Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

মাদার অফ দ্য ইয়ার অক্টোপাস!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 159 বার

প্রকাশিত: August 1, 2014 | 2:44 AM

প্রাণিজগতে মাদার অফ দ্য ইয়ার এর যদি কোনো খেতাব চালু হত, তবে সেটা নির্ঘাত পেত মা অক্টোপাস৷ কারণ কি জানেন? প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে ভয়াবহ শীত ও অন্ধকারে নিজের ডিমগুলোকে নিয়ে সাড়ে চার বছর কাটায় মা অক্টোপাস৷ আর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে বেশিরভাগ মা অক্টোপাস৷ বুধবার মার্কিন বিজ্ঞানীরা বর্ণনা করেছেন মা অক্টোপাস তার গর্ভকালীন সময়টা কীভাবে কাটান, সে বিষয়টি৷ তাঁরা দেখেছেন, নারী অক্টোপাস প্রজাতি ডিম পাড়ার সময় হলে সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় এক মাইল গভীরে চলে যায়৷ তারপর দীর্ঘ সাড়ে চার বছর ডিমগুলোকে আগলে রাখে৷ প্রাণিজগতে এত দীর্ঘ সময় ধরে ডিমে তা দেয়ার রেকর্ড অন্য কোনো প্রাণীর নেই৷ বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল প্লসওয়ান-এ নতুন এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়৷ সমুদ্রের তলদেশে জীবদের জীবনযাপন সম্পর্কে জানতে মধ্য ক্যালিফোর্নিয়ার সমুদ্রে একটি রিমোট নিয়ন্ত্রিত সাবমেরিন পাঠিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা৷ সেসময় তাঁরা একটি নারী অক্টোপাসের সন্ধান পান, যেটা সমুদ্র তলদেশের অন্তত ৪,৬০০ ফিট নীচে একটি পাথরের খাঁজে অবস্থান করছিল৷ সেখানে স্বচ্ছ ও আলোকিত ১৬০টি ডিমও দেখতে পান বিজ্ঞানীরা৷

তাঁরা বলছেন, ডিমগুলো প্রথম অবস্থায় একগুচ্ছ ব্লু বেরির মতো ছিল, ধীরে ধীরে সেগুলো একগুচ্ছ আঙুরের মতো দেখতে হয়৷ কিন্তু এই সাড়ে চার বছরে মা অক্টোপাসকে কখনো তার স্থান থেকে নড়তে দেখা যায়নি৷ এমনকি পুরোটা সময় না খেয়েই থেকেছে সে৷ এ দীর্ঘ সময়ে না খাওয়ার কারণে ধীরে ধীরে মা অক্টোপাসটি শুকিয়ে যায় এবং বিবর্ণ হয়ে যেতে থাকে৷ ২০০৭ সালের মে মাস থেকে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবিরাম অক্টোপাসটির উপর সাবমেরিনের সাহায্যে নজর রেখেছিলেন বিজ্ঞানীরা৷

তাঁরা জানান, বেশিরভাগ মা অক্টোপাস জীবনে একবার বেশ কয়েকগুচ্ছ ডিম পাড়ে এবং ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার পরই মারা যায়৷ নতুন জন্ম নেয়া শিশুগুলো কিন্তু অসহায় থাকে না৷ ডিমগুলো ফুটতে এত দীর্ঘ সময় লাগার এটা একটা কারণ, বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা৷ তাঁরা জানান এই পুরো চার বছরে ডিমগুলো যাতে কোনো আঘাত না পায় এবং ভেঙে না যায়, সেজন্য নিজের আট বাহু দিয়ে তাদের আগলে রাখতেন মা অক্টোপাস৷মানবজমিন
সূত্র: ডয়েচে ভেলে

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV