Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশনের কড়াকড়ি বেড়েই চলেছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 135 বার

প্রকাশিত: March 23, 2018 | 8:08 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : দিন যতই যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশনের সবখানে কড়াকড়ি বেড়েই চলেছে। প্রায় প্রতিদিনই জারি হচ্ছে নতুন নতুন আদেশ। নানা নির্দ্দেশনা পাচ্ছেন ইমিগ্রেশন অফিসাররা। ধারাবাহিক এ কড়াকড়ির প্রভাব পড়ছে ছাত্র, পর্যটকসহ অভিবাসী প্রায় সকলের উপর।

দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, সমগ্র বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিদেশি ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে যুক্তরাষ্ট্রে আসলেও এখন তারা পড়ছে কড়াকড়িতে। ব্যুরো অফ ইকনমিক এনালিসিস এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী এসব বিদেশি ছাত্রছাত্রী ২০১৬ সালে তাদের দেশ থেকে অর্থ এনে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যয় করেছে ৩৯.৪ বিলিয়ন ডলার। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিদেশে পড়াশুনা করতে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরা ওইসব দেশে ব্যয় করেছে ৭.৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থ্যাৎ এই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য উদ্ধৃও প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র স্থানীয় ছাত্ররা এলিমেন্টারি স্কুল থেকে হাইস্কুল পর্যন্ত অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিনামূল্যে পড়াশুনার সুযোগ পায়। উচ্চশিক্ষার জন্য অসংখ্য খাতের ষ্টেট ও ফেডারেল ভর্তুকি পেয়ে থাকে, যা বিদেশি ছাত্ররা পায় না; বরং বিদেশি ছাত্রদের নিকট থেকে দ্বিগুণ এবং অনেক ক্ষেত্রে তিনগুণ অর্থ আদায় করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চতর শিক্ষাকে বিশ্বের সেরা উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয় বলে স্বল্প ব্যয় সম্পন্ন উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদেশি ছাত্রদের ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে বেশ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রে।
ষ্টেট ডিপার্টমেন্টের সদ্য প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ছাত্র নতুন ছাত্র ভিসা প্রদান হ্রাসের চিত্র ফুটে উঠেছে, যার নেতিবাচক ফল হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি ছাত্র ভর্তি উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় কমেছে। অথবা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি ছাত্র ভর্তির সকল প্রক্রিয়া শেষ করলেও ষ্টেট ডিপার্টমেন্ট ভিসা ইস্যু না করলে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে আসার সুযোগ হচ্ছে না। এজন্য দায়ী করা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন নীতির কঠোরতাকে, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাপিয়ে দিয়েছেন।
য্ক্তুরাষ্ট্রে যেসব বিদেশি ছাত্র পড়াশুনা করতে আসেন তাদের প্রায় অর্ধেকই আসেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেয়ার জন্য। ৯/১১ এর পরবর্তী কয়েকটি বছর ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি ছাত্র ভর্তির হার সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে উর্ধমুখী ছিল। কিন্তুু সাম্প্রতিককালে বেশ কিছু রিপোর্ট অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ছাত্র ভর্তির হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে এবং বিদেশি ছাত্রদের মুখ ফিরিয়ে নেয়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের এক হিসাবে দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি ছাত্র ভর্তি হ্রাস পেয়েছে শতকরা ৪ ভাগ। গত বছর ফল এ যেখানে বিদেশি ছাত্র ভর্তি হয়েছিল ৮৪০,১৬০ জন, চলতি বছর ফল এ বিদেশি ছাত্র ভর্তি হয়েছে ৮০৮,৬৪০ জন। ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর আমেরিকান পলিসি’র সমীক্ষা অনুযায়ী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে আসা ছাত্রসংখ্যা হ্রাস পেয়েছে আগের তুলনায় অর্ধেকের বেশি। গত বছরের নভেম্বরে ইন্সটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন এর পৃথক এক জরিপে নতুন ছাত্র ভর্তি হ্রাসের উল্লেখ করা হয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশিদের স্বাগত না জানানোর নীতি ও ভিসা প্রদানে কড়কড়িকে দায়ী করা হয়েছে।
শুধু যে ভারতীয় শিক্ষার্থীরাই যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্প সংখ্যায় আসছে তা নয়, সৌদি আরব থেকেও যুক্তরাষ্ট্রে ছাত্রদের আগমণ হ্রাস পেয়েছে।
অন্যদিকে গ্রীন কার্ড ইস্যু বা সিটিজেনশিপের জন্য যারা আবেদন করেছেন, তাদের প্রতি আবেদনপত্র ও সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত যাচাই ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে নমনীয়তা প্রদর্শন করা হচ্ছে তার উপর কঠোর অভ্যন্তরীন নজরদারির ব্যবস্থা করেছে ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস। ফেডারেল এজেন্সি গ্রীন কার্ড ও সিটিজেনশিপ আবেদন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত ১৯ হাজার কেস ওয়ার্কার ও কন্ট্রাক্টরের কাজ সুক্ষ্মভাবে, যাতে তারা আবেদন অনুমোদনে কোন ধরনের পক্ষপাতিত্ব ও নমনীয়তা দেখানোর সুযোগ না নেন। এ খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর আবেদনকারী ইমিগ্রান্টদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে যে, নতুন করে এধরনের নজরদারির ব্যবস্থায় অকারণে তাদের আবেদন প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব ও অহেতুক জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টা মাত্র।
ইউএসসিআইএস এর পরিচালক এল ফ্রান্সিস সিসনা ট্রাম্প প্রশাসনের বৈধ ইমিগ্রেশন হ্রাসের উদ্যোগের মূল হোতা হিসেবে কাজ করছেন, যিনি পরিবার ভিত্তিক ইমিগ্রেশন, যা হোয়াইট হাউজের ভাষায় ‘চেইন ইমিগ্রেশন’ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে, সেটি অর্ধ শতাব্দীর বেশি সময় যাবত যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন পদ্ধতির ভিত্তি ছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে ইউএসসিআইএস এমন একটি সংস্থার সৃষ্টি করতে যাচ্ছে, যে সংস্থা কেস ওয়ার্কার ও কন্ট্রাক্টরদের মাধ্যমে প্রতিদিন সম্পন্ন করা ২৬ হাজার আবেদন সূচারুভাবে ও গতিশলিতার সাথে হচ্ছে কিনা তার উপর দৃষ্টি রাখবে। নতুন করে যে তিনটি বিভাগ সৃষ্টি করা হবে, তার একটি হবে তদন্ত বিভাগ, এবং এ বিভাগ ইউএস সিআইএস এর কর্মচারিদের দ্বারা সংঘটিত প্রতারণা, অসদাচরণ ও অন্যায়ের সাথে জড়িত বিষয়গুলো দেখবে। আজকাল

 
 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ