যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত, ঈদ জামায়াত গুলোতে প্রবাসীদের ঢল
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : যুক্তরাষ্ট্রে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচাইতে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। স্থানীয় সময় ২৫ জুন রোববার নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে বসবাসরত মুসলমানগণ স্বপরিবারে নিকটস্থ মসজিদ ও খোলা মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। প্রায় ২৬ শতাধিক মসজিদ ছাড়াও খোলা মাঠ, কমিউনিটি সেন্টারে এবং বিলাসবহুল হোটেলের বলরুমে অনুষ্ঠিত হয় এসব ঈদ জামাত। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধানা শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ উদযাপন করে বিশেষ আনন্দের উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গ্রাজুয়েশন পার্টি সমাপ্তিসহ শিক্ষাবর্ষেরও শেষ লগ্নে হওয়ায় ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ঈদ জামায়াতে যেতে পারায় এবারের ঈদে প্রবাসীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলসমূহে ঈদের দিন ছুটি থাকলেও সেটি কাজে লাগলো না এবার রোববার ঈদ হওয়ায়। কারণ শনি ও রোববার এমনিতেই সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
যুক্তরাষ্ট্রে লোকাল ও গ্লোবাল মুনসাইটিং দ্বন্দ্ব থাকলেও এবার পবিত্র ঈদুল ফিতর একই দিনে উদযাপিত হয়েছে।
চমৎকার আবহাওয়া থাকায় নিউইয়র্কসহ উত্তর আমেরিকায় অনেক খোলা মাঠে এবারের ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। খোলা মাঠে রোদের কারণে অনেক মুসল্লিকে মাথার উপর ছাতা ব্যবহার করতে দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রে এবার অধিকাংশ ঈদ জামায়াত সকাল ৮ থেকে সাড়ে ১০ টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ জামায়াত গুলোতে নামে প্রবাসীদের ঢল। সর্বত্র শান্তিপূর্ণভাবেই ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নিউইয়র্কে ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় কুইন্সে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের আয়োজনে। খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত এ ঈদ জামায়াতে ১৫ হাজারের অধিক মুসল্লী অংশ নেন বলে আয়োজকরা উল্লেখ করেন। এর পরের বৃহৎ জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হয় ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার জামে মসজিদ, জ্যাকসন হাইটসে নিউইয়র্ক ঈদ গাঁহ, ওজোনপার্কে মসজিদ আল আমান, এস্টোরিয়ায় আল আমিন মসজিদ, ব্রুকলীনে বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার ও বায়তুল জান্নাহ মসজিদের ব্যবস্থাপনায়।
নিউইয়র্কের উল্লেখযোগ্য ঈদের জামাতগুলোর মধ্যে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)-এর উদ্যোগে স্থানীয় জ্যামাইকা হাই স্কুল মাঠে সকাল ৯টায় উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় ব্রঙ্কস বাংলাবাজার জামে মসজিদের উদ্যোগে মসজিদের পাশে খোলা মাঠে বিশাল জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। প্রবাসী বাংলাদেশীদের ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ ষ্ট্রীট ও ব্রডওয়ের কর্ণারে ডাইভারসিটি প্লাজায় নিউইয়র্ক ঈদ গাঁহ’র উদ্যোগে খোলা রাস্তার ওপর ঈদুল ফিতরের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জ্যামাইকার আল আরাফা ইসলামিক সেন্টারের উদ্যোগে স্থানীয় সুসান বি এন্থনী স্কুল মাঠে খোলা আকাশের নীচে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।পার্কচেস্টার জামে মসজিদে সকাল ৮ টায়, সকাল ৯ টায় ও সকাল ১০ টায় ৩টি ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। পার্কচেস্টার জামে মসজিদের প্রথম জামাতে ইমামতি করেন মসজিদের খতীব মাওলানা মোহাম্মদ মাঈনুল ইসলাম। নর্থ ব্রঙ্কস জামে মসজিদের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৯ টায় ব্রঙ্কসের ওভাল পার্কে বিশাল জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। ইষ্ট এলমহার্স্ট জামে মসজিদ এন্ড মুসলিম সেন্টারের উদ্যোগে স্থানীয় পিএস ১২৭ স্কুলের প্লে গ্রাউন্ডসহ কুইন্সের জ্যামাইকার বাংলাদেশ মিশন (হাজী ক্যাম্প) মসজিদ, দারুস সালাম মসজিদ, হিলসাইড ইসলামিক সেন্টার, ফুলতলী ইসলামিক সেন্টার এন্ড মসজিদ, জ্যাকসন হাইটসের জ্যাকসন হাইটস ইসলামিক সেন্টার, মসজিদ আবু হুরায়রা, মোহাম্মদী সেন্টার, ওজনপার্কের আল আমান জামে মসজিদ, দারুস সুন্নাহ মসজিদ, আল ফোরকান মসজিদ, ব্রুকলীনের বাংলাদেশ মসুলিম সেন্টার, বায়তুল
জান্নাত জামে মসজিদ, ম্যানহাটানের মদিনা মসজিদ, আসসাফা মসজিদ, আমেরিকান মুসলিম সেন্টার, এস্টোরিয়ার আল আমীন মসজিদ, গাউছিয়া মসজিদ, ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার ইসলামিক সেন্টার, ব্রঙ্কস মুসলিম সেন্টার প্রভৃতি মসজিদের উদ্যোগে খোলা মাঠে বা মসজিদ ভবণে ঈদুল ফিতরের একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া নিউইয়র্কে আরো বেশ কটি ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার ঈদ জামাত
নিউইয়র্ক সিটিতে বাংলাদেশীদের দ্বারা পরিচালিত বৃহত্তম মসজিদগুলোর জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)-এর উদ্যোগে স্থানীয় জ্যামাইকা হাই স্কুল মাঠে সকাল ৯টায় উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লী একত্রে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এই জামাতে ইমামতি, খুৎবা পাঠ ও বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন জেএমসি’র খতিব মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ। জেএমসি আয়োজিত ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে জেএমসি’র কর্মকর্তা ও মূলধারার রাজনীতিকরা উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। ঈদের জামাতের আগে জেএমসি পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারী মনজুর আহমেদ
চৌধুরীর পরিচালনায় ইউএস কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং ও স্থানীয় সিটি কাউন্সিলম্যান ররি ল্যান্সম্যান বক্তব্য রাখেন। এছাড়া জেএমসি’র ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. এম বিল্লাহ ও সভাপতি খাজা মিজান হাসানও বক্তব্য রাখেন।
বাংলাবাজার জামে মসজিদ ঈদ জামাতে কর্জে হাসানা পরিশোধে প্রবাসীদের আর্থিক সহযোগিতা কামনা
নিউইয়র্কে বাঙালী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার জামে মসজিদের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৮টায় মসজিদের নিকটবর্তী খোলা মাঠে বিশাল জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে ইমামতি, খুৎবা পাঠ ও বিশেষ দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাবাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল কাশেম ইয়াহইয়া। ঈদের জামাতের আগে বাংলাবাজার জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ গিয়াস উদ্দিন
মসজিদ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ব্রঙ্কসে বাঙালীদের অন্যতম ব্যবসা কেন্দ্র স্টারলিং বাংলাবাজার এলাকায় কোন মসজিদ না থাকায় ২০১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর ভাড়া বাড়িতে বাংলাবাজার জামে মসজিদের যাত্রা শুরু হয়। পরের বছরের মাঝামাঝি ৫ লাখ ১০ হাজার ডলার মূল্যে মসজিদের নিজস্ব ভবণ ক্রয় করা হয়। নিজস্ব এ ভবনের ক্লোজিং সম্পন্ন হয় ২০১৩ সালের ৯ আগস্ট। তিনি বলেন, বাংলাবাজার জামে মসজিদ সকলের সহযোগিতায় ব্যাংক ঋৃণ মুক্ত হয়েছে। ব্যাংকের পাওনা ৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার কর্জে হাসানার মাধ্যমে সংগ্রহ করে তা সম্প্রতি পরিশোধ করা হয়। ব্যাংকের পাওনা ৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার কর্জে হাসানার মাধ্যমে সংগ্রহ করে তা সম্প্রতি পরিশোধ করা হয়। তিনি জানান, বেইজমেন্ট সহ তিন তলার এ মসজিদ ভবণটি বর্তমানে ব্যাংক ঋৃণ মুক্ত হলেও কর্জে হাসানা মুক্ত তথা সম্পূর্ণ ঋৃণমুক্ত করতে বর্তমানে আরো ২ লাখ ডলার প্রয়োজন।
তিনি বলেন, আল্লাহর ঘর মসজিদটিকে সম্পূর্ণ ঋৃণ মুক্ত করতে সবার সাহায্য প্রয়োজন। আলহাজ গিয়াস উদ্দিন বলেন, বর্তমানে এ মসজিদে জুমার নামাজে দু’টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তার পরও স্থান সংকুলান না হওয়ায় মুসল্লীদের বাইরে জুমার নামাজ আদায় করতে হয়।
ক্রমবর্ধমান মুসল্লীদের নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে মসজিদটিকে পর্যায়ক্রমে ৬ তলা ভবণে পরিণত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। মসজিদে আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য প্রবাসীদের নিকট বিনীত আবেদন জানান।
এসময় মসজিদ কমিটির কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। নামাজ শেষে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে মুসল্লীদের বিনামূল্যে ঈদের সেমাই বিতরণ করা হয়।
এদিকে, কানাডা ও ওয়াশিংটন ডিসিসহ যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সী, কানেকটিকাট, ম্যারিল্যান্ড, পেনসেলভেনিয়া, ভার্জেনিয়া, ওয়াহিও, ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যারোরিনা, সাউথ ক্যারোলিনা, জর্জিয়া, মিশিগান, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, এরিজোনাসহ প্রভৃতি স্টেটে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব স্টেটে বসবাসকারী বাংলাদেশীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এলাকার মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার ও খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
এদিকে, এদিন অনেকটা ভোরেই মুসলিম পরিবারের সদস্যরা নানা রঙের পাজামা পাঞ্জাবি শাড়ী সালওয়ার কামিজ পরে দল বেঁধে নিকটস্থ মসজিদে কিংবা মাঠে হাজির হয়ে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। একত্রে বিপুল সংখ্যক মুসল্লীর ঈদের নামাজ আদায়ের বিষয়টি ভীন দেশীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। ঈদের জামায়াত গুলোতে স্থানীয় রাজনীতিক, সমাজসেবী, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ প্রবাসের নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের কয়েকজন জাতীয় নেতাও এবার যুক্তরাষ্ট্রে ঈদ উদযাপন করেন। এর মধ্যে রয়েছেন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের মহাসচিব সাংবাদিক-লেখক হারুন হাবীব, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দিন আহমদ, সাবেক সেনা প্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ, বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা প্রমুখ।
ঈদের নামাজে কমিউনিটি, দেশ, জাতি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণ সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া মুনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে একে অন্যের সাথে আলিঙ্গনের মাধ্যমে পবত্রি ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর সবাই নিজের বাড়ি কিংবা আতœীয় স্বজনের বাড়ীতে ছুটে যান। নানা রকম স্বুসাদু খাবার খেয়ে নিজেদের রসনা মিটান। অনেকে আবার ঈদের নামাজ আদায় করেই কাজে চলে যান। এছাড়া প্রবাসীরা ফোনে বাংলাদেশে স্বজনদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছাও বিনিময় করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ঈদের নামাজ আদায়ে মসজিদ পরিচালনা কমিটির ব্যবস্থাপনা এবং সিটি প্রশাসনের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল লক্ষ্যণীয়। প্রায় প্রতিটি জামাতের আশপাশেই ছিল নিরাপত্তা বেষ্টনী। ঈদের নামাজ আদায়ের স্থানগুলোর আশপাশের রাস্তায় ফ্রি গাড়ী পার্কিং থাকায় দূর দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লী সপরিবারে ঈদের নামাজে শরীক হন।
ঈদ উপলক্ষে নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় ভিন্ন এক আমেজ পরিলক্ষিত হয়।
জ্যাকসন হাইটসের ‘নিউ মেজবান’ নামের একটি রেস্টুরেন্টে ব্যাচেলরদের স্বার্থে বিনামূল্যে ঈদের সেমাই বিতরণ করা হয়। অনেকের মতে, জামাতের আগে ও পরে এই সেমাই পরিবেশনা ছিল প্রবাসে এক অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত।
এদিকে, এবছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৫০ হাজার প্রবাসী স্বজনের সাথে ঈদ করার জন্যে বাংলাদেশে গেছেন। তাদের প্রায় সকলেই ঈদুল আযহার পর ফিরবেন বলে জানা গেছে। যদিও নিউইয়র্কে বাংলাদেশী মালিকানার ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ট্রাভেলস’র টিকিট প্রতারনার শিকার হয়ে অনেক প্রবাসী ঈদ উদযাপনে দেশে যেতে পারেননি।
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ