বৈশ্বিক শান্তির সূচকে ১০৫তম বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা বেড়েছে
ডেস্ক: রাজনৈতিক অস্থিরতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৈশ্বিক শান্তি সূচকে বাংলাদেশের ওপর প্রভাব ফেলেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ কম স্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে। এসব ঘটনাই শান্তির সূচককে প্রভাবিত করেছে। আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আদালতে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে সিনিয়র রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিচার হচ্ছে। তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছে ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠীগুলো। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজপথে ওই রাজনৈতিক নেতাদের সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ঘন ঘন সংঘর্ষ হচ্ছে। এ ছাড়াও সন্ত্রাসীদের সহিংস কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা বাড়ছে। তা সত্ত্বেও দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির সূচকে বাংলাদেশ তৃতীয়। তবে বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভুটান ও নেপাল। কিন্তু বাংলাদেশের অনেকটা পেছনে পড়ে আছে শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। অর্থাৎ ভারতের তুলনায় বাংলাদেশ বেশি শান্তির দেশ। বৈশ্বিক শান্তির সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ তৃতীয় হলেও সারা বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫ নম্বরে। গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০১৩ (জিপিআই)-এ কথা বলা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ২০১৩-এর সূচকে ভারত ও ভুটানের সার্বিক সূচকের বেশি উন্নতি হয়েছে। তবে সবচেয়ে নিচে নেমে গেছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান। ১৬২টি দেশের ওপর প্রণীত জিপিইয়ের ওই সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আফগানিস্তান, পাকিস্তান বাংলাদেশের স্কোরের ওপর প্রভাব ফেলেছে। বৈশ্বিক শান্তি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫ নম্বরে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে আছে ভারত। ভারতের অবস্থান ১৪১ নম্বরে। অর্থাৎ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশ বেশি শান্তির দেশ। মঙ্গলবার ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) ওই সূচক প্রকাশ করেছে। ১৬২টি দেশের ওপর ওই সূচক তৈরি করা হয়েছে। এতে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে ১ নম্বর অবস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। আর সবচেয়ে সহিংসতার দেশ আফগানিস্তান। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে শান্তির বিরুদ্ধে হুমকির ঘটনা বেশি। ফলাফলে দেখা গেছে, আগের তুলনায় বিশ্ব শান্তিপূর্ণ হয়ে উঠছে। ২০০৮ সাল থেকে শান্তি শতকরা ৫ ভাগ কমে গেছে। সংস্থাটির মতে, নিরাপত্তা, সহিংসতার মাত্রা, সামরিকায়নের মাত্রা, অপরাধের প্রবণতা, সংঘবদ্ধ অপরাধ, পুলিশের আনুপাতিক হার, পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতাসহ ২২টি বিষয়ের ভিত্তিতে শান্তির সূচক তৈরি করা হয়েছে। ওই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫ নম্বরে। বাংলাদেশের অর্জন ২.১৬ পয়েন্ট। এতে পর্যায়ক্রমে শীর্ষ স্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড। কানাডার অবস্থান ৮ নম্বরে। এ ক্ষেত্রে এশিয়ার কয়েকটি দেশের অবস্থান হলো : ভারত (১৪১), পাকিস্তান (১৫৭), ভুটান (২০), মালয়েশিয়া (২৯), সিঙ্গাপুর (১৬), দক্ষিণ কোরিয়া (৪৭), ইন্দোনেশিয়া (৫৪), নেপাল (৮২), থাইল্যান্ড (১৩০), আফগানিস্তান (১৬২)।
ওদিকে কলকাতা প্রতিনিধি জানান, শান্তির মাপকাঠিতে পৃথিবীতে বসবাসযোগ্য নিকৃষ্টতম ৮৫টি দেশের মধ্যে স্থান করে নিলো ভারত। দ্য গ্লোবাল পিস ইনডেক্সের (জিপিআই) প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী ২০১২তে বিশ্বের ১৬২টি দেশের মধ্যে শান্তির নিরিখে ভারতের স্থান ১৪১। এ তালিকা অনুযায়ী প্রতিদিন ভারতে অভ্যন্তরীণ হিংসার শিকার হয়ে প্রাণ হারান দু’ডজনের বেশি মানুষ। জীবন বিপন্ন হয় অন্তত ৭৯৯ জনের। তবে নেপাল, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা কিন্তু এ তালিকায় বেশ খানিকটা এগিয়ে ভারতের থেকে। ২০১২ সালে ভারতে ক্রমবৃদ্ধিমান রাজনৈতিক হিংসা, কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্ব ভারতে অশান্ত পরিবেশ, জঙ্গি হানা, সাধারণ মানুষের অপরাধমনস্কতা, প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের প্রচুর অর্থব্যয়, মাওবাদী সমস্যা এবং সীমান্তে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্রমাবনতির জেরে জিপিআই-এর শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় নিচের দিকে ঠাঁই মিলেছে ভারতের। তবে ২০১১-এর তুলনায় এ তালিকায় তিন ধাপ এগিয়ে এসেছে ভারত। প্রত্যাশিতভাবেই এ তালিকায় ভারতের থেকেও খানিকটা নিচে রয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। ভারতীয় উপমহাদেশের মুখ রক্ষা করে পৃথিবীতে বসবাসযোগ্য সেরা ২০টি দেশের মধ্যে ঠাঁই করে নিয়েছে ভুটান।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন
- হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান
- ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা
- চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি