মায়ের জন্য ভালোবাসা
ডেস্ক : বিজয় কুমারি তাঁর ছেলের নাম রেখেছিলেন কানাইয়া। অবতার কৃষ্ণের নামের সঙ্গে মিলিয়েই এমন নাম। একটি হত্যা মামলায় জেলে যাওয়ার চার মাসের মাথায় কানাইয়ার জন্ম দেন বিজয়। ১৯ বছর পর সেই ছেলেই অবতার হয়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করলেন মাকে। আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেলেও জামানতের রুপি দিতে না পারায় এত দিন বন্দি ছিলেন বিজয়। তিল তিল করে জমানো পয়সায় সেই জামানত পরিশোধ করে মাকে বের করে এনেছেন কানাইয়া। ভারতের আলীগড়ের মেহরাউনি গ্রামে স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখেই ছিলেন বিজয়। হঠাৎ সব কিছু তছনছ হয়ে যায়। প্রতিবেশী এক শিশুকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন বিজয়। শিশুটিকে মৃত অবস্থায় আবর্জনার স্তূপে পাওয়া গিয়েছিল। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় বিজয়ের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে শিশুটির পরিবার। বিজয়ের দাবি, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর আলীগড়ের অতিরিক্ত জেলা আদালত হত্যার দায়ে বিজয়কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। স্বামী কান্তি প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেন। নিম্ন আদালতের রায়ের সময় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বিজয়া। কারাগারেই কানাইয়ার জন্ম হয়। এলাহাবাদ হাইকোর্ট ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে বিজয়ার জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু জামানতের ১০ হাজার রুপি দিতে পারেননি তাঁর অভাবগ্রস্ত স্বামী। তাই মুক্তি মেলেনি বিজয়ার। এ সময় জীবনের একমাত্র অবলম্বন ছিল কানাইয়া। তবে চার বছর পর তাকেও হারান বিজয়। স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে ছেলেকে সরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দিন দিন পরিবারের সদস্যরাও বিজয়কে ভুলে যেতে থাকে। বিজয় বলেন, ‘সাত বছর আগে স্বামী একবার এসেছিল দেখা করতে। দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানাতে এসেছিল। এরপর আমার কোনো চিঠিরও উত্তর দেয়নি।’ পাঁচ বছরের একটি ছেলে ও আড়াই বছরের একটি মেয়ে রেখে জেলে গিয়েছিলেন বিজয়। কুকুরের কামড়ে কিছুদিন পর তাঁর বড় ছেলেটি মারা যায়। একটু বড় হওয়ার পর মেয়েটির বিয়ে দেন বাবা। তবে কানাইয়া মাকে ভুলেনি। পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে প্রতি তিন মাস পরপর মায়ের সঙ্গে দেখা করত সে। তার ভাষায়, ‘মায়ের কথা মনে করে কাঁদতাম। জেলে একবারেই একা ছিল আমার মা।’ ১৮ বছরে পড়ার পর পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে ছাড়া পান কানাইয়া। কাজ নেন একটি পোশাক কারখানায়। অল্প অল্প করে পয়সা জমাতে শুরু করেন। এলাহাবাদে তাঁর মায়ের পক্ষে যে আইনজীবী কাজ করেছিলেন তাঁকে খুঁজে বের করেন। আদালত বিজয়ের ঘটনা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন। জামানত পরিশোধের পর এ মাসের শুরুতে মুক্তি পান বিজয় কুমারি। মুক্ত হয়ে ছেলের সঙ্গে বিজয় এখন কানপুরে আছেন। সূত্র : বিবিসি।কালের কণ্ঠ
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’