Saturday, 20 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

মোটা শিশুদের একটা নয়, শত বিপদ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 128 বার

প্রকাশিত: February 22, 2014 | 12:11 AM

 
সবাই জানেন, মোটা হলে শরীরে রোগ বাসা বাঁধে। বাসাটা যে মানুষ বড় হলেই বাঁধে তা কিন্তু নয়। জার্মান গবেষকরা দেখেছেন, অল্প বয়সী শিশুরাও আজকাল শুধু মোটা হওয়ার কারণে অল্প অল্প করে এগিয়ে যাচ্ছে জটিল রোগে আক্রান্ত জীবনের দিকে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জার্নাল ‘অ্যাক্টা পেডিয়াট্রিকা’য় প্রকাশিত হয়েছে একটি নিবন্ধ, সেখানে ১০০ মোটা শিশুকে নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে জার্মানির ইয়েনা এবং হোহেনহাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, মুটিয়ে যাওয়া শিশুদের অনেকের মা-বাবাও শুরুতে বুঝতে পারেন না তাদের সন্তানরা ক্রমেই বড় বিপদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গবেষক দলের প্রধান ইনা ব্যার্গহাইম জানান, অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হলেও শিশুদের বেশি ওজনের কারণে যেসব রোগ হতে পারে সেগুলো নিয়ে ভাবাই হয় না, ফলে রোগনির্ণয়েও ব্যর্থ হন চিকিত্সকরা।
গবেষকরা শুধু মোটা শিশুদের নিয়েই কাজ করেননি; ১০০ মোটা শিশুর পাশাপাশি ৫১ জন স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের শিশুরও কিছু পরীক্ষা করেছেন তারা। শিশুদের বয়স ছিল পাঁচ থেকে আট বছরের মধ্যে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গবেষকরা দেখেছেন স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের শিশুদের শতকরা মাত্র ১৬ ভাগ অন্তত একটি জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। মোটা শিশুদের অবস্থা অনেক খারাপ। তাদের শতকরা ৭৩ ভাগ ছিল একই রকমের ঝুঁকিতে। গবেষকরা জানান, মোটা হওয়ার কারণে শিশুদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বি এবং কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে।
সন্তান মোটা হলে অনেক বাবা-মা কম খাওয়াতে শুরু করেন। ‘অ্যাক্টা পেডিয়াট্রিকা’য় প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, শিশুরা কম খেলে লাভ হয় না, উল্টো ক্ষতির আশঙ্কাই বাড়ে। গবেষকদের পরামর্শ একটাই, অল্প অল্প করে হলেও প্রতিদিন কোনো না কোনো রকমের শারীরিক পরিশ্রম করা। সেটা হতে পারে শরীর থেকে ঘাম বের করে আনে এমন খেলাধুলা কিংবা হালকা ব্যায়াম করা।
ইনা ব্যার্গহাইম জানান, যেসব শিশুকে নিয়ে তারা কাজ করেছেন, তাদের কেউ কেউ প্রতিদিন মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ কিলো ক্যালরি অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করত। এমনিতে ছোট একটা চকলেটবার খেলেই ওই পরিমাণ ক্যালরি চলে যায় শরীরে। তবে প্রতিদিন এভাবে অল্প অল্প অতিরিক্ত ক্যালরি নিতে নিতেই একসময় বেশ মোটা হয়ে যায় শরীর। তা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়, খেলাধুলা অথবা ব্যায়াম। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV