Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লেখক জসিম উদ্দিনের ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’ থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 119 বার

প্রকাশিত: November 30, 2018 | 8:17 PM

হাকিকুল ইসলাম খোকন : সময় ২০১৬ সাল। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লেখক জসিম উদ্দিনের লেখা ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’ উপন্যাস থেকে নির্মাণ শুরু হয় চলচ্চিত্র ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’। তখন লেখক জসিম উদ্দিনের নিজের পরিচালনায় চলচ্চিত্রটির ৩০ শতাংশ শুটিংও সম্পন্ন হয় কয়েক দিনে। এমন অবস্থায় হটাৎ চলচ্চিত্রটি শুটিং বন্ধ হয়ে যায়। নির্মাতার অসুস্থতা ও আইনি কিছু জটিলতার কারণে এখনো বন্ধ ছিলো চলচ্চিত্রটির কাজ। নিয়ম অনুযায়ী কোনো নির্মাতা চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে গেলে তাকে আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্য হতে হয় । এরপরই তিনি পরিচালক হিসেবে কাজ করতে পারেন। তবে এই নির্মাতা সদস্যপদ না নিয়েই ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’-এর শুটিং শুরু করেন। যে কারণে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নিয়ম অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে হয় ‘দ্য আমিরেকান ড্রীম’-কে। রীতিমতো বন্ধ হয়ে যায় চলচ্চিত্রটির কাজ। এমন অবস্থায় নির্মাতা ফিরে যান যুক্তরাষ্ট্রে। কারণ তিনি বেশ অসুস্থও ছিলেন তখন। চিকিৎসার কারণে এসব ঝামেলা শেষ না করেই জসিম উদ্দিনকে পাড়ি জমাতে হয় যুক্তরাষ্ট্রে। তবে নির্মাতার ভাবনায় ছিলো একটু সুস্থ হলেই আবারো ফিরবেন ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’-এর কাজে। তবে এবার নিয়ম মেনেই চলচ্চিত্রটির কাজ সম্পন্ন করতে চান এই লেখক ও পরিচালক। তাইতো দেশে ফিরে প্রথমেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্য পদ গ্রহণ করেন। এখন ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’-এর কাজে কোনো বাঁধা নেই। এমনটাই জানালেন এই নির্মাতা।

 

জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার নিজের লেখা উপন্যাস থেকে ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’ নির্মাণ করছি। শুটিং শুরুর পরে হটাৎ আমি বেশ অসুস্ত হয়ে যায়। আমার পায়ের লিগামেন্ট ছিড়ে যায়। আমি যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাই আমাকে চিকিৎসার জন্য ফিরতে হয় যুক্তরাষ্ট্রে। যে কারণে এতো দিন বন্ধ ছিলো এর কাজ। এছাড়াও আরো একটি কারণও ছিলো যেটা আপনারা ইতোমধ্যেই জানেন। বাংলাদেশ পরিচালক সমিতির সদস্য পদ ছিলো না আমার। এখন আমি বেশ সুস্থ। দেশে ফিরেছি। দেশে ফিরেই প্রথমে পরিচালক সমিতির সদস্য পদ গ্রহণ করেছি। এখন চলচ্চিত্রটি নির্মাণে আর কোনো বাঁধা নিষেধ নেই আমার। বলতে পারেন খুব শীঘ্রই এগিয়ে যাবে ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’।’

বাংলাদেশ ও আমেরিকার যৌথ প্রযোজনায় নির্মাণ হচ্ছে ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’। বাংলাদেশ থেকে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করছেন সীনসীনারী প্রডাকশন ও আমেরিকা থেকে প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে বেল প্রডাকশন। ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় শুটিং করা হচ্ছে চলচ্চিত্রটির। এতে অভিনয় করছেন সাইমন সাদিক ও আইরিন। এছাড়া আরো অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা সানজিদা তন্ময়, সূচনা আজাদসহ অনেকে।

উল্লেখ্য, ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’ উপন্যাসটির ইংরেজি র্ভাসন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত অনলাইন কোম্পানি আমাজন-এ বিক্রি হয়েছে। Gg. Rmxg DwÏb

এম. জসীম উদ্দিন এর পরিচিতি


এম.জসীম উদ্দিন ১৯৬৯ সালের ১৫ই জুন, কুমিল্লার শহরতলী সীমান্তবর্তী গ্রাম হরিপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। পিতা মরহুম মাষ্টার এমএ বারী এবং মাতা কাজী রুছিয়া খাতুনের মেধাবী ও কৃতি সন্তান তিনি। তার পিতামহ ছিলেন বিশিষ্ট দানবীর মরহুম সৈয়দ আকরাম আলী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের- লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রী অর্জন করেন। শিক্ষাকালীন সময়ে তিনি ছিলেন একজন তুখোড় ছাত্র নেতা এবং বর্তমানে একজন সএিয় রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। ১৯৯০ এর পর থেকে তিনি স্থায়ী ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস শুরু করেন।
শৈশব থেকেই রাজনীতির পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতি মনা প্রতিভাবান এই লেখক সাহিত্য চর্চায় মনোনিবেশ করেন। তার লেখা ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস, কবিতা এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক বিশ্লেষন ধর্মী ফিচার দেশ ও বিদেশের বিভিনন পত্র পত্রিকায়, জার্নালে এবং ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হওয়ায় অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। বর্তমানে তার লেখা উপন্যাস হিসেবে ডজন খানেক পান্ডুলিপি প্রকাশের অপেক্ষায় প্রস্তুত। তার লেখনিতে প্রকাশ পায়- সমাজের
নিষ্পেষিত মানুষের অধীকারের কথা, দেশের কথা, চলমান রাজনীতির কথা। পৃথিবীর উল্টো প্রান্তে বসবাস করেও
বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ব সাহিত্যের দরবারে প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সাহিত্য চর্চা ও রাজনীতি একে
অপরের পরিপূরক। অর্থনীতি, সমাজনীতি, এবং রাজনীতি সবই একই সূত্রে গাঁথা। সবই মানুষের কথা বলে, মানুষের
কল্যানের কথা বলে। যখন মানুষের কল্যানে, সমাজের নিপিড়িত মানুষগুলোর চিত্র পাঠকের চোখের সামনে উঠে
আসবে তখনই সার্থক হবে তার লেখনি।
পাঠকের চাওয়া পাওয়া পরিপূর্ণতায় ভরিয়ে দিতে লেখকের তিনটি ছোটগল্প “রুপালি ইলিশ” “প্রেমের সীমান্তে” এবং “দি আমেরিকান ড্রীম”পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV