সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন: আগামী সপ্তাহেই পিতৃভূমিতে যাচ্ছেন ওবামা
বাংলা প্রেস, নিউইয়র্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর পিতৃভূমি কেনিয়া সফরের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। প্রেসিডেন্টকে বরণ করতে কেনিয়াতেও চলছে সাজ সাজ রব। সেখানে মার্কিন পতাকা বিক্রির ধুম পড়েছে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ১৯৯৫ সালে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করার সময়টাকে তার স্মৃতিকথায় লিখেছেন, ‘আমি যে ব্যথাটা অনুভব করছি, সেটা আমার বাবার ব্যথা। আমার যা প্রশ্ন তা আমার ভাইদেরও প্রশ্ন। তাদের জীবন সংগ্রাম এবং জন্মাধিকার।’ এভাবে তিনি প্রতিনিয়ত যা স্মরণ করেন, পিতার সেই ঠিকানায় আগামী সপ্তাহে যাচ্ছেন তিনি। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস।
ব্রিটেনের প্রভাবশালী দৈনিক দি গার্ডিয়ান ওবামার কেনিয়া সফরকে জেএফকের সঙ্গে তুলনা করে লিখেছে, এ যেন জেএফকের আয়ারল্যান্ড ফিরে যাওয়া। পূর্ব আফ্রিকার এই দেশটি সবচেয়ে বেশি মার্কিন সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকে। তবে সোমালিয়া থেকে আসা আল-শাবাব সন্ত্রাসী গ্রুপের নানা আগ্রাসনে দেশটি প্রায় জর্জরিত। তাই বারাক ওবামার সফরকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে উচ্চতর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রশ্ন হচ্ছে, পিতার দেশ কেনিয়া সফরের সময় সেখানে তিনি আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দেখা করবেন কিনা এবং তার আত্মীয় কারা কারাই বা বেঁচে আছেন। শুধু এক প্রজন্মের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পরিবার পিতৃভূমি কেনিয়ার একটি সাধারণ গ্রাম থেকে হোয়াইট হাউজে পৌঁছে গেছে। প্রেসিডেন্টের দাদা হোসেইন ওনিয়ানগো ওবামা পশ্চিম কেনিয়ার কেন্দু বেতে ১৮৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
যদিও তার কগেলো গ্রামের কবরস্থানে লেখা আছে ১৮৭০ সালের কথা। তিনি যখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তখন তার নামের সঙ্গে যুক্ত হয় হোসেইন। সেই সময় অর্থাৎ প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশকালে আফ্রিকান রাইফেলসের রাজার পোর্টার হিসেবে কাজ করতেন। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় কাজ করেছেন একজন ব্রিটিশ অফিসারের পাচক হিসেবে। ওবামার পিতা বারাক ওবামা সিনিয়র জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৬ সালে। কেনিয়া যখন ১৯৬৩ সালে স্বাধীনতা লাভ করে তখন বারাক ওবামা সিনিয়র বেশ বড় হয়েছেন। হোসেইনের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন আকুমু। হোসেইনের তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন সারাহ ওনিয়াগো ওবামা। কেনিয়াতে প্রেসিডেন্ট ওবামার যেসব আত্মীয়স্বজন বেঁচে আছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ হলেন সারাহ। ওবামা তাকে ‘গ্রেনী’ বলে ডাকে। এটা হলো দাদীমার কথ্য রুপ।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!