সঙ্কটের মধ্য দিয়েই চলছে ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক সম্পর্ক বিভাগ : বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের পদ খালি হচ্ছে, নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : সঙ্কটের মধ্য দিয়েই চলছে ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক সম্পর্ক বিভাগ। অস্থিতিশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যে একের পর এক খালি হচ্ছে বিভিন্ন দেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পূর্ববর্তী রাষ্ট্রদূতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। আবার হোয়াইট হাউস মনোয়ন দিলেও তা সিনেটে আটকে যাচ্ছে। অন্যদিকে, প্রশাসনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে স্বেচ্ছা অবসরে যাচ্ছেন অনেকে। এমন সঙ্কটের মধ্য দিয়েই চলছে ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক সম্পর্ক বিভাগ। এ খবর দিয়েছে সিএনএন।
খবরে বলা হয়, সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শিক্ষাবিদ ভিক্টর চা’কে নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্র। উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে হোয়াইট হাউসের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ায় ভিক্টর চা’কে নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে আসে কর্তৃপক্ষ। এতে পূর্ববর্তী রাষ্ট্রদূতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ওই পদটি খালিই থেকে যাবে। শুধু দক্ষিণ কোরিয়াই না, কয়েকটি ঘনিষ্ট মিত্র দেশেও নিজেদের প্রতিনিধি নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্যে রয়েছে জর্ডান, তুরস্ক ও সৌদি আরব। বর্তমানে প্রায় ৩০ টি দেশে নিয়োগ করার জন্য কোনো মনোনীত প্রার্থীই নেই। আর ৭টি দেশে রাষ্ট্রদূত মনোনিত করা হলেও তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়নি মার্কিন সিনেট। শুধু রাষ্ট্রদূতই না, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনেও প্রতিনিধি নিয়োগ করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী অস্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ ৩০০ দিন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেয়ার পর ৩৭০ দিন অতিক্রান্ত হয়েছে। বিভিন্ন দেশে অস্থায়ীভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসব কর্মকর্তাদেরও মেয়াদ শেষ হয়েছে বা দ্রুতই শেষ হবে। দেশের বাইরে নতুন করে বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। দায়িত্ব গ্রহণ করে ট্রাম্প কেটি ম্যাকফারল্যান্ডকে সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। তবে যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার নিয়োগ আটকে দেয় মার্কিন সিনেট। এছাড়া, আগামী মাসগুলোতে কয়েকজন রাষ্ট্রদূতের অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে মার্চের পরে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পানামায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন ফিলি। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা নিয়োগ দিতেও পূর্বের তুলনায় অধিক সময় নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রথম বছরে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করার জন্য প্রতিনিধি হিসেবে ৮১ জনকে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। অথচ পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টট বারাক ওবামা তার শাসনামলের প্রথম বছরে ১২৮ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন।
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের