মার্কিন প্রেসিডেন্টদের খাদ্য তালিকা
জর্জ ওয়াশিংটন পছন্দ করতেন চেরি। অতিথিদের সম্মানে বড় পরিসরের রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন করতে পছন্দ করতেন আব্রাহাম লিংকন। তবে নিজের খাবার ছিল সাদামাটা। একটা আপেল আর এক কাপ চা হলেই চলত তাঁর।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সময়কার প্রেসিডেন্টের এমন খাদ্য তালিকা নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছেপেছে ইউএসএ টুডে।
ওই প্রতিবেদনটিতে দেশটির প্রেসিডেন্টদের খাদ্যাভ্যাস ও তাঁদের খাবার নিয়ে মজার কিছু তথ্য উঠে এসেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, অর্থনৈতিক মন্দার সময় ইংল্যান্ডের রানির সঙ্গে একটি হটডগ ভাগাভাগি করে খেয়েছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট। রিচার্ড নিক্সন একটি বাটিতে পনির ও সস মিশিয়ে দুপুরের আহার সারতেন।
বিল ক্লিনটন একসময় মাংস খেতে পছন্দ করতেন। তাঁর প্রিয় ছিল হ্যামবার্গার। পরে তিনি শাকাহারী হন।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বাদাম, বীজ ও কিশমিশজাতীয় হালকা খাবার হিসেবে খেয়ে থাকেন। এ ছাড়া স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ায় খ্যাতি পাওয়া স্ত্রী মিশেল ওবামার সঙ্গে ওয়াশিংটন ডিসির বাইরে রেস্তোরাঁয় নৈশভোজ করতে পছন্দ করেন তিনি।
প্রেসিডেন্টদের উল্লিখিত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে গবেষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদ ও মনোবিজ্ঞানী ড. এলান হার্শ। তিনি শিকাগোর স্মেল অ্যান্ড টেস্ট ট্রিটমেন্ট রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা।
হার্শের গবেষণা অনুযায়ী, শিমাকৃতির জেলিজাতীয় লজেন্সের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের। জর্জ হাবার্ট ওয়াকার বুশ ব্রকোলি খেতে পছন্দ করতেন না। এসব বিষয় থেকে তাঁদের ব্যক্তিত্বের বিষয়গুলো ধরা পড়ে।
হার্শ বলেন, ‘খাদ্য ও ব্যক্তিত্বের মধ্যে স্পষ্ট সম্পর্ক আছে। খাদ্য হলো রোরসাচ টেস্টে (মানসিক দক্ষতার জন্য একধরনের পরীক্ষা) ব্যবহূত কালির মতো। খাবার আমাদের মনের জানালা, যা দিয়ে আমরা কী তা বোঝা যায়।’
হার্শ তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন, যাঁরা শূকরের পোড়া চামড়া খেতে পছন্দ করেন, তাঁরা দলবদ্ধ বসবাসে ইচ্ছুক, অনুগত ও উদার। হার্শ সিনিয়র বুশের খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে তাঁর চরিত্রের মিল দেখেছেন। এ ছাড়া ওয়াশিংটনের চেরির প্রতি ভালোবাসা তাঁকে একই সঙ্গে আগ্রাসী ও বিনয়ী করেছে বলে মনে করেন তিনি।
নিক্সনের সসের প্রতি মোহ তাঁকে লক্ষ্যাভিমুখী, ঝুঁকি নিতে উন্মুখ করতে সাহায্য করেছে বলে হার্শের গবেষণায় দেখানো হয়েছে। আর বাদাম, বীজ ও কিশমিশ খান বলেই ওবামা নাকি বন্ধুবত্সল, শান্ত ও ভাবুক।প্রথম আলো
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!