Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন কেন্দ্রিক নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 84 বার

প্রকাশিত: July 1, 2019 | 4:35 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পররাষ্ট্রনীতিতে রাশিয়া এবং চীনকে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছেন। একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব স্বার্থের অগ্রাধিকার দেয়াও তার প্রশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এই সকল পদক্ষেপের মাধ্যমে ট্রাম্প এই তিন দেশ কেন্দ্রিক এক বিশ্ব ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপনের প্রাথমিক কৌশলী হিসেবে কাজ করছেন। এমনটাই মনে করেন বিশ্বের ডক্টর মাইকেল ইভানোভিচ। যা তিনি মার্কিন গণমাধ্যমে লেখা এক কলামে ব্যাখ্যা করেছেন। সূত্র : সিএনবিসি।

ডক্টর মাইকেল ইভানোভিচ একজন শীর্ষ রাজনৈতিক অর্থনীতি এবং বিনিয়োগ কৌশল বিশেষজ্ঞ। তিনি প্যারিসভিত্তিক ওইসিডি জোটের একজন শীর্ষ অর্থনীতিবিদ। এছাড়াও, ফেডারেল রিজার্ভের আন্তর্জাতিক অর্থনীতিবিদ হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত কলম্বিয়া বিজনেস স্কুলেও শিক্ষকতা করেন।

সিএনবিসি নিউজে প্রকাশিত কলামে তিনি লেখেন, সদ্য সমাপ্ত জি-২০ সম্মেলনে ট্রাম্প একথা নিশ্চিত করেছেন, দিনশেষে তিনি রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সহযোগিতামূলক বিশ্ব ব্যবস্থা কায়েমের পক্ষে। গত শুক্রবার ওসাকা সম্মেলনে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক অন্তরঙ্গ বৈঠকে অংশ নেন। এসময় তারা, বিশ্ব এবং আঞ্চলিক অর্থনীতি নিয়ে দুই দেশের কর্মকর্তারা নিয়মিত আলোচনায় অংশ নেবে এই বিষয়ে ঐক্যমত্য পোষণ করেন। এছাড়াও, দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়নের পথ খুঁজে বের করার বিষয়ে তারা আলোচনা করেছেন।

এরপরেই শনিবার বাণিজ্যযুদ্ধ নিরসন নিয়ে চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করেন ট্রাম্প। বৈঠকের আগে জি-২০ জোটের নীতি-নির্ধারক সভায় শি জিনপিং বহুত্ববাদি বৈশ্বিক ক্ষমতাকেন্দ্রের গুরুত্ব তুলে ধরে, সা¤প্রতিক মার্কিন পদক্ষেপগুলোর কার্যত সমালোচনাই করেছেন। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সংরক্ষনবাদি নীতি নিয়ে নিজের অসন্তোষ খুলেই প্রকাশ করেন শি জিনপিং। এসময় তিনি জানান, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার স¤পর্ক চায়, সংঘর্ষ এবং উত্তেজনার সম্পর্ক নয়।

এরপরেই শি-ট্রাম্প বৈঠকে ৩০ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্য আমদানিতে প্রস্তাবিত শুল্কারোপের প্রক্রিয়া স্থগিত করেন ট্রাম্প। আরো অতিরিক্ত শুল্কারোপের বিষয়টিও আলোচনার স্বার্থে মুলতবী করেন ট্রাম্প। এবং একইসঙ্গে, উভয় রাষ্ট্রপতি বাণিজ্য আলোচনায় ইতিপূর্বে যতখানি অগ্রগতি এসেছিলো ঠিক সেখান থেকেই আলোচনা শুরুর ঘোষণা দেন।

তবে এই বৈঠকের সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, সেখানে শি জিনপিং চীনের কতটা ক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছেন। ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় তিনি, চীনে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলো যে সকল বাঁধার মুখে পড়ে, সেসব অভিযোগ আমলে না নিয়ে পাল্টা যুক্তরাষ্ট্রে চীনা কোনপানিগুলোর ব্যবসা পরিচালনায় মার্কিন সরকারের ন্যায্য সহায়তা কামনা করেন। এই প্রেক্ষিতে ট্রাম্প মার্কিন কোম্পানিগুলোকে চীনা কো¤পানি হুয়াওয়ের কাছে প্রযুক্তিপণ্য বিক্রয় অব্যাহত রাখার অনুমতি দেয়ার অঙ্গীকার করেন। অর্থাৎ, চীনের চাপের মুখে ট্রাম্প নতি স্বীকার করে, পাল্টা দ্বিপাক্ষিক সহায়তা উন্মোচনে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। তবে একইসঙ্গে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এমন প্রযুক্তি বিক্রি করার ক্ষেত্রেই এই অঙ্গীকার কার্যকর হবে।

ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক কার্যাবলী তার তড়িৎমতি রাজনীতির অংশ মনে করা হলেও, এটা খুবই পরিকল্পিত । বিশেষ করে এর মাধ্যমে ট্রা¤প তার আগাম নির্বাচনী প্রচারণার কাজ শুরু করেছেন। কারণ, ট্রাম্পের পুনঃনির্বাচিত হওয়ার পথে চীন এবং রাশিয়ার সঙ্গে যে কোন ধরনের সরাসরি উত্তেজনা তার রাজনৈতিক প্রচারণা মোকাবেলায় বিরোধী পক্ষকে শক্তিশালী করবে। স্বাভাবিকভাবেই ট্রা¤প এই ঝুঁকি নিতে চান না। আর এই বিষয়টি শি বা পুতিন দুজনের কারোরই অজ্ঞাত নয়।

ট্রা¤েপর বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের ভিড় যত বেড়েছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়েই পররাষ্ট্রনীতির জাল বিছিয়ে চলেছেন ট্রাম্প। বিশ্ব দরবারে তার জনপ্রিয়তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব তুলে ধরতে পারলে বিরোধীদের মুখ বন্ধ করা তার পক্ষে সহজ হবে, ট্রাম্প তা ভালোই অনুধাবন করেন। একইসঙ্গে, বিশ্ব রাজনীতিতে তিনি একজন সফল আলোচক, মার্কিন জনগণকে এমন ধারনাও দিতে চান তিনি। এতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বা প্রাধান্য যদি সাময়িক বিসর্জিত হয়, তাতেও ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কোন ক্ষতি নেই।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV