে বলা নেই কতবার বা কত নিয়মিত বাবা-মাকে দেখতে যেতে হবে। আর না গেলে দণ্ড বা জরিমানা কেমন কি হবে সেটাও উল্লিখিত নেই। তাছাড়া, চীনে বৃদ্ধ বাবা-মা প্রায়ই মানসিক অবলম্বন পাওয়ার আশায় সন্তানদের বিরুদ্ধে মামলা করে থাকে। আইনটির খসড়া প্রণয়নকারীদের মধ্যে অন্যতম শ্যাংডং ইউনিভার্সিটির আইন বিষয়ক অধ্যাপক জিয়াও জিনমিং বলেন, এটার প্রাথমিক উদ্দেশ্য হচ্ছে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা। বৃদ্ধ বয়সে মানসিক অবলম্বন চাওয়াটা যে বাবা-মাদের অধিকার সে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে উপস্থাপন করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বয়োবৃদ্ধ বাবা-মাকে অবহেলা করার প্রচুর অভিযোগ আসার পর ডিসেম্বরে আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। আইনে উল্লেখ করা আছে, যাদের বাবা-মা বয়স ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে তাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে তাদের বাবা-মা’র প্রতিদিনের আর্থিক ও মানসিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে। বয়স্কদের শ্রদ্ধা করাটা চীনের সামাজিক মূল্যবোধের এক অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচিত। তথাপি তিন দশকের বাণিজ্য বিপ্লবের ফলে একান্নবর্তী পরিবারের সংস্কৃতি হারিয়ে গেছে বলা চলে। বিকল্প রাস্তা হিসেবে সবাই এখন বেছে নিয়েছে বৃদ্ধাশ্রম। জিয়াও জানান, বয়োবৃদ্ধদের অধিকার সংরক্ষণবিষয়ক আইন সংশোধনের আগেও অনেক বাবা-মা মানসিক অবলম্বনের জন্য আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে। সেক্ষেত্রে দেখা গেছে, নিয়মিত বাবা-মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য সন্তানদেরকে রাজি করিয়ে বাবা-মার সঙ্গে সমঝোতার ব্যবস্থা করে দিয়েছে আদালত। চায়না ন্যাশনাল কমিটি অব এজিং-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০৫৩ সাল নাগাদ চীনে ষাটোর্ধ্ব মানুষের সংখ্যা বর্তমানের ১৮ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৪৮ কোটি ৭০ লাখে গিয়ে দাঁড়াবে। যা কিনা সমগ্র জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশ। পূর্ব জিয়াংশু প্রদেশের এক প্রভাষক ঝ্যাং ইয়ে (৩৬) আইনটিকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যারা জীবিকা ও স্বাধীন জীবনের প্রত্যাশায় ঘর থেকে দূরে কোন শহরে পাড়ি জমিয়েছে তাদের উপর এটা অতিরিক্ত চাপ হয়ে যাবে। যারা বিদেশে থাকে অথবা মা-বাবার থেকে অনেক দূরে থাকে তাদের জন্য দেখতে আসাটা কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার বাবা-মাকে নিয়মিত দেখতে যাই, তাদের সঙ্গে ফোনে কথাও বলি। কিন্তু যে তার নিজ বাবা-মাকে দেখতে যেতে চায় না, কোন আইন তাদের উপর কাজ করবে বলে আমার সন্দেহ আছে।’মানবজমিনসর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন
- হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান
- ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা
- চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি