Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

যেভাবে তৈরি হয় ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার পটভূমি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 161 বার

প্রকাশিত: August 17, 2016 | 7:05 AM

সুব্রত বিশ্বাস : কথিত আছে, রামের বনবাসের অনুপস্থিতিতে তাঁর পাদুকা সিংহাসনে রেখে ভরত রাজ্য শাসন করেছিলেন। পাকিস্তান কারাগারে বঙ্গবন্ধুর বন্দী অবস্থায় তেমনি তাজউদ্দীন আহমেদ প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধুকে মনের সিংহাসনে বসিয়ে রেখে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাজউদ্দীন আহমেদের এই গভীর শ্রদ্ধা ও আনুগত্য সম্ভবত কেবলমাত্র চে, ফিদেল আর রাহুল ক্যাস্ট্রোর আদর্শিক আনুগত্যের সাথেই তুলনা চলে। অথচ বঙ্গবন্ধু কান কথায় ভুলে গেলেন সংকট কালের একমাত্র পরীক্ষিত সহযোদ্ধাকে। অপাংথেয় হয়ে গেল তাঁর সকল অতীত কর্মকান্ড ও বিশ^াসযোগ্যতা। পরবর্তীতে সে ভুলের মাশুল দিতে হয় বঙ্গবন্ধুকে জীবন দিয়ে। যে সহযোদ্ধা ছায়ার মতো পাশে থেকে কখনো জ্ঞাতসারে কখনো অজান্তে মোশতাক, তাহের ঠাকুর, নুরুল ইসলাম শিশু চক্রের চক্রান্ত বার বার ভেস্তে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পথ নিষ্কণ্ঠক করে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। অস্বীকার করার নয় বঙ্গবন্ধুর অদূরদর্শী বুদ্ধিমত্তা, সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত ও হিমালয়সম ভাবমুর্তি। কিন্তু তাজউদ্দীন ছিলেন তার অনুঘটক। দলীয় সিদ্ধান্ত, গঠনতন্ত্র ও মেনোফেস্টো তৈরির কারিগর। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে নির্বাচনী ইশতেহার ও আন্দোলনের কর্মসূচী প্রণয়ন, গোলটেবিল বৈঠকের খসড়া তৈরি এসবই ছিল তাঁর মস্তিষ্কের ফসল।

নেতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে যুদ্ধ জয়ের অসীম উচ্ছাসা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্য দেশ গড়ার কাঁচামাল, নয় মাসের অভিজ্ঞতা বাক্সবন্দী করে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু একটি বারের জন্যও জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন বোধ করলেন না অনুজ সহযোদ্ধার অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ বাক্সে কি কাঁচামাল ছিল। গলা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলেন মন্ত্রীত্ব সহ সকল সরকারী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে। নেতার এহেন অশোভনীয় আচরণে সামান্যতম প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ না করে সরে গেলেন নীরবে নিঃশব্দে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনা করে চেপে গেলেন সকল অন্যায়, অপবাদ। শঙ্কা আর সংশয়ে কেবল ভেবেছেন, কোথায় কোন অপরিণামদর্শী অন্ধকারের পথে দেশ ও জাতিকে নিয়ে চললেন বঙ্গবন্ধু। আশঙ্কিত হয়ে ভেবেছেন, ২৪ বছরের সংগ্রাম আর ৯ মাসে জাতির ত্যাগ শত্রুপক্ষের খাম্চে ধরার অজানা আশঙ্কায়। দেশের ভবিষ্যৎ অশনিসংকেতের কথা ভেবে গায়ে পড়ে চেষ্টা করেছেন একটিবার নয় মাসের অভিজ্ঞতার বাক্সট্ িখুলে দেখানোর। কিন্তু না, নেতা কানকথার আতিশয্যে তাচ্ছিল্যভরে প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন, দুঃসময়ের একমাত্র নির্ভরশীল সহযোদ্ধার দেশের ভবিষ্যৎ চিন্তায় শংকা আর আশঙ্কা প্রকাশের অনুরোধ। বলতে দ্বিধা করেননি, ’কিরে, দেশটাকে ভারতের কাছে বন্ধক দিয়ে এলি।’

তারপর যা হবার তাই হলো। যে যুবসমাজ নিয়ে দেশগড়ার মহাপরিকল্পনা গড়েছিলেন সব ভেস্তে গেল। মোশতাক চক্রের চক্রান্ত অপ্রতিরোধ্য গতি পেল। দ্বিধাবিভক্তি দেখা দিল ছাত্র ও যুবসমাজের মাঝে। সুযোগ নিল বিদেশী চক্রান্তকারী গোষ্ঠী। রব, জলিল, শাহজাহান সিরাজরা আলিঙ্গন করলো তাদের সাথে। মুক্তিযুদ্ধের অপরিসীম ত্যাগের মনোভাব নিয়ে দেশ গড়ার স্বপ্নে বিভোর যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করতে সমাজ বদলের নামে বিদেশী অর্থ মদতে সমাজতন্ত্রের খোলসের আড়ালে গড়ে তোলা হলো জাসদ নামক সন্ত্রাসী দল। নেপথ্য চক্রান্ত সংগঠিত করার অশুভ লক্ষ্যে সামরিক কায়দায় গঠন করা হলো তথাকথিত গণবাহিনী। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সরকারকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চটকদার বক্তব্য দিয়ে চরম অসন্তেুাষ তৈরির পথ বেছে নেওয়া হয়। রব বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে জুতা তৈরির মতো অশোভন বক্তব্য দিতেও দ্বিধা করেনি। পার্টির মুখপত্র গণকণ্ঠে চললো মিথ্যা ও উগ্র প্রচারণা। করুণা হয় আজ যখন দেখি বঙ্গবন্ধুর অনুসারী পরিচয়দানকারী এক শ্রেণীর লোক এই রব ইনুদের মাথায় তুলে মাতম করতে দেখে।

রেল লাইন উপ্ড়ে ফেলে, পাঠের গুদামে আগুন দিয়ে, রাস্থাঘাট ধ্বংস করে চললো নাশকতা। খাদ্য গুদামে আগুন, খাদ্য বোঝাই জাহাজ ডুবিয়ে দিয়ে মু্িক্তযুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশের খাদ্য সংকট আরো ঘনীভূত করে তোলা হলো। এরই সাথে যুক্ত হলো স্মরণকালের প্রলয়ঙ্কারী বন্যা। দেখা দিল দুর্ভিক্ষ। সমাজতান্ত্রিক ব্শি^ ও বন্ধুপ্রতীম দেশ যথাসম্ভব সাহায্যের হাত প্রসারিত করলো। নিতান্ত অপ্রয়োজন সত্বে কিউবা শুকনো মরিচ আমদানী কর্।ে কিন্তু এসবই ছিল নিতান্ত অপ্রতুল। বাধ্য হয়ে খাদ্য আমদানী করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে খাদ্যচুক্তি করতে হয়।

মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকায় তাজউদ্দীন আহমেদ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যথাসম্ভব আমেরিকার অসম সাহায্য সহযোগিতা এড়িয়ে চলার। তাই মুক্তিযুদ্ধের পর মার্কিন পররাষ্ট্র সেক্রেটারী কিসিঞ্জারের সাহায্যের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অপমানে ক্ষুব্দ কিসিঞ্জার তখন তাচ্ছিল্য করে বলেছিলেন বাংলাদেশ একটি তলাবিহীন ঝুড়ি। তারপর প্রতিশোধের সুযোগ তৈরিতেও বেশি সময় লাগেনি। চুক্তিমত গম বোঝাই বাংলাদেশগামী জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করে দিয়ে দুর্ভিক্ষে খাদ্য সংকট আরো বাড়িয়ে তোলা হয়।

বঙ্গবন্ধু অবস্থা সামাল দিতে সৌদি আরব সহ ইসলামী দেশগুলোর স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষ্যে যোগ দিতে গেলেন পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত ও আই সি সম্মেলনে। গঠন করলেন ইসলামী বোর্ড। কিন্তু এসব কিছুই পরিস্থিতি মোকবেলায় সহায়ক হয়নি। যদিও ইসলামী সম্মেলনে পাকিস্তান না যেতে অনেকেই দ্বিমত প্রকাশ করেছিলেন। যে আওয়ামীকে নিয়ে দেশ গড়বেন তারা চরম দুর্নীতি আর লুটপাঠে আকুণ্ঠ নিমজ্জিত হয়ে পড়লো। লুটপাঠ-দুর্নীতি বন্ধ করতে রক্ষীবাহিনী, আর্মি নামালেন। দেখা গেল যাদের ধরা হচ্ছে তাদের বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। এরই সঙ্গে জাসদ ও তাদের গণবাহিনীর হঠকারী কর্মকান্ড তার সাথে স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের অপ্রপচার ও নাশকতা। মোশতাক চক্রের অশুভ চক্রান্তের সাথে বিদেশী চক্রান্ত এসব মিলে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুর সরকারকে চরম অস্থিতিশী করে তুলে সংকট ঘনীভূত করা হলো।

বাধ্য হন বঙ্গবন্ধু নতুন চিন্তা করতে। সিদ্ধান্ত নেন বাকশাল গঠনের। যুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে নিয়ে তাজউদ্দীন আহমেদ সর্বদলীয় সরকার গঠনের যে চিন্তা করেছিলেন বাকশালের পরিকল্পনা ছিল অনেকটা তারই অনুরূপ। কিন্তু ততক্ষণে অনেক সময় বয়ে গেছে। শত্রু পক্ষ তাদের শেকড় অনেক গভীরে প্রোথিত করে ফেলেছে। নিজের দল আওয়ামী লীগই হয়ে দাঁড়ায় বাকশালের বড় বিপক্ষ। যদিও বাকশালের আদর্শ-উদ্দেশ্য,লক্ষ্য, কর্মসূচী ছিল জনগণের পক্ষে। সব প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু বাকশাল গঠন করলেন। গঠনের পর গভর্নরদের ট্রেনিং চলছে। ট্রেনিং শেষে গভর্নররা ফিরে গেলে নতুন প্রশাসনিক কর্মযজ্ঞ শুরু করবে। ছাত্র-যুবকরা কর্মসূচী বাস্তবায়নে গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে পড়বে। তারপর চক্রান্তের মূলৎপাটনে হাত দেবেন। এরূপ চিন্তাই পোষণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু শত্রুরা মরিয়া হয়ে ওঠে শেষ সুযোগ নিতে।

রবার্ট ক্লাইভ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর হয়ে ব্যবসা করার নামে মীরজাফরের সাথে গোপন আঁতাত করে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে বিশ^াসঘাতকতা করেছিল। সরল মনে নবাব ক্লাইভকে বিশ^াস করেছিলেন। ক্লাইভ সে বিশ^াসের সুযোগ নিয়ে যুদ্ধে পরাজিত নবাবকে হত্যা করা হয়েছিল। বাংলা বিহার উড়িশ্যা তথা বাংলার পতন ঘটেছিল। খন্দকার মোশতাক চক্র তেমনি ফারুক-রসিদ চক্রকে দিয়ে বিজয় অনুষ্ঠানে ট্যাঙ্ক প্রদর্শনের নামে ব্যারাক থেকে ট্যাঙ্ক বের করার অনুমতি চায় বঙ্গবন্ধুর কাছে। বঙ্গবন্ধু সরল বিশ^াসে অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ঘাতকের দল মীরজাফরের ভূমিকায় অবতীর্ন হলো। ঘাতকের দল গভীর রাতে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে সেই ট্যাঙ্ক নিয়ে আক্রমণ করে বিশ^াসঘাতকের দল। কাপুরুষের ন্যায় হত্যা করে বঙ্গবন্ধুকে। স্তব্দ করে দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে চালিত করার অপপ্রয়াস শুরু হয় তার চেতনা ও আদর্শের বিপরীত ধারায়। প্রতিষ্ঠিত করা হয় স্বাধীনতাবিরোধী খুনীচক্রকে। এভাবেই বঙ্গবন্ধু হত্যার পটভূমি তৈরি করা হয়।

পলাশীর মাঠে মীরজাফরের বিশ^াসঘাতকতা উপলব্দি করে প্রতিশোধ নিতে ভারতবর্ষের সময় লেগেছিল দ্ইুশত বছর। পঁচাত্তরে মোশতাক-জিয়া-এরশাদ-খালেদা চক্রের বিশ^াসঘাতকতার প্রতিশোধ নিতে বাঙালির সময় লেগেছে চল্লিশ বছর। যদিও এত সময় লাগার কথা ছিলনা। তারপর আজও স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অর্জন শত্রুপক্ষের কবলমুক্ত নিশ্চিত করে বলা যাবেনা। তথাপি দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, ভুল-ভ্রান্তি, আপোষকামীতা, দুর্বলতা সত্বে খুনীদের বিচার সম্পন্ন হয়েছে, আংশিক শাস্তি কার্যকর হয়েছে। জাতি কলঙ্ক মোচনের দায়বদ্ধতা কিছুটা হলেও করতে পেরেছে।

দুঃখ হয় আজও যখন দেখি নব্য মোশতাক-তাহের ঠাকুর চক্র ক্ষমতার চারপাশে ঘোর ঘোর করছে। ঘৃনা ও করুণা হয় কথিত বঙ্গবন্ধুর অনুসারী পরিচয়দানকারী কিছু ব্যক্তিরা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে অপমানকারী ইনু-রবদের ন্যায় সুবিধাবাদীদের নিয়ে মাতম করতে দেখে। আতঙ্কিত হই যে ইনু ৯১ সালে বিএনপির নমিনেশন না পেয়ে আজ আওয়ামী লীগের মন্ত্রী হতে দেখে। আশঙ্কিত হই কুখ্যাত নূরু রাজাকারের ছেলে প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই মন্ত্রী মোশাররফ ও এমপি দবিরুলদের সরকারের ভাবমুর্তি বিনষ্টের কর্মকারেন্ড প্রধানমন্ত্রীর নীরব ভূমিকা দেখে। শংকিত হই রাজাকারের ছেলে আওয়ামী লীগ এমপি মাহমুদুস সামাদকে দেশবরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক ড. জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে দেখে। ভয় হয় একটি চক্র যখন দেখি সংকীর্ণ ব্যক্তিস্বার্থে খুনী জামাত চক্রকে আওয়ামী লীগের দলে ভীড়াতে দেখে। ভয় হয় যখন দেখি আওয়ামী লীগেরই অঙ্গসংগঠন আওয়ামী উলামা ফরাম ব্লগারদের ধর্মবিরোধী আখ্যায়িত করে মানববন্ধন করতে দেখে। অথচ এদের উত্তরসূরীরাই একসময় বঙ্গবন্ধুর আশেপাশে ভীড় করেছিল। নবাব সিরাজউদৌলাকে হত্যা করতে পলাশীর মাঠে মীরজাফর যেভাবে বিরাট সংখ্যক সৈন্য নিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এরা কেবল নীরব দর্শকই ছিলনা বঙ্গবন্ধুর রক্তের ওপর দিয়ে ঁেহটে ক্ষমতার অংশীদার হয়েছিল। এদেরই উত্তরসুরীরা আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চতুর্দিকে ঘুর ঘুর করছে। এদের সম্পর্কে সতর্ক না হলে আরও একটি পচাত্তরের অশনিসংকেত অপেক্ষা করছেনা একথা নিশ্চিত করে বলা যাবে?

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV