Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনডকুমেন্টেড বাংলাদেশিরা ছুটছেন কানাডায়

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 192 বার

প্রকাশিত: August 31, 2018 | 8:58 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিপোর্টেশনের খড়্গ মাথায় নিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ কানাডায় পাড়ি জমাচ্ছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশিও রয়েছেন। গত বুধবার রাতে বাংলাদেশি একটি পরিবার কানাডার সীমান্তের উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ছেড়েছেন। সূত্র জানায়, প্রতিদিনই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট থেকে আনডকুমেন্টেড বাংলাদেশিরা কানাডার সীমান্ত পাড়ি দিয়ে সেদেশে প্রবেশ করছেন। কাগজপত্রহীন এসব অভিবাসীরা কানাডার সীমান্তে আত্মসমর্থন করে আশ্রয় চাইছেন। দেশটির বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধি ও আইনজীবীরা তাদেরকে নির্বিঘেœ কানাডা প্রবেশে সহায়তা করছেন। জানা গেছে, আনডকুমেন্টেড অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের সময় এদেশের ইমিগ্রেশন থেকেও কোনো ধরনের বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন না। তাই যুক্তরাষ্ট্রের কাগজপত্রহীন অভিবাসীদের নতুন ঠিকানা এখন কানাডা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর মার্কিন অভিবাসন নীতির ব্যাপক রদবদল করেন। একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আর ধরপাকড় অভিযানের ফলে আতঙ্কে রয়েছেন আনডকুমেন্টেড অভিবাসীরা। তাই ট্রাস্পের কঠোর নীতির হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে কোনমতে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে তারা এখন পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে ছুটছেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী যাচ্ছেন কানাডায়।
অভিবাসী ও শরণার্থীদের ব্যাপারে কানাডার সরকার খুবই উদার ও সদয়। একবার কেউ ঢুকতে পারলে কানাডা তার জন্য নিরাপদ আশ্রয়। এ কারণেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কড়াকড়ি আরোপের পর থেকে আমেরিকা থেকে কানাডায় অভিবাসী ও শরণার্থীদের প্রবেশ বেড়েছে। বৈধ ও অবৈধ নানা ভাবেই অভিবাসীরা কানাডায় প্রবেশ করছেন।
সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ কাগজপত্রহীন অভিবাসী যারা কানাডা সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন শুরুতে তাদের একটি আশ্রয় কেন্দ্রে আটক রাখা হচ্ছে। পরে আইনজীবীর মাধ্যমে সেখান থেকে তারা ছাড়া পেয়ে কানাডায় প্রবেশ করছেন। এরপর আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা বৈধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
পরিসংখ্যান বলছে, গত ছয় বছরের মধ্যে গত বছর সর্বোচ্চ সংখ্যক শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে কানাডায়। ২০১৭ সালে প্রায় দুই হাজার জনকে আটক করে কানাডার আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। মার্কিন সীমানা পেরিয়ে অবৈধভাবে কানাডাতে প্রবেশ করার সময় এদেরকে আটক করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
কানাডা অনেক বড় দেশ এবং সেখানে নানা উপায়ে অভিবাসী ও শরণার্থীরা যায়। গত বছর সিরিয়ার ১০ হাজারেরও বেশি শরণার্থীকে কানাডা আশ্রয় দিয়েছে। অভিবাসী ও শরণার্থী মানুষদের ব্যাপারে কানাডার সরকার অনেক সহনশীল ও তাদের সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আগে থেকে কানাডায় আবেদন করে প্রবেশ করতে পারলে ঝক্কি-ঝামেলা কম হয়। কানাডা সরকারের কাছে কেউ যদি শরণার্থী দাবি করে আশ্রয়ের আবেদন করে সেক্ষেত্রে অনুমতি পেতে ৩-৬ মাস সময় লাগে।
কানাডার অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, সামারে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসী যাওয়ার হার আরো অনেক বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ