ম্যাকডোনাল্ডসের ব্যবসায় বিপর্যয়
নতুন নতুন ফাস্টফুড চেইনের ভিড়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফাস্ট ফুড চেইন ম্যাকডোনাল্ডস গত এক বছরে ব্যবসায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। সারা বিশ্বে ৩৫ হাজার আউটলেট এবং দুই হাজার ৮০০ কোটি ডলার বার্ষিক আয় করা প্রতিষ্ঠানটি গত এক বছরে ব্যবসার নিম্নমুখিতা, সে রকম ইঙ্গিতই দিচ্ছে।
মেক্সিকোর চিপোটলের খাবার কতটা জনপ্রিয় তা বোঝা যায় এর নিয়মিত ক্রেতা সামির মাজহারির কথায়। তিনি বলেন, চিপোটলের খাবার একেবারে ভিন্ন জাতের। প্রচলিত ফাস্টফুড খাবারের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে তারা।
শিকাগোর ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিটের কয়েক ব্লক দূরে ম্যাকডোনাল্ডসের চেইন থাকলেও সেখানে ক্রেতাদের আনাগোনা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। মাজহারির মতো আরেকজন ক্রেতা ওয়ায়েট স্টিল যিনি এক দশকের বেশি সময় ধরে ম্যাকডোনাল্ডসের দোকানে যান না।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ক্রেতাদের এ স্বাদের পরিবর্তন ম্যাকডোনাল্ডসের জন্য দুঃসংবাদই বটে। যেসব শিশু ম্যাকডোনাল্ডসের ‘হ্যাপি মিল’ খেয়ে বেড়ে উঠেছে, তারাও এখন আর ম্যাকের বড় বার্গারের ওপর অতটা আগ্রহী নয়। এ প্রসঙ্গে ওয়ায়েট স্টিলের ভাষ্য, ‘আমার কোনো শিশু থাকলে তাকে অবশ্যই মাকডোনাল্ডসে নিয়ে যাব না।’
ম্যাকডোনাল্ডসের জন্য আরও দুঃসংবাদ হলো, তাদের গ্রাহকদের বড় একটি অংশ নিম্ন আয়ের মানুষ এখন ম্যাকের খাবার কিনতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গত এক বছরে প্রতিষ্ঠানটির বেচাকেনা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। গত সপ্তাহের এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে বিশ্বজুড়ে তাদের বিক্রি কমেছে ৩ শতাংশ আর লভ্যাংশ কমেছে ৩০ শতাংশ। অন্যদিকে একই সময়ে চিপোটলের বিক্রি বেড়েছে ২০ শতাংশ আর লভ্যাংশ বেড়েছে ৫৭ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া ও এশিয়ার দেশগুলোতেও ম্যাকডোনাল্ডসের বিক্রি পড়তির দিকে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ কারণে বিশ্বব্যাপী ৩০ কোটি ডলার কৃচ্ছ্রসাধনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তারা। নতুন চেইন উদ্বোধনও কমানো হবে বলে জানিয়েছেন ম্যাকডোনাল্ডসের প্রধান নির্বাহী ডন থম্পসন।
খাদ্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান টেকনোমিকের তথ্য অনুযায়ী, চিপোটলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজার বাড়ছে বছরে ৯ থেকে ১০ শতাংশ হারে। অন্যদিকে প্রথাগত ফাস্টফুড চেইনগুলোর বাজার বাড়ছে মাত্র শতকরা ২ থেকে ৩ শতাংশ হারে। সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস/প্রথম আলো
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!