শান্তিরক্ষীদের যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রস্তাব পাস
সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নিয়োজিত জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর যৌন নিপীড়নের বর্ধিষ্ণু সমস্যা মোকাবিলায় প্রথমবারের মতো একটি প্রস্তাব পাস করেছে নিরাপত্তা পরিষদ। বেশ কয়েক মাস ধরেই শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা শিশু ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে চাপে রয়েছে জাতিসংঘ। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। খবরে বলা হয়েছে, বিশেষ করে, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে এ ধরনের অভিযোগ বেশি উঠেছে শান্তিরক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে। ২০১৫ সালে এ বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের ৯৯টি অভিযোগ পেয়েছে জাতিসংঘ। এ বছর এখন পর্যন্ত পেয়েছে ২৫টি অভিযোগ। এরই প্রেক্ষিতে একটি প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। সংস্থার মহাসচিব বান কি মুন এ প্রস্তাবের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তার মতে, যৌন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের মারাত্মক ক্ষতি মোকাবিলায় এটি আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তাদের সুরক্ষা ও সহযোগিতারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। নিরাপত্তা পরিষদে ১৪-০ ভোটে প্রস্তাবটি পাস হয়েছে। মিশর শেষ মুহূর্তে একটি সংশোধনীর প্রস্তাব দিলেও সেটি আমলে নেয়া হয়নি। ফলে দেশটি ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে। অন্য দেশগুলোর যুক্তি ওই সংশোধনী প্রয়োগ করা হলে মূল প্রস্তাবের ভাষা অনেক কম কঠোর দেখাতো। আমেরিকার প্রস্তুতকৃত খসড়া প্রস্তাবনায় বান কি মুনের সংস্কার প্রস্তাবকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। ব্যাপক ভিত্তিতে অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ বা সামরিক ইউনিটটিকে প্রত্যাহার করারও কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবে। এছাড়া, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে তদন্ত করা না হলে বা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে কিংবা মহাসচিবকে তদন্তের অবস্থা সমপর্কে অবহিত করা না হলে, পুরো কন্টিনজেন্ট পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে এ তিনটি ক্ষেত্রের যেকোন একটির ব্যত্যয় ঘটলে কন্টিনজেন্টকে দেশে পাঠানোর ক্ষমতা রয়েছে মহাসচিবের। কিন্তু মিশরের সংশোধনীতে এ তিনটি শর্তই পূরণের বাধ্যবাধকতা ছিল। এতে রাজি হয়নি বেশিরভাগ দেশ। প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, অভিযুক্ত সৈন্য বা পুলিশ কর্মকর্তার নিজ দেশের ওপরই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনের সবচেয়ে বড় আর্থিক দাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি কিছুদিন আগে জানিয়েছিল, জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাবান সংস্থার উচিত এ সমস্যার মোকাবিলায় একটি কড়া বার্তা পাঠানো। এরপরই এ প্রস্তাব পাস হলো।
তবে রাশিয়া ও মিশর সহ কয়েকটি দেশের যুক্তি ছিল, পুরো কন্টিনজেন্টকে দেশে পাঠানো হলে কয়েকজনের অপরাধের জন্য অনেককে শাস্তি দেয়া হয়ে যাবে। দেশ দু’টি এ প্রস্তাবনা সাধারণ পরিষদে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সাধারণ পরিষদে পাস হওয়া কোনো প্রস্তাব আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। পক্ষান্তরে নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দেশের জন্য বাধ্যতামূলক। মানবজমিন
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!