মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সঙ্গে এবার এফবিআইও একমত : ট্রাম্পকে জেতাতে হ্যাকিং করেছিল রাশিয়া
মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সঙ্গে এবার অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইও একমত যে, ২০১৬ সালের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের কারণ অংশত ডনাল্ড ট্রাম্পকে জেতানো। এতদিন ধরে ট্রাম্প শিবির ও অনেক আইনপ্রণেতা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, রাশিয়ার সাইবার হামলা চালানোর কারণ নিয়ে সিআইএ ও এফবিআই একমত নয়। কিন্তু নতুন এ তথ্যে ওই দ্বিধার অবসান ঘটেছে। তবে রাশিয়া কোনো ধরনের সাইবার অনুপ্রবেশে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ খবর দিয়েছে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। খবরে বলা হয়, সাইবার হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটি ও ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ক্যাম্পেইন চেয়ারম্যান জন পোডেস্টা। এর আগে আমেরিকার বহু গোয়েন্দা সংস্থা একই উপসংহারে উপনীত হলেও, ট্রাম্প সন্দেহ প্রকাশ করে আসছিলেন। মস্কো এ হামলা চালিয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। ফক্স নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি মনে করি এটি হাস্যকর। আমি মনে করি এটা স্রেফ আরেকটা অজুহাত। আমি এটা বিশ্বাস করি না। না, আমি একদমই বিশ্বাস করি না।’ এদিকে নিজের শিবিরের শীর্ষ দাতা ও ফান্ডরেইজারদের জন্য আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সম্প্রতি হিলারি বলেছেন যে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সম্পর্কে ব্যক্তিগত দ্বেষ পোষণ করতেন। এ কারণেই রাশিয়ান হ্যাকাররা তার পেছনে লেগেছিল। ২০১১ সালে রাশিয়ায় বিতর্কিত নির্বাচনের পর গণহারে বিক্ষোভ শুরু হয়। তখন ওই বিক্ষোভে হিলারির বিরুদ্ধে ইন্ধন দেয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন পুতিন। এদিকে এ হ্যাকিং নিয়ে এফবিআই প্রধান জেমস কমি ও ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্সের প্রধান জেমস আর. ক্ল্যাপারের নতুন অবস্থান জানা গেছে সিআইএ কর্মীদের কাছে পাঠানো সংস্থাটির প্রধান জন ব্রেনানের একটি বার্তা থেকে। বার্তায় ব্রেনান লিখেন, ‘এ সপ্তাহের শুরুতে আমি এফবিআই প্রধান জেমস কমি ও ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্সের প্রধান জিম ক্ল্যাপারের সঙ্গে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেছি। আমাদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের মাত্রা, প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের মধ্যে শক্ত ঐক্যমত্য রয়েছে।’ এ নিয়ে এফবিআই বা সিআইএ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সবক’টি গোয়েন্দা সংস্থা রাশিয়ার হস্তক্ষেপ ও এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে একমত হলেও, এফবিআই পরিচালকের দৃষ্টিভঙ্গি এখানে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। জেমস কমি এ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছেন বলে অনুমান করা হয়। ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত সার্ভারে ই-মেইল ব্যবহারের কারণে কোনো রাষ্ট্রীয় তথ্য প্রকাশ হয়ে গিয়েছিল কিনা ওই তদন্ত করছিল এফবিআই। কিন্তু একপর্যায়ে এফবিআই ঘোষণা দেয়, হিলারির এক্ষেত্রে কোনো দোষ নেই। এ সময় ট্রাম্প শিবির থেকে ব্যাপক সমালোচনার কবলে পড়ে এফবিআই। তবে সকলকে অবাক করে দিয়ে নির্বাচনের কয়েকদিন আগে কমি প্রকাশ্যেই জানান, হিলারির নতুন কিছু ই-মেইল পাওয়া গেছে। তা নিয়ে তদন্ত চলছে। নির্বাচনের আগে আগে এমন ঘটনা বেশ নজিরবিহীন। কারণ, এসব নির্বাচনে প্রভাব ফেলে। হিলারি ওই সময়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে ছিলেন। কিন্তু এফবিআই প্রধানের এমন কাণ্ডের পর তা অবধারিতভাবে তার জনপ্রিয়তায় প্রভাব ফেলেছিল। পরে কমি অবশ্য জানান যে, ওই নতুন ই-মেইলেও কোনো ক্ষতিকর কিছু নেই। নির্বাচনে হিলারির পরাজয়ের পর অনেক ডেমোক্রেট নেতাই এজন্য শেষ মুহূর্তে কমির ওই ঘোষণাকে দায়ী করেছিলেন। এমনকি হিলারি নিজেও একে অন্যতম কারণ বলে মনে করেন। তাছাড়া ডনাল্ড ট্রাম্পকে জেতাতে রাশিয়া সহায়তা করেছিল, এ নিয়ে সব গোয়েন্দা সংস্থা একমত হলেও এফবিআই’র অবস্থান জানা যাচ্ছিল না। এ সবকিছু বিবেচনায় জেমস কমির এ অবস্থান তাৎপর্যপূর্ণ। মানবজমিন
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ