Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল গ্রহণ করলেন ড. ইউনূস : অসামান্য উচ্চতায় আবারও বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 57 বার

প্রকাশিত: April 17, 2013 | 3:49 PM

কাউসার মুমিন, যুক্তরাষ্ট্র : যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের কংগ্রেশনাল  গোল্ড মেডেল গ্রহণ করলেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। মার্কিন সময় ১৭ই এপ্রিল সকাল এগারোটায় কংগ্রেসের ক্যাপিটল ভবনের দোতলা  রোটান্ডায় প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেট নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অপরিসীম সম্মান আর শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচনে ড. ইউনূসের অনন্যসাধারণ অবদানের  স্বীকৃতি স্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক  পুরস্কার ‘কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল’ আনুষ্ঠানিকভাবে ডক্টর ইউনূসের হাতে তুলে দেয়া হয়। মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষের পক্ষে স্পিকার জন বোয়েহনার এই পুরস্কার তুলে দেন। এ এক অনন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত, পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে থাকা বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ভাষাভাষী বাঙালির জীবনে এমন গৌরবের মুহূর্ত এর আগে খুব কমই এসেছে। স্বাধীনতা-উত্তর  বাংলাদেশে ড. ইউনূসের নোবেল প্রাপ্তির পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে  এত বড় অর্জন আর কখনও আসেনি। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশী আমেরিকানদের জীবনে এমন গৌরবের মুহূর্ত এই প্রথম। শান্তিতে ২০০৬ সালের নোবেল প্রাপ্তির পর ডক্টর ইউনূসের ২০০৯ সালে মার্কিন  প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এওয়ার্ড  লাভ এবং বিশ্বের একক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সর্বোচ্চ  বেসামরিক পুরস্কার ‘কংগ্রেশনাল  গোল্ড মেডেল’- এ  ভূষিত হওয়ায় বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে আবারও অসামান্য এক উচ্চতায় স্থান করে নিলো। ১৭৭৬ সালের ২৫শে মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনকে দিয়ে শুরু হওয়া এই কংগ্রেশনাল গোল্ড  মেডেল প্রাপ্তদের মধ্যে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. মুহম্মদ ইউনূস হলেন বিশ্বের সেই বিরলপ্রজ সাত জন ব্যক্তির একজন যারা একই সঙ্গে নোবেল পুরস্কার,  প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম এবং কংগ্রেশনাল গোল্ড  মেডেল- এই তিনটি অত্যন্ত সম্মানজনক পুরস্কারই লাভ করেছেন। এছাড়া ড. ইউনূস হচ্ছেন প্রথম কোন মুসলিম যিনি এ পুরস্কার লাভ করলেন। এই তথ্যটি  অনুষ্ঠানে  ঘোষণা হলে উপস্থিত কংগ্রেসম্যানরা অনেক সময় দাঁড়িয়ে ড. ইউনূসের উদ্দেশে হাততালি দেন। ক্যাপিটল ভবনের গম্বুজের নিচে অবস্থিত দোতলা রোটান্ডা নামে পরিচিত। রোটান্ডা হলো ভবনটির অন্য তলাগুলোর চেয়ে সর্বোচ্চ। কংগ্রেসের উভয় পরিষদের যৌথ অনুষ্ঠানাদি উদযাপনের জন্য ব্যবহৃত ৯৬ ফুট ব্যাসার্ধের ১৮০ ফুট উচ্চতার বৃত্তাকার এই সম্মেলন কক্ষটিকে ক্যাপিটলের ‘সিম্বলিক অ্যান্ড ফিজিক্যাল হার্ট’ বলা হয়ে থাকে।  সকাল ১১টা  বাজতেই কংগ্রেস সদস্যগণ একে একে জড়ো হতে শুরু করেন ক্যাপিটলের রোটান্ডায়। প্রথমে আমেরিকার জাতীয় সংগীত বাজিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে দারিদ্র্য বিমোচনে বিশ্বজুড়ে ক্ষুদ্রঋণের সাফল্য বিষয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও চাক্ষুস পরিলক্ষিত বিভিন্ন ঘটনা এবং নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় এ বিষয়ে কাজের সাফল্য বর্ণনা করে ড. ইউনূসের অবদানকে অকুণ্ঠচিত্তে স্বীকৃতি জানান কংগ্রেসম্যান ও সিনেটরগণ। কংগ্রেস নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তৃতা করেন, হাউস স্পিকার জন বোয়েহনার, সিনেট  মেজরিটি লিডার হ্যারি রিড, সিনেট রিপাবলিকান লিডার মিচ ম্যাককনেল, হাউস  ডেমোক্রেটিক লিডার ন্যান্সি  পেলোসি, সিনেট এসিস্ট্যান্ট  মেজরিটি লিডার ডিক ডার্বিন, ইলিনয়েস সিনেটর রিচার্ড ডার্বিন, নিউজার্সি ১২তম ডিস্ট্রিক্ট -এর  কংগ্রেসম্যান রাশ হোল্ড,  ফ্লোরিডার ২৭তম ডিস্ট্রিক্ট কংগ্রেসম্যান ইলেনে লেথিনেন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ব্যাংকার,  রেভ্যুলুশনারি এবং ভিশনারি এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে শুধু ড. ইউনূসের জন্যই মানায়। ইলিনয়েস সিনেটর রিচার্ড ডার্বিন এর বক্তৃতার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত অপেরা শিল্পী ড. ইউনূসের কন্যা মনিকা ইউনূস অনুষ্ঠানে পিতা ইউনূসের জন্য উৎসর্গ করে সংগীত পরিবেশন করেন। স্পিকার জন বোয়েনার বলেন, যুগ যুগ ধরে সৃষ্টিশীল আইডিয়ার উপর আমেরিকা গড়ে উঠেছে। ড. ইউনূস তার ক্ষুদ্র ঋণ আইডিয়ার মাধ্যমে দারিদ্র্যবিমোচনে পৃথিবীতে যে  বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন, তার ধরন অতিমাত্রায় আমেরিকান। আমি তাই ড. ইউনূসকে কংগ্রেশনাল গোল্ড  মেডেল প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য কংগ্রেসে আমার সহকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। ড. ইউনূসের এই আইডিয়া আগামীতে বিশ্বজুড়ে আরও বেশি সমপ্রসারিত হবে বলে বিশ্বাস করি। পুরস্কার গ্রহণ করে প্রদত্ত বক্তৃতায় ড. ইউনূস বলেন, আমেরিকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের সর্বোচ্চ পদে নির্বাচিত আমার বন্ধু কংগ্রেস সদস্যরা আমার সম্পর্কে এতক্ষণ ধরে যা বলেছেন, তা শুনে আমি চোখে পানি ধরে রাখতে পারছি না। আমার  কান্না পাচ্ছে। তবে আমাদের সকলেরই একটি মহান উদ্দেশ্য হলো মানবতার মুক্তি। এ রিপোর্ট লেখার সময় ড. ইউনূস কংগ্রেস সদস্যবৃন্দের উদ্দেশে বক্তৃতা করছিলেন। এর আগে ২০০৯ সালে ড. ইউনূস প্রেসিডেন্সিয়াল  মেডেল অফ ফ্রিডমে ভূষিত হন। কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল এবং   প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম- এর সম্মান ও মর্যাদা প্রায় একই মাত্রার হলেও প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড বাছাইয়ের কাজটি করেন প্রেসিডেন্ট নিজে ব্যক্তিগতভাবে কিন্তু কংগ্রেশনাল গোল্ড  মেডেলের বিষয়টি কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে আইন পাসের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত হয়, যাতে আমেরিকার  জাতীয় সিদ্ধান্তের প্রতিফলন ঘটে থাকে। কংগ্রেশনাল  গোল্ড মেডেল বিল কংগ্রেসে উত্থাপনের জন্য ২৯০ জন কংগ্রেসম্যান এবং ৬৭ জন সিনেটর বিলটি কো-স্পন্সর করতে হয়। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ, বিশ্বশান্তি ও সংস্কৃতি কিংবা অন্য  কোন সরকারি, বেসরকারি বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনন্যসাধারণ  মেধার পরিচয়  রাখলে তার স্বীকৃতি স্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক এই পুরস্কার ‘কংগ্রেশনাল গোল্ড  মেডেল প্রদান করা হয়। এর আগে  নেলসন ম্যান্ডেলা, মাদার তেরেসাঁ, টনি ব্লেয়ার, জ্যাকি রবিনসন, অং সান সুচি’র মতো বিশ্বনেতৃবৃন্দ এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। সর্বশেষ ২০১২ সালে ‘হলোকাস্টের সময়  ইহুদিদের প্রাণ বাঁচানোর বীরোচিত ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ সুইডিশ নাগরিক রাউল উয়ালেনবার্গকে মরণোত্তর কংগ্রেশনাল  গোল্ড মেডেল প্রদানে মার্কিন কংগ্রেস আইন পাস করেছে। বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যবিমোচনে ড. ইউনূসের অবদানের প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ তাকে  কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল প্রদানের বিলটি ২১শে এপ্রিল ২০০৯ তারিখে কংগ্রেসে উত্থাপিত হয়। ওই বছর ১৩ই অক্টোবর সিনেট তা পাস করে এবং পরদিন বিলটি হাউসের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করে। হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস ২৩শে  সেপ্টেম্বর ২০১০ বিলটি পাস করে এবং এরপর ২০১০ সালের ৫ই অক্টোবর  ১১১তম কংগ্রেসের পাবলিক ল-২৫৩ হিসেবে বিলটি কংগ্রেসের অনুমোদন  লাভ করে।  এ বছর ৫ই মার্চ হাউস স্পিকার ওহাইও রিপাবলিকান জন বোয়েনার, সিনেট মেজরিটি লিডার নেভাদা ডেমোক্রেট হ্যারি রিড, সিনেট রিপাবলিকান লিডার কেন্টাকি রিপাবলিকান মিচ ম্যাককনেল, হাউস ডেমোক্রেটিক লিডার ক্যালিফোর্নিয়া ডেমোক্রেট ন্যান্সি পেলোসি’র  মতো সিনিয়র কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ  ঘোষণা করেন যে ১৭ই এপ্রিল পুরস্কারটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হবে।মানবজমিন
 
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক নিলেন ড. ইউনূস
ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল হিলে গতকাল নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ‘কংগ্রেশনাল গো�

ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল হিলে গতকাল নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ‘কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল’ পুরস্কার তুলে দেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার জন বোয়েনার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট দলীয় নেতা ন্যান্সি পেলোসি -ছবি: এএফপি IIIIকংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেলের এক পিঠে মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিকৃতি ও  অন্য পিঠে বাংলায় লেখা ‘আমরা দারি

কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেলের এক পিঠে মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিকৃতি ও  অন্য পিঠে বাংলায় লেখা ‘আমরা দারিদ্রকে যাদুঘরে পাঠাবো’ -ইউনূস সেন্টারের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া IIIIIIII

শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা কংগ্রেশনাল স্বর্ণপদক গ্রহণ করেছেন। বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পদক দেওয়া হয়। ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার জন বোয়েনার গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতার হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় পাশে ছিলেন প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যালঘিষ্ঠ ডেমোক্র্যাট নেত্রী সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। পুরস্কার গ্রহণ শেষে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘মিডল টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সময় আমি প্রথম ক্যাপিটলে এসেছিলাম।’ তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন আদায়ের জন্য প্রথম ওয়াশিংটন এসেছিলাম।’ বাংলাদেশের নোবেলজয়ী ‘অভূতপূর্ব সম্মাননা’ দেওয়ার জন্য কংগ্রেসকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই সম্মাননা তাঁর ক্ষুদ্রঋণের স্বীকৃতি। তিনি বলেন, ‘আমি এই সম্মাননা কেবল আমার জন্য নয়, বরং যেসব নারী কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আপনাদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে, প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলে তাঁরা স্বনির্ভর হতে পারেন—তাঁদের হয়ে গ্রহণ করছি।’ অধ্যাপক ইউনূস হলেন প্রথম বাংলাদেশি, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক এই স্বর্ণপদক পেলেন। শুধু তা-ই নয়, মুসলিম বিশ্বের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ব্যক্তি মর্যাদাশীল এই পদক পেলেন। পুরস্কার গ্রহণ শেষে ড. ইউনূস কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে বক্তব্য দেন। এর আগে ক্ষুদ্রঋণের পথিকৃৎ ড. ইউনূস প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী সম্মাননা হিসেবে প্রেসিডেন্ট স্বর্ণপদক দেওয়া হয়ে থাকে। নোবেলজয়ীর হাতে পদক তুলে দেওয়ার পর স্পিকার বোয়েনার বলেন, অধ্যাপক ইউনূস এমন এক কাজ শুরু করেছেন, যা বিশাল একটি বিষয় হতে পারে। তাঁর এই কাজ মানুষকে শ্রেয়তর জীবনের পথে এগিয়ে নেবে। মার্কিন কংগ্রেসের উভয় পক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সদস্যদের সম্মতিতে কংগ্রেশনাল স্বর্ণপদক দেওয়া হয়ে থাকে। সারা বিশ্বে অর্জন ও অবদান বিবেচনা করে মার্কিন আইনপ্রণেতারা এ সম্মাননা দিয়ে থাকেন। ১৯৭৬ সালে প্রথমবারের মতো এই সম্মাননা দেওয়া হয়। এই পুরস্কার পাওয়ার মধ্য দিয়ে ড. ইউনূস নরম্যান বারলগ, মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, নেলসন ম্যান্ডেলা, ইলি উইসেল, অং সান সু চি ও মাদার তেরেসার কাতারে চলে গেছেন। এই ছয় ব্যক্তিত্বও নোবেল পুরস্কারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাশীল এই দুটি পুরস্কার পেয়েছেন। অধ্যাপক ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়। অবশ্য এই নোবেলজয়ী বর্তমানে গ্রামীণ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দেশে ব্যাপক চাপের মধ্যে রয়েছেন। এএফপি।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV