Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

সৃষ্টিকর্তার প্রথম নির্দেশ ‘পড়ো’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 121 বার

প্রকাশিত: July 22, 2018 | 11:27 PM

আব্দুল্লাহ আল মামুন: পবিত্র কোরআনের সুরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াতে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘পড়, তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। মানুষকে তিনি সৃষ্টি করেছেন রক্তপিণ্ড থেকে। পড়, তোমার মহিমান্বিত প্রতিপালকের নামে, কলমের সাহায্যে যিনি জ্ঞান দান করেছেন। মানুষকে শিখিয়েছেন, যা সে জানত না।’

কোরআন নাজিলের ধারাক্রম অনুযায়ী সুরা আলাক নাজিল হওয়া প্রথম সুরা এবং এই সুরার ১-৫নং আয়াত নাজিল হওয়া প্রথম আয়াত। সুতরাং এ কথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়, সুরা আলাকের প্রথম আয়াতের প্রথম শব্দটির মাধ্যমে আল্লাহ মহান তার বান্দার প্রতি ‘প্রথম ঐশী নির্দেশ’ প্রদান করেছেন। আর সেটা হলো, ‘পড়’। পড়ার অর্থ হলো অধ্যয়ন করা। অধ্যয়ন করা মানে গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করা। সুতরাং ইসলামের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জ্ঞান। যাকে ইসলামী পরিভাষায় ‘ইলম’ বলা হয়। যেহেতু এই আয়াতটি নাজিলের মাধ্যমে রসুল (সা.)-এর নবুয়তি জীবনের সূচনা ঘটেছে, তার মানে হলো জ্ঞানার্জনের নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমেই রসুলকে (সা.) নবুয়ত দান করা হয়েছিল।

ইসলামে ইলম বা জ্ঞান অর্জনের গুরুত্ব অপরিসীম। হাদিসের ভাষ্য হলো, প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর ওপর জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক (ইবনে মাজাহ)। ইসলামী পরিভাষায় কোরআন-হাদিসের জ্ঞানকে ‘ইলম’ বলা হলেও জাগতিক ও দ্বীনি জ্ঞানের মধ্যে কোনো পার্থক্যের রেখা টানেনি ইসলাম। প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর ওপর কোরআন-হাদিসের ‘ইলম’ শিক্ষা করা ফরজ হওয়ার মানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্য কোনো শাখায় ব্যুৎপত্তি অর্জন করা নিষেধ বা নিন্দনীয় নয়। বরং জ্ঞানার্জনকে ইসলাম সর্বাবস্থায় উৎসাহিত করেছে। এমনকি জ্ঞানার্জনকে ইবাদত গণ্য করা হয়েছে। আল্লাহতায়ালা প্রথম মানুষ হজরত আদমকে (আ.) সর্বপ্রথম জ্ঞান দান করেছেন। কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আল্লাহ আদমকে সব বস্তুর নাম শিক্ষা দেন’ (বাকারা, আয়াত-৩১)।

অজ্ঞতার বিরুদ্ধে ইসলামই সর্বপ্রথম যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। মানবজাতির মহান শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া মহানবী (সা.) নবুয়ত লাভের পর ‘কাবা শরিফ’কে সর্বপ্রথম শিক্ষায়তন হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এরপর মক্কা নগরীর সাফা পাহাড়ের পাদদেশে আরকাম বিন আবুল আরকামের বাড়িতে ‘দারুল আরকাম’ নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। সুতরাং আল্লাহর খাঁটি বান্দা হতে চাইলে, রসুলের (সা.) সত্য অনুসারী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে চাইলে জ্ঞানার্জনের কোনো বিকল্প নেই।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV