Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রে ইসলাম বিকাশের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান-নিউইয়র্কে মুনা কনভেনশনে বক্তারা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 147 বার

প্রকাশিত: July 15, 2011 | 1:22 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সংগঠন মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকার (মুনা) বার্ষিক কনভেনশনে বক্তারা বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরার অনুকূল পরিবেশ আছে বলেই ৯/১১ এর পর এদেশে মুসলমানরা যে ধরণের সংকটে পড়বে বলে আশংকা করা হচ্ছিল তা কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয়েছে এবং এখন শুধুমাত্র কিছুসংখ্যক ইসলাম বিদ্বেষী ছাড়া আর কেউ ঢালাওভাবে মুসলমানদেরকে সন্ত্রাসী বলে বিবেচনা করে না। তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ লাখের অধিক মুসলমানের বসবাস এবং শুধুমাত্র নিউইয়র্ক শহরেই ১০ লক্ষাধিক মুসলমান বাস করে, যে কারণে প্রেসিডেন্ট ওবামাও যুক্তরাষ্ট্রকে ৩৪ তম মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে বিবেচনা করার জন্য মুসলিম নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
বক্তারা আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি বহুজাতিক সমাজে যেখানে ব্যক্তি ও বাক স্বাধীনতা মূখ্য ভূমিকা পালন করে সেখানে ইসলামের আদর্শকে যতো স্বাধীন ওপ্রবলভাবে প্রচার করা সম্ভব অনেক মুসলিম দেশে তা করতে গেলে ইসলামের পক্ষাবলম্বীরা সরকারের রোষের কবলে পরিণত হয়, যার বড় প্রমাণ বাংলাদেশে, যেখানে আলেম সমাজ, এমনিকি যারা নিয়মিত মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে, দাড়ি রাখে, মাথায় টুপি ধারণ করে তারা প্রতিনিয়ত সরকার ও সরকারী দলের এবং মুসলিম নামধারী ইসলাম বিরোধীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছে।  গত ১০ জুলাই রোববার নিউইয়র্কের কলেজ অফ স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকার (মুনা) কনভেনশন ২০১১ তে বক্তারা এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী
এই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট থেকে সকল বয়সের বিপুল সংখ্যক নারীপুরুষ যোগ দেন এবং তাদের পদভারে ও কোলাহলে কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে অংশ নেন দেশবিদেশের খ্যাতনামা ইসলামী চিন্তাবিদ, বিভিন্ন মুসলিম সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। কনভেনশনের বিভিন্ন অধিবেশনে তাদের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা শ্রোতৃমন্ডলীকে মুগ্ধ করে এবং তারা মুহুমূহু তকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করে বক্তাদের অভিনন্দিত করেন ।
মুনা’র ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ডা. সাইদুর রহমান চৌধুরীর স্বাগত ভাষণের মধ্য দিয়ে কনভেনশন আরম্ভ হয়। উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন ড. আবদুল বারী, ব্যারিষ্টার হামিদ হোসাইন আজাদ, ইমাম সিরাজ ওয়াহাজ ও জিয়াদ রামাদান।”ইসলাম মানবতার জন্য আশির্বাদ” এই মূল বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে অধিবেশন ভিত্তিক পৃথক পৃথক আলোচ্যসূচি নির্ধারণ করা হয়, যার মধ্যে ‘মুসলিম পরিবার প্রথা: বিশ্বাসের রজ্জু’,  ‘যুব শক্তি: আজ আপনাদের পক্ষে যা সম্ভব, আগামীকাল তা সম্ভব নয়’, ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ: সকলের জন্য শান্তি ও ন্যায়বিচার’, ‘শিক্ষা ও অর্থনীতি’, ‘আমেরিকান মুসলমানদের দায়িত্ব ও কর্তব্য’, ইত্যাদি। মূল মিলনায়তনের বাইরে শিশুকিশোর ও যুবকদের জন্য পৃথক আলোচনা, খেলাধূলা ও
বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল। কলেজ অফ স্ট্যাটেন আইল্যান্ড এর বিশাল ক্যাম্পাস জুড়ে ছড়িয়ে ছিল তাদেও কর্মসূচির ত্রে এবং প্রতিটি কর্মসূচিতে তারা স�তসূর্তভাবে অংশগ্রহন ও উপভোগ করে।মুনা’র ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ডা. সাইদুর রহমান চৌধুরীর বহু ধর্ম, জাতি গোষ্ঠীর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে সকল কাজের ভিত্তি ‘ইন গড উই ট্রাস্ট’, আর ৯০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুসিত বাংলাদেশে সংবিধান থেকে ‘আল্লাহর উপর আস্থা’ তুলে দেশটিকে ধর্মরিপেক্ষ রাষ্ট্রে পরিণত করার সকল ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে আমরা যতো স্বাধীনভাবে ইসলামী কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারি, বাংলাদেশে তা করলে সরকারসহ বিভিন্ন মহলের হামলা ও প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রেই সত্যিকার অর্থে ইসলামের জন্য কাজ করার অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান বলে উল্লেখ করেন।ডা. সাঈদ চৌধুরী কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, সমৃদ্ধ দেশ হওয়া সত্বেও যুক্তরাষ্টের ১৩ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে। বিশ�সম্পদের ৭৫ শতাংশ ভোগ করে বিশ্বেও মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ। দারিদ্রের কারণে প্রতিদিন বিশ্বে ২৫ হাজার শিশু মারা যায়। বিশ্ব জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ যাদের এক বছর বয়স থেকে ষোল বছর তাদের মধ্যে একশ কোটি দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে। ইউরোপ ও আমেরিকার মানুষ কুকুর-বিড়ালের পিছনে ব্যয় করে বার্ষিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। তিনি বলেন, বঞ্চিত, দুর্ভোগে পতিত মানুষকে সাহায্য করার জন্য আমাদেরকে কাজ করতে হবে। আমরা যাতে হাশরের ময়দানে এমন প্রশ্নের মুখোমুখি না হই যে পৃথিবীতে আমাদেরকে যে দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছিল আমরা তা পালন করিনি।ইকনা প্রেসিডেন্ট ড. জাহিদ বোখারী যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী মুসলমানদের এক
পতাকাতলে সমবেত হওয়ার আহবান জানিয়ে প্রতি চার বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বছরে মুসলিম সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কনভেনশন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব দিলে শ্রোতারা তার প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, পৃথিবীতে ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী মুসলমানদের পৃথক পৃথক সাংস্কৃতিক বলয় রয়েছে এবং পাশ্চাত্যে মুসলিম জনসংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় ভিন্ন একটি সাংস্কৃতিক বলয় তৈরি হচ্ছে, যা টিকিয়ে রাখতে ও আরো বিকশিত করতে আমাদেরকে চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। আমরা যে সমাজে বাস করছি সেখানে আমাদের আরো ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, অন্য বৃহৎ ধর্মাবলম্বীরা যেখানে এদেশে দু’শ বছর আগে এসে তাদের কাজ শুরু করেছে সেখানে মুসলমানরা অধিক সংখ্যায় আসতে শূরু করেছে মাত্র ৪০ থেকে ৫০ বছর আগে। অতএব অন্যদের তুলনায় আমাদের ভূমিকা হতে হবে আরো জোরালো। বিশেষ করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যখন
সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলা হচ্ছে তখন আমেরিকার মূলধারায় মিশে আমাদেরকে প্রমাণ করতে হবে যে আমরা এদেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছি।নিউইয়র্ক সিটির সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও জনবহুল বরো ম্যানহাটানের প্রেসিডেন্ট স্কট স্ট্রিংগ্রার যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, এদেশে মুসলমানরা ক্রমবিকাশমান ধর্মীয় গোষ্ঠী। নিউইয়র্ক সিটিতে আট লাখের অধিক মুসলমানের বসবাস এবং নিউইয়র্কের পাবলিক স্কুলগুলোর দশ শতাংশ ছাত্রছাত্রী মুসলিম। তিনি তাদের জন্য স্কুলে হালাল ফুড পরিবেশন করার উদ্দেশ্যে স্কুলগুলোর নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করছেন বলে জানান। একটি পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিউইয়র্ক সিটিতে ছয় হাজার চার্চ, ইহুদিদের উপসানালয় এক হাজার সায়নাগগ এবং মসজিদের সংখ্যা একশ, যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মুসলমানরা নিউইয়র্কের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি বলে তিনবর্ণনা করেন।         মাওলানা সাইয়েদ কামালউদ্দিন জাফরী বলেন, মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে হলে আমাদেরকে আল্লাহর আদেশ মেনে চলতে হবে। মানুষকে আল্লাহর পথে আহবান করতে হবে।
জাহান্নামের আগুনের ভয় থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহকে ভয় করতে হবে। কারণ আল্লাহর ভয়ই মানুষকে আল্লাহর নিকটতর করে। তিনি সকলকে স্মরণ করিয়ে দেন যে ইসলামকে সঠিকভাবে অনুসরণ না করলে আমাদেরকে ইহকাল ও পরকাল দু’টিই হারাতে হবে। তিনি ইসলামের পরিবার ব্যবস্থার বিধান তুলে ধরে বলেন, পাশ্চাত্যে পরিবার ব্যবস্থা ভেঙ্গে গেছে উন্নত হওয়া সত্বেও তারা পারিবারিক শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারছে না। ড. আবদুল বারী বলেন, পাশ্চাত্যে বহুজাতিক সমাজে ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা যতো সহজ, যেখানে একটি বা দুটি ধর্মাবলম্বীর লোক বসবাস করে সেখানে ততো সহজ নয়। আমাদের মাঝে অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, কিন্তু ইসলামে কোন সীমাবদ্ধতা নেই, ইসলাম দিগন্ত প্রসারী। তিনি বলেন, আমরা ইসলামের শিক্ষা গ্রহন করে আমাদের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বহুজাতিক সমাজে, যেখানে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা প্রধান ভূমিকা পালন করছে সেখানে বাধাহীনভাবে কাজ করতে পারি। ব্যারিষ্টার হামিদ হোসাইন আজাদ বলেন, ইসলাম বিশ্ব মানবতার জন্য আশির্বাদ। যারা ইসলামের মাঝে সন্ত্রাসের উৎস সন্ধান করে তারা তা তা করে ইসলামকে না জানার কারণে। আমরা যদি তাদের কাছে ইসলামের দাওয়াত সঠিকভাবে পৌছাতে পারি তাহলে তাহলে তাদের ভুল ভাঙ্গতে সময় লাগবে না।  ইমাম সিরাজ ওয়াহাজ বলেন, ইসলাম মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ আশির্বাদ স্বরূপ। কিন্তু আমরা তার সেই আশির্বাদকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছিনা আমাদের নিজেদের দুর্বলতা ও অসাবধানতার কারণে। কলহবিবাদে পরিপূর্ণ বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকার েেত্র যে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ইসলাম যে শান্তির ধর্ম তা মানুষের সামনে তুলে ধরতে ব্যর্থতার কারণে আমাদেরকে সন্ত্র্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। জাতি হিসেবে আমরা খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের থেকে ভিন্নতর নই। তারা এক সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেন, তাদের নবীকে আমরা আমাদের নবী হিসেবে ভালোবেসে তাদের আদেশ নিষেধ মেনে চলি। তাদের সাথে আমাদের মৌলিক কোন পার্থক্য নেই। কিন্তু আমরা  নিজেরাই স্ববিরোধী, এবং আমরা নিজেদেরকে নানাভাবে বিভক্ত করে রেখেছি। আমরা যদি কোরআন ও হাদিস অনুসরণ করি তাহলে খুব সহজে আমাদের স্ববিরোধিতা থেকে দূরে থাকতে পারি।ইমাম শামসি আলী বলেন, আন্তঃধর্ম বিশ্বাসের অর্থ বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে সংলাপ নয়, বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে সংলাপ, যা পবিত্র কোরআনে স্বীকৃত। আল্লাহ বলেছেন যে তিনি মানুষের মধ্যে ভিন্নতার সৃষ্টি করেছেন, যাতে মানুষ পরস্পরকে ভালোভাবে জানতে পারে। ইসলামে বিভিন্ন ধর্মের স�ীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) স্বয়ং ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সাথে সংলাপ করেছেন এবং তাদের সাথে চুক্তিতে উপনীত হয়েছেন সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নত  করা জরুরী হয়ে উঠেছে এবং ইসলামোফোবিয়া বা ইসলামকে যে আতংক হিসেবে ছড়ানো হচ্ছে তা মোকাবিলার উপায় হচ্ছে ভিন্ন ধর্মাবলমন্বীদের নিকটতর হওয়া।জহীর উদ্দিন যুক্তরাষ্ট্রে ইসলাম বিরোধী তৎপরতার পরিসংখ্যানগত হিসাব উল্লেখকরে বলেন ইসলাম বিদ্বেষী ক্ষুদ্র কিছু গোষ্ঠী এসব অপতৎপরতার সাথে জড়িত থাকলেও প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকে তারা ব্যাপকভাবে এবং অত্যন্ত কার্যকরভাবে প্রয়োগ করছে, যা মোকাবিলার ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি। তিনি বলেন, আমাদের নেতিবাচক কোনকিছু তুলে ধরার প্রয়োজন নেই, যুক্তরাষ্ট্রে সমাজ, রাষ্ট্র ও অর্থনীতিতে মুসলমানরা যে অবদান রাখছে তা সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে এবং ইসলাম যে যথার্থই শান্তির ধর্ম তা অনুসরণ কারো জন্য ক্ষতির কারণ নয় আমরা বাস্তব জীবনে তা প্রয়োগ করতে পারলেই কিছু মানুষের মধ্যে যে ইসলাম সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর বদ্ধমূল ধারণা রয়েছে তা দূর করা সম্ভব। মাওলানা কামালউদ্দিন জাফরীর মোনাজাতের মধ্য দিয়ে কনভেনশনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির পর উম্মাহ শিল্পী গোষ্ঠী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।এখন সময়

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ