মানবতা বিরোধী অপরাধী হিসেবে যারা জেলে রয়েছে তাদের বিচার এ মেয়াদেই শেষ হবে : নিউইয়র্কে আইন প্রতিমন্ত্রী
এনা, নিউইয়র্ক : বাংলাদেশের আইন , বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম নিউইয়র্কে এক সমাবেশে বলেছেন, ‘বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়ার এক পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর সাজা হয়েছে, তারেক রহমানের বিচার চলছে। বিদেশে অর্থ পাচারের জন্যে তারও শাস্তি হবে। কেউই রেহাই পাবে না। আইনের শাসন এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থেই বিচার চলছে।’ ‘২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীসহ নেত্রীবৃন্দের উপর গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও উদ্যোক্তা ছিলেন তারেক রহমান। যাদেরকে দিয়ে ঐ হামলা চালানো হয় তারাই সব ফাঁস করে দিয়েছেন’-উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘একাত্তরের মানবতা বিরোধী অপরাধী হিসেবে যারা জেলে রয়েছে তাদের বিচার এ মেয়াদেই শেষ হবে-এ নিয়ে হতাশার কিছু নেই।’ তিনি বলেন, ‘এটি হচ্ছে চলমান প্রক্রিয়া, আস্তে আস্তে সকল অপরাধীকে বিচারে সোপর্দ করা হবে।’১৪ জুন রাতে নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আ’লীগের উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয় ৬ দফা দিবস উপলক্ষে। সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ বসারত আলী এবং পরিচালনা করেন সেক্রেটারী সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ।

আলোচনায় আরো অংশ নেন দক্ষিণ চট্টগ্রাম জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মুসলেমউদ্দিন, যুক্তরাষ্ট্র আ’লীগের সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান ও শামসুদ্দিন আজাদ, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, উপপ্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট শাহ বখতিয়ার এবং মহিলা সম্পাদিকা মুর্শেদা জামান, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ সভাপতি মিসবাহ আহমদ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগ সভাপতি জাহাঙ্গির হোসেন প্রমুখ।
সাংবাদিক সাগর-রুনি দম্পতি খুন এবং বিএনপি নেতা ইলিয়াস নিখোঁজ রহস্য উদঘাটনে সরকারের আচরণের খেসারত দিতে হবে সামনের নির্বাচনে-দলীয় কর্মীদের এমন আশংকার পরিপ্রেক্ষিতে আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অনৈক প্রথিতযশা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছিল। সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে। তবে বর্তমান সরকার সকল অপরাধকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল বলেন, ‘যে সমাজে অপরাধীদের বিচার হয় না, সেটি সভ্য সমাজের অংশ হতে পারে না। এজন্যেই একাত্তরের ঘাতকদের বিচার এচ্ছ সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে। আন্তর্জাতিক মহলেরও সমর্থন রয়েছে এ বিচারে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিএনপি-জামাত জোট আন্দাজ করতে পারেনি যে নিজামী, মুজাহিদ, সা.কা.চৌধুরীর মত লোকদের গ্রেফতার করা হবে। ওরা ভেবেছিল যে, অর্থের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক লবিং চালিয়ে সকলকে ছাড়িয়ে নেবে। কিন্তু মানবতা বিরোধী অপরাধে লিপ্তদের পাশে কেউই দাঁড়ায়নি। অধিকন্তু আন্তর্জাতিক বিশ্ব বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার পাশে দাঁড়িয়েছে।’ ‘আর এটি সম্ভব হয়েছে গত সাধারণ নির্বাচনে নতুন প্রজন্মের ব্যালট বিপ্লবে গঠিত মহাজোট সরকারের কারণে। বর্তমানে ৮৮% বাংলাদেশী একাত্তরের ঘাতকদের বিচার প্রত্যক্ষ করতে চান’-প্রতিমন্ত্রীর দাবি। তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘মীর কাশেম আলী, বিদেশে পলাতক মইনুদ্দিন, আশরাফুজ্জামানদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। তাদেরকে বিচারে সোপর্দ করা হবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত সাধারণ নির্বাচনে নতুন প্রজন্মের ব্যালট বিপ্লব না ঘটলে বাংলাদেশ আজ আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের ভাগ্য বরণ করতো। এমনকি বিন লাদেনকেও ঢাকায় আশ্রয় দেয়া হতো। তার আস্তানা হতো বাংলাদেশে। কারণ, বিশেষ একটি ভবনের নির্দেশে সে সময় বাংলাদেশকে জঙ্গিরাষ্ট্রে পরিণত করার যাবতীয় কৌশল অবলম্বন করা হয়।’
- ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা
- চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity