Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

শুল্কমুক্ত সুবিধা কমাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 68 বার

প্রকাশিত: May 17, 2013 | 3:59 PM

ডেস্ক: সামপ্রতিক সময়ে পোশাকশিল্প খাতে ভয়াবহ কয়েকটি দুর্ঘটনার জের ধরে বাংলাদেশ থেকে তৈরী পোশাক আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা কমাতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ওবামা প্রশাসন। ওয়াশিংটন পোস্ট গতকাল ‘ইউএস মে স্ট্রিপ বাংলাদেশ অব টেরিফ ব্রেকস’ শীর্ষক এক  রিপোর্টে বলেছে বাংলাদেশে শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করার জন্য চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নিতে পারে ওবামা প্রশাসন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশের একটি তৈরী পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কমপক্ষে ১১২ জন নিহত হওয়ার পর আমদানি শুল্ক-সুবিধা কমানোর তৎপরতা শুরু করা হয়েছিল। সাভারে ভবন ধসে এক হাজার ১০০ জনেরও বেশি ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় বিষয়টি এখন আরও ত্বরান্বিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সাভারের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর ব্যবসায়ী, শ্রম সংগঠন ও পোশাক কর্মীদের অধিকারের দাবিতে কর্মরত পক্ষগুলো তৈরী পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে থাকা দেশ বাংলাদেশের কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতির জন্য সোচ্চার হয়েছে। কাজের পরিবেশ পরিদর্শনের জন্য প্রকল্প চালুর বিষয়ে সম্মত হয়েছে ইউরোপের অধিকাংশ দেশ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট এতে পিছু হটেছে। এমন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার একদল সিনেটর যুক্তরাষ্ট্রের বড় পোশাক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি উৎপাদনকারী দেশের কারখানার কর্মপরিবেশ নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে তদারকির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। ওবামা প্রশাসনও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ ব্যাপারে যুক্ত করতে চাইছে বলে ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম মন্ত্রণালয় এবং মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকেও তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। মার্কিন শ্রম কর্মকর্তারা বাংলাদেশের সরকারের বর্তমান দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত বলে পরিচিত ফ্যাক্টরি পরিদর্শন সিস্টেমের উন্নয়নে আর্থিক সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে। এদিকে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিরা বাংলাদশ থেকে পোশাক আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধার তালিকা থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার ব্যাপারে অগ্রসর হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন বাংলাদেশের শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করতে চাপ দিয়ে কাজ না হওযায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। তবে সামপ্রতিক দুর্ঘটনার কারণে বিষয়টি আরও জোরদার হয়েছে। বাংলাদেশকে শুল্কমুক্তি সুবিধার তালিকা থেকে বাদ দিতে শ্রম সংগঠনের অনুরোধ বেশ কয়েক বছর ধরেই স্থগিত করে রাখা হয়েছিল। তবে ফেডারেল রেজিস্ট্রারে প্রকাশিত এক নথিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিরা বলেছেন শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়টি উন্নয়নের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার কোন অগ্রগতি না ঘটানোর কারণেই শুল্কমুক্ত সুবিধার তালিকা থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের নজরে এসেছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয় ওয়াশিংটনের শীর্ষ বাংলাদেশী কর্মকর্তারা গত সপ্তাহে এ ব্যাপারে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন এক বাণিজ্য কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়েছে ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা এ ব্যাপারে আর অগ্রসর হব না। এবার আমাদেরকে নাটকীয় কিছু একটা করতে হবে।  মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদের কাছে দেয়া নথিতে বাংলাদেশ সরকার গার্মেন্ট শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটায় এটাকে ঠিক মতো সামাল দেয়ার ক্ষেত্রে নিজের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছে। বিশ্লষকরা বলছেন, বাংলাদেশকে শুল্ক সুবিধা থেকে বাদ দেয়ার মাধ্যমে দরিদ্র দেশের গার্মেন্ট শিল্পকে এক ধরনের কড়া বার্তা দেয়া হবে। এ  ধরনের শক্ত পদক্ষেপ না নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা বলছেন, এ ধরনের কঠিন পদক্ষেপের ফলে বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং এর চরম শিকার হবেন সাধারণ কর্মীরা। তারা বেকার হয়ে পড়বেন। সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভলপমেন্টের সিনিয়র ফেলো কিম্বার্লি ইলিয়ট বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতীকী কারণে এ সুবিধা হারাতে চায় না। বাণিজ্য বন্ধ হলে কোন লাভ হবে না। এর ফলে ৩০ থেকে ৪০ লাখ কর্মী তাদের কাজের সুযোগ হারাবেন। তবে অক্সফাম আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশে ফোর্ড ফাউন্ডেশনের সাবেক প্রতিনিধি রেমন্ড সি অফেনহেইসার স্বীকার করেন, অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সীমাবদ্ধতা ও নেতিবাচক দিক থাকলেও এটি বিপুলসংখ্যক নারীর ক্ষমতায়তনে ভূমিকা রেখেছে।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV