যুক্তরাষ্ট্রে বৈধতা পাচ্ছেন ৫০ লাখ অভিবাসী
যুক্তরাষ্ট্রে এবার বৈধতা পেতে যাচ্ছেন অবৈধভাবে বাস করা ৫০ লাখ মানুষ। এত দিনের দুঃসহ অভিবাসন জীবনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে তাঁদের।
স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নির্বাহী আদেশে তাঁদের বৈধতার ঘোষণা দেবেন। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে অবৈধ অভিবাসীদের কাজের বৈধতার ঘোষণা দেবেন তিনি।
গতকাল বুধবার হোয়াইট হাউসে ডেমোক্রেটিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে এ বিষয়ে বৈঠক করেন ওবামা। বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ওবামা অভিবাসন নিয়ে তাঁর নির্বাহী আদেশের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তবে প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়ে আগাম কিছু প্রকাশ করা হয়নি।
ডেমোক্রেটিক দলের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টসহ প্রধান মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোয় নির্বাহী আদেশের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, নির্বাহী আদেশে পাঁচ বছর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারীদের বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে। কাজের অনুমতি পাওয়ার পর এসব অভিবাসীকে জোর করে স্বদেশে পাঠানো হবে না। এতে কর পরিশোধ করে কাজ করতে পারবেন অন্তত ৪০ লাখ অভিবাসী। এ ছাড়া অপ্রাপ্ত বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে আসা আরও ১০ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধভাবে কাজের অনুমতিও দেওয়া হবে।
সংবাদে জানানো হয়, নির্বাহী আদেশের ফলে অবৈধ লোকজন কেবল বৈধভাবে কাজের অনুমতি পাবেন। তাঁরা মার্কিন অভিবাসন প্রক্রিয়ায় গ্রিন কার্ড বা নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হবেন না। ভোট দেওয়া, স্বাস্থ্যসেবা, ফুড স্টাম্প ও আবাসন নিরাপত্তাসহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধাও তাঁদের জন্য নিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রেসিডেন্টের পরবর্তী নির্বাহী আদেশ বা কংগ্রেসের আইনবলে কাজের অনুমতি পাওয়া এসব লোকজনের অনুমতি প্রত্যাহারও করার সুযোগ থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন-সংস্কার নিয়ে গত এক যুগেরও বেশি সময় থেকে টানাপোড়েন চলছে। অভিবাসীদের পক্ষ থেকে ওবামার ওপর চাপ তীব্র হওয়ায় তিনি কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেন। তবে তাঁর এ উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতাও শুরু হয়েছে রিপাবলিকানদের মধ্যে।
রিপাবলিকান দলের নেতা স্পিকার জন বয়েনার ও সিনেটর টেড ক্রুজের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় জানানো হয়, ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মতো নন, অনেকটা সম্রাটের মতো আচরণ করছেন। অভিবাসন নিয়ে তাঁর এ নির্বাহী আদেশে অবৈধদের প্রবেশকে উৎসাহিত করা হবে। এই নির্বাহী আদেশের বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া হবে বলেও রক্ষণশীলদের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ার করে দেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট হাউস থেকে গতকাল বিকেলে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় ওবামা বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, আমেরিকার অভিবাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। দুঃখজনক হলেও সিত্য যে ওয়াশিংটনে এ সমস্যা জিইয়ে রাখা হচ্ছে।’
আমেরিকান ভয়েস নামের নাগরিক সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ফ্রাঙ্ক শেরি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা ৫০ লাখের অনেক বেশি। এর পরও নির্বাহী আদেশে আপাতত ৫০ লাখ লোকজনের অবৈধতার ছাপ থেকে মুক্ত হওয়া অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের পাওনা।প্রথম আলো
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!