মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন : বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ব্যক্তি নির্ভর নয় – পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ব্যক্তি বা দলের পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে খুব একটা পরিবর্তন আসে না মন্তব্য করে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট পদে রিপাবলিকান প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্প বা ডেমোক্রেট প্রার্থী জো বাইডেন কে জিতবেন তা এখনও অজানা। তবে পপুলার ভোট বা জরিপে অনেকে ডেমোক্রেটদের এগিয়ে রাখছেন। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক কোনো ব্যক্তি বা দলের ওপর নির্ভর করে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। কেউ বলতে পারছে না কে জিতবে। তবে অনেকে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে রেখেছেন।’

যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি সেক্রেটারি স্টিফেন বিগ্যানের সফরের সময়ে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির আলোচনা নিয়ে ধোঁয়াশার বিষয়ে সচিব বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা আমাদের কোনো নির্দিষ্ট প্রস্তাব দেননি। ওই দিন বিগ্যান আমাদের সাধারণভাবে বলেছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা বলেছি অর্থনৈতিক যেকোনো প্রস্তাবে আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত।’
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘এটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত। সেই হিসেবে আমি মনে করি না যে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের যে বাজার রয়েছে সেটিতে (নির্বাচনের) কোনো প্রভাব পড়বে। যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে সেটিও যথেষ্ট ঊর্ধ্বমুখী।’
এই সম্পর্ক ধরে রাখাটাই কাজ হবে জানিয়ে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘এমন কোনো ইঙ্গিত পাইনি যে, কোনো ব্যক্তির জয়লাভের কারণে এর বিপরীত কোনো পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমাদের যে দাবিগুলো আছে তারা বিভিন্ন কারণে কিছু সুবিধা স্থগিত করেছিল। তার জন্য কূটনৈতিক চেষ্টা থাকবে সেগুলো পুনস্থাপন করার জন্য। তবে অবশ্যই যদি সরকার পরিবর্তন হয়, তবে নতুন করে শুরু করতে হবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। কেউ বলতে পারছে না কে জিতবে। তবে অনেকে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে রেখেছেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি সেক্রেটারি স্টিফেন বিগ্যানের সফরের সময়ে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির আলোচনা নিয়ে ধোঁয়াশার বিষয়ে সচিব বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা আমাদের কোনো নির্দিষ্ট প্রস্তাব দেননি। ওই দিন বিগ্যান আমাদের সাধারণভাবে বলেছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা বলেছি অর্থনৈতিক যেকোনো প্রস্তাবে আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত। ’সচিব বলেন, যেই জয় লাভ করুক বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ধারাবাহিকতা থাকবে বলে আশা করে ঢাকা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক কোনো ব্যক্তি বা দল-নির্ভর নয়, এর ভিত্তি হচ্ছে রাষ্ট্র টু রাষ্ট্র। সদ্য সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া মাসুদ বিন মোমেন গতকাল কূটনৈতিক রিপোর্টারদের সংগঠন ডিকাবের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের আনক্লজ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) প্রেসিডেন্ট আঙ্গুর নাহার মন্টি সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন। এতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমানসহ কার্যনির্বাহী কমিটি এবং অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব দেশ দু’টির সম্পর্ক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত উল্লেখ করে বলেন, কেবল সম্পর্কই নয়, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের যে বাজার রয়েছে সেটিতেও নির্বাচনে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বা পরিবর্তনে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে আশা রাখি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী জানিয়ে সচিব বলেন, বিদ্যমান সম্পর্ক ধরে রাখতে আমাদের কিছু কাজ রয়েছে। এটি যত্ন সহকারে করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের যে চাওয়া বা দাবিগুলো রয়েছে এবং বিভিন্ন কারণে যেসব বাণিজ্যসুবিধাদি স্থগিত রয়েছে তা পুনর্বহাল বা আদায়ে নির্বাচন পরবর্তী সরকার বা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তুতিতে রয়েছে ঢাকা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই এসব দাবি বা সুবিধাদি আদায় করবে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হলে পুনর্গঠিত প্রশাসনে নতুন-পুরাতন মুখের মিশ্রণ ঘটবে। আর জো বাইডেন জয়ী হলে নিশ্চিতভাবে নতুন প্রশাসন আসবে। উভয় ক্ষেত্রেই কিছু বিষয় নিয়ে বাংলাদেশকে নতুন করে আলোচনা করতে হবে। অল্প ক’দিন আগে ঢাকা সফরকারী মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন ই বিগানের সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি-না? তা নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য এসেছে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের তরফে। যাতে এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের তরফে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে বা আর আগে আইপিএস নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আসেনি। এ ইস্যুতে সফরকালে উল্লেখযোগ্য কোনো আলোচনাও হয়নি। মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিগান সাধারণভাবে বলেছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ। এটা ছিল তার কমেন্ট। এতে যোগদান বা এগিয়ে নিতে তার কোনো প্রস্তাব আলোচনার টেবিলে আসেনি। ঢাকার তরফে তার ওই কমেন্টে বলার মতো কিছু ছিল না। তবে এটুকু বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে যে, এ ধরনের যে কোনো অর্থনৈতিক বা উন্নয়ন উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশ থাকতে বা এ বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত রয়েছে। মানবজমিন/আমাদের সময়
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের