যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে ১০১ নারী
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ক্রমে বাড়ছে। ৪ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে সে সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে। এরমধ্যে বাংলাদেশিদের সমর্থিত কংগ্রেসওম্যান (নিউইয়র্ক-ডেমক্র্যাট) গ্রেস মেংও রয়েছেন। উল্লেখ্য, গ্রেস মেং এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।
পঞ্চাশের দশকেও স্বামী মারা গেলে উত্তরাধিকার হিসেবে স্ত্রীরা প্রার্থী হতেন যুক্তরাষ্ট্র সিনেট অথবা প্রতিনিধি পরিষদে। এমনকি, অঙ্গরাজ্য পার্লামেন্টেও তেমন অবস্থা ছিল। এখন আর সে দিন নেই। সাংগঠনিকভাবেই এগুচ্ছেন নারীরা নিজের কর্ম-দক্ষতার গুণে। কংগ্রেসের পাশাপাশি তারা রাজ্য গভর্নর, রাজ্যের আইনসভা ইত্যাদিতেও জয়ী হচ্ছেন। এবারের নির্বাচনে রোড আইল্যান্ডের প্রথম নারী গভর্নর হিসেবে জয়ী হয়েছেন জিনা রায়মন্ডো। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার প্রথম নারী সিনেটর হলেন শেলী ম্যুর ক্যাপিটো। ম্যাসেচুসেটস রাজ্যে প্রথম সমকামী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে জয়ী হয়েছেন মউরা হিলী।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে শুরু ১১৪তম কংগ্রেসে (৪৩৫ +১০০) ৫৩৫ আসনে অন্তত ১০১ জন থাকবেন নারী। নিউজার্সীরে রাটগার্স ইউনিভার্সিটিতে ঈগলটন ইন্সটিটিউট অব পলিটিক্সের অন্তর্গত ‘সেন্টার ফর আমেরিকান উইমেন এন্ড পলিটিক্স’ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে কমপক্ষে ২০ জন সিনেটর এবং ৭৯ জন হচ্ছেন কংগ্রেসওম্যান। রাজ্য গভনর্র রয়েছেন ৫ জন। লে. গভনর্র হচ্ছেন ১১।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রিপাবলিকান পার্টিতে নারীর সম্পৃক্ততা ডেমক্যাটিক পার্টির তুলনায় কম। ৪ নভেম্বরের নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে নারী সিনেটর রয়েছেন ৪ জন। আগে থেকেই রয়েছেন আরও ১৬ জন। জানুয়ারিতে শুরু মেয়াদে সিনেটে রিপাবলিকান পার্টির নারী থাকবেন ৬ জন। এ যাবৎকালে এটি হচ্ছে সর্বোচ্চ। অপরদিকে, এবারের নির্বাচনে হাউজে জয়ী হওয়া নারী কংগ্রেসম্যানের ১১ জনই নতুন। তারা বসবেন আগে থেকেই দায়িত্ব পালনকারী ৭০ জনের সঙ্গে অর্থাৎ এই ৭০ জন পুননির্বাচিত হয়েছেন। আরও ৩ জনের চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। অর্থাৎ নারী কংগ্রেসম্যানের সংখ্যা বাড়বে।
এবারই প্রথম নির্বাচিত কংগ্রেসওমানরা হলেন: ক্যালিফোর্নিয়ার নরমা টরেস (ডেমক্র্যাট) এবং মিমি ওয়াল্টার্স (রিপাবলিকান), ফ্লোরিডার গোয়েন গ্রাহাম (ডেমক্র্যাট), মিশিগানের ডেবী ডিঙ্গেল (ডেমক্র্যাট) এবং ব্রেন্ডা লরেন্স (ডেমক্র্যাট), নর্থ ক্যারলিনার আলমা এডামস (ডেমক্র্যাট), নিউজার্সির বোনি ওয়াটসন কোলম্যান (ডেমক্র্যাট), নিউইয়র্কের ক্যাথলিন রাইস (ডেমক্র্যাট) এবং এলিস স্টেফনি (রিপাবলিকান), ইউটাহর মিয়া লাভ (রিপাবলিকান), ভার্জিনিয়ার বারবারা কমস্টক (রিপাবলিকান)।
এদিকে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটদের ভরাডুবির পরই প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তার আইনমন্ত্রী হিসেবে একজন নারীর নাম প্রস্তাব করেছেন। তিনি হলেন নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের ফেডারেল কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর লরেটা লিঞ্চ। সিনেটে মিস লিঞ্চের অনুমোদন মিললে তিনি হবেন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ এবং প্রথম নারী আইনমন্ত্রী। এনআরবি নিউজ।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!