Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

সুস্থির হতে গিয়ে অস্থির হয়ে পড়বেন যে ৩টি কারণে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 101 বার

প্রকাশিত: May 16, 2014 | 10:27 PM

জীবনযাপনের সবটাই মানসকি চাপ আর দুশ্চিন্তায় ভরা। এর মধ্যেও মানুষ কিন্তু ভালো থাকে এবং জীবনটাকে বয়ে নিয়ে চলে।  গ্রীষ্মের খরতাপ, রাস্তায় যানজট আর অফিস-বাড়ির সমস্যায় জর্জরিত থাকাটাই আমাদের মানসিক চাপের যতো কারণ। তাই এসব থেকে মুক্তি পেলেই মনে হয় জীবনে শান্তি আসবে। কিন্তু আসবে কি? এ সবকিছু ঠিক হয়ে গেলেও আমাদের ভেতরটা কি ঠিক আছে? আসলে বাইরের দুনিয়ার এসব চাপের প্রতিক্রিয়ায় আমাদের ভিতরটা কীভাবে কাজ করে তাই আসল বিষয়। জীবনে যতো বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া হয়, মানুষ ভাবে ততোই এসব চাপ থেকে মুক্তি ঘটতে থাকবে। এভাবে এক সময় অবসর মিলবে, সেইসঙ্গে মিলবে শান্তি। কিন্তু এতে মানুষের জীবন দুশ্চিন্তামুক্ত বা উপভোগ্য হয়ে ওঠে না। বরং তা আরো অবনতির দিকে যেতে পারে। এখানে বিশেষজ্ঞের ব্যাখ্যা দেওয়া হলো, কীভাবে মানুষ স্থিত হওয়ার পরিবর্তে আরো বেশি অস্থির হয়ে পড়ে।
ভালো লাগার বিষয়গুলোর কী হবে? ছোট থেকে বড় হওয়ার পথে আমরা কতো কিছুই না করি। এর প্রতিটি ক্ষেত্রে মিশে থাকে ব্যস্ততার সঙ্গে ভালো লাগা। ভাবুন যখন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার দিন থাকবে না, হোমওয়ার্ক না করার কারণে শিক্ষকের বকুনি খাওয়ার ভয় থাকবে না এবং কলেজ পালিয়ে প্রেম করার বিষয়গুলোও থাকবে না, তখন আপনার উপভোগ্য ঘটনা কোনগুলো হবে। আমাদের এসব কাজের দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপের বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে তার মোকাবেলায় যেভাবে রুখে দাঁড়াই আমরা, সেখানেই জীবনের তৃপ্তি এবং রোমাঞ্চকর অনুভূতি। মূলত যতো বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, আপনি ততোই জীবনের এসব উপভোগ্য বিষয় থেকে দূরে সরে পড়ছেন। তাই এক সময়ের অবসরের শান্তি চরম বিরক্তি এবং মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এ সকল যাবতীয় অশান্তির কারণ আপনার মধ্যেই লুকিয়ে এবং তার প্রধান তিনটি কারণ জেনে নিন।
১. অনেক কিছুকেই সময়ের অপচয় মনে করেন
দীর্ঘ রাস্তা পাড়ি দিয়ে বাড়িতে কেনো যান, যদি রাস্তার পাশে হোটেলেই খেয়ে নিতে পারেন? একটু রিল্যাক্স হওয়ার জন্য কেনো একাকী তিরিশ মিনিট হাঁটতে বের হন, যদি তা বাড়িতে দ্রুত পৌঁছনোর কাজে ব্যয় না করে? আমরা সময় বাঁচানোর জন্য নিজেকে কম সময় দিই। কিন্তু বিষয়টি এভাবে ঘটে না। সময়ই অর্থ এবং এ দুটোকে আপনি বেঁধে রাখতে পারবেন না। খরচ করতেই হবে। কাজেই সুষ্ঠুভাবে তা খরচ করুন।
২. সকল চিন্তা ভবিষ্যত নিয়ে
যদিও আমরা জানি না আগামীকাল কী ঘটতে যাচ্ছে, দূর ভবিষ্যত নিয়েই আমাদের যতো পরিকল্পনা। অথচ আপনি যদি বর্তমানকে হারিয়ে ফেলেন তাহলে ভবিষ্যতে যাবেন কীভাবে? বেঁচে থাকার প্রবণতা এবং পারিপার্শ্বিকতার প্রভাবে মানব জাতির তার ভবিষ্যত নিয়েই চিন্তা করতে অভ্যস্ত। অথচ বর্তমানের সময়টি কীভাবে যাচ্ছে এবং বহমান সময়টি আমরা উপভোগ করতে পারছি কিনা তা অধরাই থেকে যায়। এবাবে বর্তমানের সুখ থেকে দূরে থাকার ফলে ভবিষ্যতকেও অন্ধকার বলে মনে হয়।
৩. আপনি রক্ষণশীল থেকে যুদ্ধ করতে চান
বর্তমান সময় অর্থ-সম্পদের প্রয়োজন অনুভব করে মন। এর যেহেতু অভাব রয়েছে, কাজেই তা জীবনে যথেষ্ট পরিমাণ দরকার নেই মেনে নিয়ে এর পথ বন্ধ করে দিতে চান আপনি। এ ক্ষেত্রে ভেবে নেওয়া হয় যে, চাহিদা ও অভাব আপনাকে আরো বেশি হতাশ ও বিষণ্ন করে দেবে। অর্থাৎ রক্ষণশীল হওয়ার পরও আপনি সেই অশান্তিতেই ভুগছেন। মানসিক চাপ ডেকে আনার চেয়ে তাকে আটকে রাখার ফলাফল আরো বেশি ভয়ঙ্কর হয়।
তাই এসব দুয়ার খুলে দিন। অভাবের বিপরীতে চাহিদাকে প্রশ্রয় দিন। একে নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করুন। কাজ করতে গিয়ে যে ধরনের চাপের মুখে পড়ি আমরা, তার অধিকাংশকে হটিয়ে দেওয়া যা একটু মেডিটেশন করে, গভীর নিঃশ্বাস নিয়ে আর ঘোরাফেরার মাধ্যমেই আমরা এ থেকে মুক্তি পেতে পারি। কিন্তু এই এড়িয়ে যাওয়া মানসিক চাপ সামলানো যায়া না কোনোভাবেই। সূত্র : হাফিংটন পোস্ট/কালের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV