যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে লড়াইকারী দু’কর্মি নাদিয়া ও ডেনিস পেলেন শান্তিতে নোবেল
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : চলমান ‘মি-টু’ আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে নোবেল শান্তি পুরস্কারেও! ২০১৮ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন যুদ্ধক্ষেত্রে ধর্ষণের বিরুদ্ধে কাজ করা নাদিয়া মুরাদ এবং ডেনিস মুকুজে।
নাদিয়া প্রথম ইয়াজিদি নারী হিসেবে পেলেন এ সম্মানজনক পুরস্কার। তিনি ছিলেন আইএস অধ্যুসিত ইরাকের নাগরিক। আর কঙ্গোর নাগরিক ডেনিস মুকুজে পেশায় একজন গায়নোকলোজিস্ট। তিনি যুদ্ধকালীন গণধর্ষণের শিকার হওয়া নারীদের নিয়ে কাজ করেন। ইয়াজিদি নারী নাদিয়া মুরাদ নিজে জঙ্গি সংগঠন আইএস দ্বারা নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। এরপর তিনি এই জঙ্গি সংঠনের দ্বারা পাশবিক নির্যাতনের শিকার হওয়া নারীদের নিয়ে কাজ করা শুরু করেন। একসময় তিনি ইয়াজিদিদের মুক্তির প্রতীকে পরিনত হন। তাকে প্রায় ৩ মাস আইএস এর হাতে যৌনদাসী হিসেবে বন্দী থাকতে হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তিনি বেশ কয়েকবার কেনাবেচার শিকার হন। ২০১৬ সালে কাউন্সিল অব ইউরোপের ভাকলাভ হাভেল মানবাধিকার পুরস্কার পান নাদিয়া মুরাদ। সেবছর তিনি জাতিসংঘের প্রথম সার্ভাইভারস অব হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যাম্বাসেডর নিযুক্ত হন। ডেনিস মুকুজে পেশায় একজন গায়নোকলোজিস্ট। নিজের সহকর্মীদের সাথে মিলে তিনি গৃহযুদ্ধ এবং সংঘাতে ধর্ষণের শিকার হওয়া প্রায় ৩০ হাজার নারীকে চিকিৎসা দিয়েছেন। এ নারীদের প্রায় সকলেই ধর্ষণের সময় ভয়াবহ শারিরীক নির্যাতনের শিকার হয়ে বড় রকমের শারীরিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন। মুকুজে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক পুরস্কার জয় করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে ২০০৮ সালের জাতিসংঘ মানবাধিকার পুরস্কার। ২০০৯ সালে তিনি আফ্রিকান অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের দ্বারা স্থায়ীভাবে নিরাপত্তা পাচ্ছেন। মুকুজে নিজ হাসপাতালেই বসবাস করেন।এ সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য এ বছর ৩৩১ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মনোনয়ন পেয়েছিলো। শুক্রবার নরওয়ের রাজধানী অসলোতে এ পুরস্কার ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। তাদের পুরস্কৃত করার কারণ হিসেবে কমিটির চেয়ারপার্সন বেরিট রেসিস-অ্যান্ডারসন বলেছেন, ‘যৌন সহিংশতাকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার বন্ধের জন্য তারা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করেছেন। এই দুজন এ বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন, এবং এ ধরণের যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে রিতিমত যুদ্ধ করেছেন।’ বিবিসি
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!