Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন মেজর জিয়া জীবদ্দশায় বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি দূরের কথা, স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবেও দাবী করেননি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 130 বার

প্রকাশিত: April 4, 2014 | 6:19 AM

USA Awami League_Meet_The_Press_NY :  http://youtu.be/AQygopy2Az4 https://www.youtube.com/watch?v=AQygopy2Az4&feature=youtu.be

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, মেজর জিয়া জীবদ্দশায় কখনও নিজেকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতিতো দূরের কথা, স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবেও দাবী করেন নি। আর মিথ্যাচারের উপর ভর করে রাজনীতিতে আবির্ভূত জিয়াপতœী বেগম খালেদা জিয়া তার স্বামীকে রাতারাতি স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে প্রচার করেই ক্ষান্ত হননি, এখন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবেও নতুন তত্ত্ব নিয়ে হাজির হয়েছেন। হাওয়া ভবনখ্যাত দুর্নীতির বরপুত্র তারেক রহমানও লন্ডনে বসে একের পর এক ইতিহাস বিকৃতির চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে তার মার সঙ্গে সুর মিলিয়ে চলছেন।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদের পরিচালনায় জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহ সভাপতি নজমুল ইসলাম, আবুল কাশেম, সামছুদ্দিন আজাদ, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, সাংগঠনিক সম্পদক চন্দন দত্ত, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য এডভোকেট শাহ বকতিয়ার আলী, আশরাফুজজামান, কাজী মনিরুল ইসলাম, মুজাহিদুল ইসলাম, সোলেমান আলী, মাহবুবুর রহমান টুকু, শিরিন আক্তার দীবা, কার্যকরী সদস্য শাহানারা রহমান, শেফু রহমান, জহিরুল ইসলাম, আব্দুস সাকুর মাখন, হোসেন সোহেল রানা, এম এ আলম বিপ্লব, সাইফুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহ্বায়ক তারিকুল হায়দার চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক বাহার খন্দকার সবুজ, যুগ্ম আহ্বায়ক টিটো রহমান, যুবলীগ নেতা সাইফুল্লাহ খান, শ্রমিক লীগ সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি শাখাওয়াত বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আনিসুজ্জামান সবুজ, ড. আওয়াল প্রমূখ।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নত্তোর পর্বে অংশ নেন ড. সিদ্দিকুর রহমান ও সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘৭১ সালে মহান স্বাধীনতার প্রাক্কালে তাৎক্ষনিকভাবে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য উদ্যোক্তারা মেজর জিয়াকে দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে একমাত্র জনগনের ম্যান্ডেট পাওয়া বাংলাদেশের সূপ্রিম লিডার ও কমান্ডার ইন চীফ উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা পাঠ করান। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মেজর জিয়ার জীবদ্দশায় কখনও নীজেকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দাবী না করলেও মিথ্যাচারের উপর ভর করে জিয়াপতœী খালেদা জিয়া তার স্বামীকে রাতারাতি স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে প্রচার করতে শুরু করেন। মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাস পাকিস্তানী জেনারেল জানজুয়ার তত্ত্ববধানে থেকে বিএনপি নেত্রী রাজনীতিতে এসে পাঁচ পাঁচটি জন্মদিনের (৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ শিক্ষাবোর্ড রেকর্ড, ১৯ আগস্ট ১৯৪৪ বিয়ের কাবীননামা, ১৯ আগস্ট ১৯৪৭ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ অনুষ্ঠানে, ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ পারিবারিক তথ্যনুযায়ী, ১৫ আগষ্ট ১৯৪৭, দলীয় প্রেস রিলিজ মারফত, ২০০০ সালে ম্যাট্রিক পাশ ঘোষণা, শিক্ষা বোর্ড তথ্য ম্যাট্রিক পাশ পাশ করেননি) মালিক হয়েছেন। বর্তমানে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতায় স্বশিক্ষিত উল্লেখ করে মিথ্যাচার করেছেন। বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে খাটো করতে ও বঙ্গবন্ধুর খুনীদের উৎসাহিত ও খুশি করতে তিনি ১৫ আগস্টকে নিজের জন্মদিন বানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, যেদিনটি কোটি কোটি বাঙালী তাদের অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দিয়ে জাতির পিতার প্রতি কালো ব্যাজ ধারণ করে জাতীয় শোক দিবস ও শিশু দিবস পালন করেন, সেই শোকাবহ ও বেদনাবিধূর দিনে খালেদা জিয়া ও তার অনুসারীরা বিশাল আকৃতির কেক কেটে ভুয়া জন্মদিনের উল্লাস করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, তারেক রহমানও লন্ডনে বসে তার মার সাথে সুর মিলিয়ে ইতিহাস বিকৃতির চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে চলছেন। ইতোপূর্বেও তারেক রহমান ’৭২ এর সংবিধান নিয়ে কুটক্তি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিএনপি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার দল হিসেবে দাবী করলেও মুক্তিযুদ্ধের টার্নিং পয়েন্ট ৭ মার্চ পালন না করে ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে খাটো করে তারেক জিয়া নিজের কারাবরণ দিবস হিসেবে পালন করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সর্বশেষে মেজর জিয়াকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করে বেগম জিয়া নিজেকে মূর্খ ও অর্বাচীন হিসেবে দেশে প্রবাসে আলোচিত সমালোচিত হয়ে রাজনীতির মাঠে উপস্থিতি জানান দিতে চাচ্ছেন। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া লাজ-লজ্জার মাথা খেয়ে বাংলাদেশের সচেতন জনগোষ্ঠীর সামনে ও মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহন করা বীর মুক্তিযোদ্ধারাসহ কোটি কোটি জীবিত বাঙালীর সামনে নির্লজ্জ মিথ্যাচার শুরু করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সদ্য সমাপ্ত স্বাধীনতা দিবসের লক্ষ-কোটি বাঙালীর দেশে প্রবাসে, আয়োজিত অভূতপূর্ব জাতীয় সঙ্গীত আয়োজন ও তা ওয়ার্ল্ড গিনিজ রেকর্ড বুকে নিবন্ধনের উদ্যোগকে কটাক্ষ করে বক্তব্য প্রদান এবং গণ আন্দোলনের হুমকী দিয়ে গিনিজ বুকে নাম উঠানোর হাস্যকরর প্রস্তাব করেছেন। যার মাধ্যমে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার ঔদ্ধত্ব ও মূর্খতা প্রকাশ পেয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও প্রবাসে বসবাসরত মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের এহেন নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও ইতিহাস বিকৃতির তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সাথে সাথে, বাংলাদেশের মহান সংসদের সর্বোচ্চ সংসদীয় নীতি নির্ধারনী কমিটির সামনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদ ও জবাবদিহি করে সত্য ইতিহাস জাতির সামনে উপস্থাপনের এবং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের ন্যায় সরাসরি টিভি ও রেডিওতে সম্প্রচারের দাবী জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও গৌরবজ্জল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলা ও বিকৃত করার যথোপযুক্ত শাস্তির বিধান সংসদে পাশ করে অবিলম্বে ইতিহাস বিকৃতিকারীদের বিরুদ্ধে কার্য্যকর করার আশু দাবী জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালী জাতিকে মুক্তির স্বপ্নে উদ্ধুদ্ধ করে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দশ লক্ষাধিক মুক্তিকামী বাঙালীর সামনে অসহযোগ আন্দোলন ও স্বশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের আহ্বান জানিয়ে “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” – ঘোষণা দিয়ে সর্বাত্মক মুক্তিসংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়তে বলেন। অতঃপর ২৫ মার্চের কালোরাতে পাকিস্তানী বাহিনীর “অপারেশন সার্চ লাইট” নামে ক্রাকডাউনের প্রাক্কালে পূর্বপরিকল্পিত অফিসিয়াল স্বাধীনতার ঘোষণা তৎকালীন ইপিআর এর ওয়্যারলেস এর মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। সময়টা ২৫ মার্চের মধ্যরাতের পর হওয়ায় বাঙালী জাতির স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ নির্ধারিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দুই লক্ষাধিক মা-বোনের ইজ্জত ও স্বম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় মার্কিনী সা¤্রাজ্যবাদের দেশীয় মীরজাফর ও স্বাধীনতাযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জামায়াতে ইসলাম, নেজামে ইসলামী, মুসলীম লীগ ও তথাকথিত চীনাপন্থী প্রগতিশীল নামধারী একশ্রেণীর বামদের ষড়যন্ত্রে ও তৎকালীন সেনাবাহিনীর উপপ্রধানের দ্বায়িত্বে থাকা কুচক্রি মেজর জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ মদদে (প্রখ্যাত সাংবাদিক লরেন্স, লিপশুলজ ও আর্নল্ড জাইটলীন তাদের বইয়ে এবং গত ১৭ মার্চ জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনে আয়োজিত সেমিনারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন) বাঙালী জাতির সর্বকালের সর্বশেষ্ট সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মুজিব সপরিবারে নিহত হন। ৭৫ এর ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর, ৭ নভেম্বর, একের পর এক হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে খুনী মোস্তাক আহম্মদকে পূতুল হিসেবে বঙ্গভবনে বসিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে দাবার গুটি চালাতে থাকেন মূল ষড়যন্ত্রকারী, লোভী ও হিং¯্র স্বভাবের আসল খলনায়ক মেজর জিয়া। তিনি একাধারে স্বঘোষিত সেনাপ্রধান ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে আবির্ভূত হন এবং খুনী মোশতাককে সরিয়ে নীজকে রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত করে সংবিধান, রাষ্ট্রাচার, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি শুরু করেন। ধ্বংস করেন মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত দলিল পত্র, নির্বাসনে পাঠান মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত মূল্যবোধ এবং হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা সামরিক অফিসারকে ফায়ারিং স্কোয়াড ও ফাঁসীতে ঝুলিয়ে মৃত্যদন্ড দিতে থাকেন। পক্ষান্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিকে নিয়ে তার সরকারে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে বসান। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানের প্রতিনিধি হয়ে জাতিসংঘে আসা শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, মাওলানা মান্নান, আব্দুল আলীম, খান এ সবুর প্রমূখদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দ্বায়িত্বে বসিয়ে জামায়াতের তৎকালীন পালতক আমীর গোলাম আজমকে দেশে ফিরিয়ে এনে নাগরীকত্ব ফিরিয়ে দিয়ে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনে বাঙালীর শৌর্য-বীর্যের গৌরবোজ্জল মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি শুরু করেন। তারই ধারাবাহিকতায় বিচারপতি সাত্তার, খালেদা জিয়া ও এরশাদ গং দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালীর বিজয়ের ইতিহাস জাতির গণমাধ্যমে প্রচার করতে না দিয়ে ও মনগড়া মিথ্যা তথ্য দিয়ে একের পর এক ইতিহাস বিকৃতির চরম পরকাষ্ঠা দেখিয়েছে এবং এখনও দেখাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়া কোটি কোটি তরুণ প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধের সমৃদ্ধ ও গৌরবেজ্জ্বল ইতিহাসের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে ৭১ এর ন্যায় “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগানে স্লোগানে আকাশ বাতাশ প্রকম্পিত করায় ও স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবির-হেফাজত এবং এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও রক্ষাকারী বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ও তার দূর্নীতিবাজ ছেলে মানিলন্ডারিং ও ফৌজদারী মামলার আসামী তারেক রহমানের মাথা খারাপ হয়ে পাগলের প্রলাপ শুরু করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মেজর জিয়া একজন সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্বে থেকে কিভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করেছেন। তিনি নীজে কোন সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেননি বলে আরেক সেক্টর কমান্ডার মেজর রফিক বীর উত্তম তার “লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে” বইতে উল্লেখ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানী মেজর জিয়াকে সাসপেন্ড করে নজরদারীতে রেখেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে পর্যায়ক্রমে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান, আবুল কাশেম সন্দীপ, বেলাল মোহাম্মদ ও বেতার কেন্দ্রের কলা কুশলীরা অনবরত প্রচার করতে থাকেন। পরের দিন ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৭:৪০ মিনিটে মেজর জিয়াকে পাকিস্থানী সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাসরত অবস্থা থেকে ধরে এনে একজন সিনিয়র সেনা অফিসারকে দিয়ে ঘোষণা দিলে বাঙালী সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকেরা সহ পুলিশ ও ইপিআর সদস্যরা উজ্জীবিত হবে ভেবে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঘোষণা পাঠ করতে বলা হয়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ