Friday, 26 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় উৎসব আমেজে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত : মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ অধিকারসহ পুর্নবাসনের আহ্বান এবং টেক্সাস ও বাংলাদেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যে বিশেষ দোয়া

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 13 বার

প্রকাশিত: September 1, 2017 | 5:16 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ অধিকারসহ পুর্নবাসনের আহ্বান এবং টেক্সাস ও বাংলাদেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যে বিশেষ দোয়ার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আযহা। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য আমেজে স্থানীয় সময় ১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার উদযাপিত হয় মুসলমানদের অন্যতম প্রধান এই ধর্মীয় উৎসব। নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে বসবাসরত মুসলমানগণ এদিন স্বপরিবারে নিকটস্থ মসজিদ ও খোলা মাঠে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ঈদ জামায়াতে যেতে পারায় প্রবাসীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলসমূহে ঈদের দিন ছুটি থাকলেও সেটি কাজে লাগলো না এবার সামার ভেকেশানে ঈদ হওয়ায়। লোকাল ও গ্লোবাল মুনসাইটিং দ্বন্দ্ব থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে পবিত্র ঈদুল আযহা একই দিনেই উদযাপিত হয়েছে। সর্বত্রই শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
চমৎকার আবহাওয়া থাকায় নিউইয়র্কসহ উত্তর আমেরিকায় অনেক খোলা মাঠে এবারের ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকালে হালকা ঠান্ডা থাকায় খোলা মাঠে মিষ্টি রোদ মুসল্লিদের বাড়তি সুবিধা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রে এবার অধিকাংশ ঈদ জামায়াত সকাল ৮ থেকে সাড়ে ১০ টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ জামায়াত গুলোতে নামে প্রবাসীদের ঢল। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাললাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মসজিদ ও ঈদগাহ প্রাঙ্গণ।
নিউইয়র্কে ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় কুইন্সে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের আয়োজনে। খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত এ ঈদ জামায়াতে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লী অংশ নেন বলে আয়োজকরা উল্লেখ করেন। এর পরের বৃহৎ জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হয় ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার জামে মসজিদ, জ্যাকসন হাইটসে নিউইয়র্ক ঈদ গাঁহ, ওজোনপার্কে মসজিদ আল আমান, এস্টোরিয়ায় আল আমিন মসজিদ, ব্রুকলীনে বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার ও বায়তুল জান্নাহ মসজিদের ব্যবস্থাপনায়।
নিউইয়র্কের উল্লেখযোগ্য ঈদের জামাতগুলোর মধ্যে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)-এর উদ্যোগে স্থানীয় জ্যামাইকা হাই স্কুল মাঠে সকাল ৯টায় সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় ব্রঙ্কস বাংলাবাজার জামে মসজিদের উদ্যোগে মসজিদের পাশে খোলা মাঠে বিশাল জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। প্রবাসী বাংলাদেশীদের ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ ষ্ট্রীট ও ব্রডওয়ের কর্ণারে ডাইভারসিটি প্লাজায় নিউইয়র্ক ঈদ গাঁহ’র উদ্যোগে খোলা রাস্তার ওপর ঈদুল আযহার ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জ্যামাইকার আল আরাফা ইসলামিক সেন্টারের উদ্যোগে স্থানীয় সুসান বি এন্থনী স্কুল মাঠে খোলা আকাশের নীচে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পার্কচেস্টার জামে মসজিদে সকাল ৮ টায়, সকাল ৯ টায় ও সকাল ১০ টায় ৩টি ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। নর্থ ব্রঙ্কস জামে মসজিদের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৯ টায় ব্রঙ্কসের ওভাল পার্কে বিশাল জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। ইষ্ট এলমহার্স্ট জামে মসজিদ এন্ড মুসলিম সেন্টারের উদ্যোগে স্থানীয় পিএস ১২৭ স্কুলের প্লে গ্রাউন্ডসহ কুইন্সের জ্যামাইকার বাংলাদেশ মিশন (হাজী ক্যাম্প) মসজিদ, দারুস সালাম মসজিদ, হিলসাইড ইসলামিক সেন্টার, ফুলতলী ইসলামিক সেন্টার এন্ড মসজিদ, জ্যাকসন হাইটসের জ্যাকসন হাইটস ইসলামিক সেন্টার, মসজিদ আবু হুরায়রা, মোহাম্মদী সেন্টার, ওজনপার্কের আল আমান জামে মসজিদ, দারুস সুন্নাহ মসজিদ, আল ফোরকান মসজিদ, ব্রুকলীনের বাংলাদেশ মসুলিম সেন্টার, বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদ, ম্যানহাটানের মদিনা মসজিদ, আসসাফা মসজিদ, আমেরিকান মুসলিম সেন্টার, এস্টোরিয়ার আল আমীন মসজিদ, গাউছিয়া মসজিদ, ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার ইসলামিক সেন্টার, ব্রঙ্কস মুসলিম সেন্টার প্রভৃতি মসজিদের উদ্যোগে খোলা মাঠে বা মসজিদ ভবণে ঈদুল আযহার একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া নিউইয়র্কে আরো বেশ ক’টি ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার ঈদ জামাত
নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের পরিচালনায় অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)-এর উদ্যোগে স্থানীয় জ্যামাইকা হাই স্কুল মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লী একত্রে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। জেএমসি আয়োজিত ঈদুল আযহার নামাজের আগে জেএমসি’র কর্মকর্তা ও মূলধারার রাজনীতিকরা উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

বাংলাবাজার জামে মসজিদ ঈদ জামাতে কর্জে হাসানার ২ লাখ ডলার পরিশোধে প্রবাসীদের আর্থিক সহযোগিতা কামনা

নিউইয়র্কে বাঙালী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার জামে মসজিদের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৮টায় মসজিদের নিকটবর্তী খোলা মাঠে বিশাল জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে ইমামতি, খুৎবা পাঠ ও বিশেষ দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাবাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল কাশেম ইয়াহইয়া। ঈদের জামাতের আগে বাংলাবাজার জামে মসজিদ ও বাংলাবাজার বিজনেস এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ গিয়াস উদ্দিন মসজিদ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ব্রঙ্কসে বাঙালীদের অন্যতম ব্যবসা কেন্দ্র স্টারলিং বাংলাবাজার এলাকায় ৫ লাখ ১০ হাজার ডলার মূল্যে মসজিদের নিজস্ব ভবণ ক্রয় করা হয়। সকলের সহযোগিতায় মসজিদটি ব্যাংক ঋৃণ মুক্ত হয়েছে। কিন্তু কর্জে হাসানা মুক্ত তথা সম্পূর্ণ ঋৃণমুক্ত করতে বর্তমানে আরো ২ লাখ ডলার প্রয়োজন। তিনি বলেন, আল্লাহর ঘর মসজিদটিকে সম্পূর্ণ ঋৃণ মুক্ত করতে সবার সাহায্য সহযোগিতা প্রয়োজন। আলহাজ গিয়াস উদ্দিন বলেন, বর্তমানে এ মসজিদে জুমার নামাজে দু’টি পৃথক জামাত
অনুষ্ঠিত হয়। তার পরও স্থান সংকুলান না হওয়ায় মুসল্লীদের বাইরে জুমার নামাজ আদায় করতে হয়। ক্রমবর্ধমান মুসল্লীদের নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে মসজিদটিকে পর্যায়ক্রমে ৬ তলা ভবণে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য প্রবাসীদের আর্থিক সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।
ঈদের নামাজ শেষে খলিল বিরিয়ানী হাউজের পক্ষ থেকে ঈদের সেমাই এবং মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে মুসল্লীদের বিনামূল্যে পানি বিতরণ করা হয়।
নিউইয়র্ক ঈদগাহ

জ্যাকসন হাইটস ডাইভার্সিটি প্লাজায় কন্সট্রাকশানের কারনে মোহাম্মদী সেন্টারের উদ্যোগে নিউইয়র্ক ঈদগাহর ব্যবস্থাপনায় ৫টি জামাত পিএস ৬৯ সংলগ্ন ৭৭ স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত হয়। সিনেটর প্যারাল্টা, কাউন্সিল মেম্বার ড্রাম, কিউ-৩ কম্যিউনিটি বোর্ড মেম্বার বিল মাহীন, সুখী ফাউন্ডার 
আগা সালেহ, জুইশ সেন্টারের তত্তাবধায়ক মি: এস নভেল ও মূলধারার এক্টভিষ্ট জয় চৌধুরী মুসলমানদের ঈদের শুভেচছা জানাতে নিউইয়র্ক ঈদগায় এসে হাজির হন। বিপুল সংখ্যক পুরুষ, মহিলা ও ছোট্টমনিদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে লাগার মত।
এদিকে, কানাডা ও ওয়াশিংটন ডিসিসহ যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সী, কানেকটিকাট, ম্যারিল্যান্ড, পেনসেলভেনিয়া, ভার্জেনিয়া, ওয়াহিও, ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যারোরিনা, সাউথ ক্যারোলিনা, জর্জিয়া, মিশিগান, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, এরিজোনাসহ প্রভৃতি স্টেটে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব স্টেটে বসবাসকারী বাংলাদেশীরা এলাকার মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার ও খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

আটলান্টিক সিটি

আটলান্টিক সিটি থেকে আকবর হোসাইন জানান, নিউজার্সীর বাঙ্গালী অধ্যুষিত এলাকা আটলান্টিক সিটিতে বাংলাদেশীদের তত্বাবধানে পরিচালিত মসজিদ আল-হেরায় অনুষ্টিত ঈদের প্রধান জামাতে প্রায় সহস্রাধিক মুসলমানদের মধ্যে সাউথ জার্সীতে বসবাসরত বিপূল সংখ্যক বাংলাদেশী মুসলমান অংশ গ্রহন করেন। ঈদের প্রধান জামাতে ঈমামতি করেন মসজিদ –আল-হেরার খতিব ডঃ রুহুল আমিন। এবারের খুতবায় বিশ্ব শান্তি এবং বন্যাত্যদের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করা হয় । ঈদের ২য় জামাত অনুষ্টিত হয় আটলান্টিক সিটির নিউইর্য়ক এভিনিউস্হ আর্মি ট্রেনিং সেন্টারে ।নামাজ শেষে সকল মুসলমানের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে মুনাজাত করা হয়। ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশির জোয়ার। ঈদ মানে একে অপরের প্রতি ভালবাসা, ভাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার অপূর্ব বন্ধন । এই আনন্দ ও উৎসব মুসলিম উম্মাহর জীবনে বয়ে আনে খুশীর বন্যা , ভুলিয়ে দেয় সকল বিভেদ ।আবহাওয়া চমৎকার হওয়ায় নতুন পোষাকে ছেলে-মেয়েরা যেমন বন্ধু-বান্ধবের সাথে হৈচৈ করে বেরিয়েছে ঠিক তেমনিভাবে অভিভাবকেরা নামাজ শেষে ছুটে যান নিজ হাতে কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য বিভিন্ন ফার্মে ছুটে গেছেন অনেকে। আর যারা আটলান্টিক সিটির গ্রোসারীতে কোরবানীর পশু অর্ডার দিয়েছিলেন তারা মেতেছিলেন পরিচিত জনদের সাথে কোলাকোলিতে। এদিকে, এদিন সকাল বেলায় মুসলিম পরিবারের সদস্যরা নানা রঙের পাজামা পাঞ্জাবি শাড়ী সালওয়ার কামিজ পরে দল বেঁধে নিকটস্থ মসজিদ কিংবা খোলা মাঠে হাজির হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। উদযাপন করেন বিশেষ  আনন্দের পবিত্র ঈদুল আযহা। প্রায় ২৬ শতাধিক মসজিদ ছাড়াও খোলা মাঠ, কমিউনিটি সেন্টারে এবং বিলাসবহুল হোটেলের বলরুমে অনুষ্ঠিত হয় ঈদ জামাত। বিশেষ পোষাক পরিধান করে একত্রে বিপুল সংখ্যক মুসল্লীর ঈদের নামাজ আদায়ের বিষয়টি ভীন দেশীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। ঈদের জামায়াত গুলোতে স্থানীয় রাজনীতিক, সমাজসেবী, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ প্রবাসের নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।ঈদের নামাজে কমিউনিটি, দেশ, জাতি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণ সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া মুনাজাত করা হয়। মুনাজাতে মিয়ানমারে নির্যাতিত রোহিঙ্গা এবং টেক্সাস ও বাংলাদেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যে বিশেষ দোয়া করা হয়। পরে একে অন্যের সাথে আলিঙ্গনের মাধ্যমে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় ভিন্ন এক আমেজ পরিলক্ষিত হয়।নামাজ শেষে কেউ কেউ চলে যান কোরবানির পশু জবাই করতে খামারে বা হালাল স্লটার হাউজে। অনেকে আবার ঈদের নামাজ আদায় করেই চলে যান কাজে। অধিকাংশ প্রবাসী অবশ্য আগে থেকেই স্থানীয় গ্রোসারী ও রেষ্টুরেন্টে কোরবানীর অর্ডার দিয়ে রাখেন। সুবিধামত সময়ে গ্রোসারী ও রেষ্টুরেন্ট থেকে প্রবাসীরা তাদের পশু কোরবানীর মাংস নিয়ে যান। তবে গ্রোসারী ও রেষ্টুরেন্ট অধিকাংশ কোরবানীর মাংস সরবরাহ করেন ঈদের পরদিন। প্রবাসীরা গরু, খাশী ও ভেড়া কুরবানি দেন। তথ্য অনুযায়ী এ বছর ১০ হাজারের বেশী গরু এবং ৫০ হাজার খাশী কোরবানী করা হয়। কিন্তু দেশের মতো পশু কিনে নিজ বাড়িতে নিয়ে কোরবানি করার সুযোগ না থাকায় উতসবের ঘাটতির কথা জানালেন কেউ কেউ। তারা জানালেন, দেশের মতো ঈদের কোন আনন্দই পাওয়া যায় না প্রবাসে। দেশে থাকা মা-বাবা, পরিবারকে খুব করে মনে পড়ার কথা জানালেন তারা। ঈদের নামাজ শেষে ঘরে ফিরেই ফোনে বাংলাদেশে স্বজনদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনেকে আবার সুন্দর পরিবেশে পবিত্র ঈদ উল আযহার নামাজ আদায় করতে পেরে ভীষণ খুশী। বললেন, অনেকটা দেশের মতই লাগছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ঈদের নামাজ আদায়ে মসজিদ পরিচালনা কমিটির ব্যবস্থাপনা এবং সিটি প্রশাসনের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল উল্লেখ করার মত। প্রায় প্রতিটি জামাতের আশপাশেই ছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিশেষ পুলিশি টহলও লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের নামাজ আদায়ের স্থানগুলোর আশপাশের রাস্তায় ফ্রি গাড়ী পার্কিং থাকায় দূর দূরান্ত থেকে নির্বিঘেœ বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লী সপরিবারে ঈদের নামাজে শরীক হন।
ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এবছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় অর্ধ লক্ষ প্রবাসী স্বজনের সাথে ঈদ করার জন্যে বাংলাদেশে গেছেন। তাদের প্রায় সকলেই ঈদুল আযহার পর ফিরবেন। যদিও নিউইয়র্কে বাংলাদেশী মালিকানার ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ট্রাভেলস’র টিকিট প্রতারনার শিকার হয়ে অনেক প্রবাসীর ঈদ উদযাপনে দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV