Saturday, 24 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

শিরোনাম ফ্রি পাবে না গুগল

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 147 বার

প্রকাশিত: September 2, 2012 | 6:34 PM

গুগল নিউজের সঙ্গে সবাই কমবেশি পরিচিত। সার্চ জায়ান্ট গুগলের নিউজ ওয়েবসাইটটি দেখতে আসলে কোনো পত্রিকার প্রচ্ছদের মতো নয়। এই ওয়েবসাইটে সাধারণত বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত সংবাদের শিরোনাম এবং ছবি প্রকাশ করা হয়। এসব শিরোনাম বা ছবি বিভিন্ন সংবাদ ওয়েবসাইট থেকে নিতে হয়। এরপর সেসব শিরোনাম বা ছবিতে ক্লিক করলে তৃতীয় ওয়েবসাইটটিতে সেটি দেখা যায়। গুগল ছাড়াও আরও অনেক ওয়েবসাইট এ ধরনের সংবাদ পরিবেশনের সেবা প্রদান করে থাকে। তবে এই সেবা নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। বিশেষ করে যেসব পত্রিকার সংবাদ শিরোনাম এভাবে প্রদর্শিত হয়, তারা এভাবে আর্থিকভাবে লাভবান হন না। জার্মান সরকার এ বিষয়টি বিবেচনায় এনে বুধবার একটি আইন অনুমোদন করেছে। এ আইনের আওতায় গুগলের মতো ‘নিউজ এগ্রিগেটর’ ওয়েবসাইটগুলোকে অন্যান্য পত্রিকার সংবাদ শিরোনাম প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্টদের অর্থ দিতে হবে। গুগল জার্মান সরকারের এই উদ্যোগের সমালোচনা করেছে। তারা এই আইন প্রকাশের দিনকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং আশা প্রকাশ করে বলেছে, জার্মান সংসদের নিম্নকক্ষ বুন্ডেসটাগ-এর উচিত হবে এই আইন বাতিল করে দেয়া। গুগল জার্মানির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইন্টারনেটে এ ধরনের হস্তক্ষেপ পৃথিবীতে এই প্রথম। এর ফলে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংবাদ পাওয়ার ক্ষেত্র কমে যাবে বলেও দাবি করেন গুগল মুখপাত্র। তবে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জাকারিয়া স্বপন মনে করেন, এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়বেন না। ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ক্ষতির মুখে পড়বেন না। তার কারণ হচ্ছে, যে নিউজগুলো যেখান থেকে পড়া দরকার, মানুষ সেখান থেকেই পড়বে। জার্মান সরকারের আইনে কার্যত কপিরাইট বিষয়ে একটি নতুন ধারা সৃষ্টি করা হয়েছে। এতে করে সংবাদমাধ্যমগুলো তাদের শিরোনামও বিক্রির সুযোগ পাবে। জার্মান সরকারের মুখপাত্র স্টেফেন সাইবার্ট এ বিষয়ে বলেন, এই বিল শুধু বাণিজ্যিক সংবাদ পোর্টালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তার মানে হচ্ছে ব্লগাররা, অলাভজনক সংস্থাগুলো, আইনজীবীরা এবং ভোক্তারা সংবাদ শিরোনাম উদ্ধৃত করে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে পারবে এবং এক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। তবে এই আইন প্রয়োগের আগে জার্মান সংসদ বুন্ডেসটাগ-এর চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন হবে। ওয়েবপোর্টাল প্রিয় ডটকম-এর প্রতিষ্ঠাতা জাকারিয়া স্বপন মনে করেন, জার্মান সরকারের মতো বিশ্বের অন্যান্য দেশের সরকারেরও এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। তিনি বলেন, অনলাইন পত্রিকাগুলো একটি ‘বিজনেস মডেল’ তৈরির চেষ্টা করছে; যাতে করে তারা একটি টেকসই অবস্থায় পৌঁছাতে পারে এবং সে অবস্থায় পৌঁছাতে গেলে এ ধরনের কার্যক্রমগুলোকে সমর্থন করতে হবে। আমি বলতে চাচ্ছি, জার্মানি এবং অন্যান্য দেশ যে নিয়মের মধ্যে আসছে, যে গুগল অন্যান্য সাইটকে অর্থ দেবে—এই ‘ইকো সিস্টেম’ সমর্থন করতে হবে। কয়েক বছর ধরেই ইউরোপে গুগলের মতো নিউজ ওয়েবসাইটগুলোর সঙ্গে মূলধারার সংবাদপত্রের বিরোধ চলছে। ২০০৭ সালে বেলজিয়ামের আদালত সেদেশের সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের প্রথম লাইনে গুগলের নিউজ সাইটে প্রকাশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ২০০৫ সালে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি দাবি করে, গুগল অবৈধভাবে তাদের সংবাদ এবং ছবি সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করছে। এই ‘অবৈধ’ কর্মকাণ্ড বন্ধে মামলাও করে সংবাদ সংস্থাটি। দু’বছর পর অবশ্য গুগল এবং এএফপি বিষয়টি মীমাংসা করে ফেলে। প্র্রসঙ্গত, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটেও এই বিলের সমালোচনা করেছেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। তবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করায় গণমাধ্যমগুলো অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের কেবিনেটের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ