স্পিকারের বক্তব্য আমাকে বিস্মিত করেছে-সোহেল তাজ

নিউজ ওয়ার্ল্ড, নিউ ইয়র্ক : পদত্যাগী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ বলেছেন, একজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালনে অপারগতার জন্য বাধ্য হয়ে আমি মন্ত্রিত্ব ও সংসদ সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছি। সংসদ থেকে পদত্যাগের আগে আমি নিজে দু’বার স্পিকারের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি নিজে জানেন, আমি পদত্যাগপত্র দিয়েছি। মনে করেছিলাম নিরপেক্ষ সর্বজনীন ব্যক্তি হিসেবে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। কিন্তু উনার বক্তব্য আমাকে বিস্মিত ও স্তম্ভিত করেছে। তিনি বলেন, মন্ত্রিত্ব ও সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের পরও আমাকে নিয়ে টানাহেঁচড়ার কোন কারণ নেই। দায়িত্ব পালনে অপারগতার জন্য রাজনীতি থেকে বেরিয়ে গেছি। এখন জোর করে দায়িত্বে চাপিয়ে রাখার প্রয়াসকে আমি সংবিধান ও মানবাধিকার বিরোধী বলে মনে করি।
সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগের পরও এটা গৃহীত না হওয়া সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে গতকাল ভোরে বার্তা সংস্থা নিউজ ওয়ার্ল্ডকে সোহেল তাজ বলেন, দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করা আমার স্বাধীনতার বিষয়। স্বেচ্ছায় সিদ্ধান্ত নেয়া একজন মানুষের মৌলিক অধিকার। এখন আমাকে যে অবস্থায় ফেলা হয়েছে তা মৌলিক মানবাধিকার পরিপন্থি। আমি অনুরোধ করবো আমার অধিকার নিয়ে যেন খেলা করা না হয়। এটা কারও জন্যই কল্যাণকর হবে না। আমি রাজনীতি থেকে বেরিয়ে গেছি। এখন আমার পদত্যাগকে ঝুলিয়ে রেখে হয়রানি করার কোন অর্থ হয় না। আমার দৃষ্টিতে এটা সম্পূর্ণভাবে সংবিধান বিরোধী। কারণ, দায়িত্ব পালনে আমি অপারগ। বেতন-ভাতা আমি নেবো না। এরপরও কেন আমাকে বেতন-ভাতা দেয়া হবে? এটা তো কারও ব্যক্তিগত অর্থ নয়, যে চাইলেই যে কাউকে দিয়ে দিতে পারেন।
সোহেল তাজ বলেন, ২০০৯ সালের ৩১শে জুলাই আমি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করি। ২০১১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত আমার বেতন-ভাতা বন্ধ ছিল। এরপর হঠাৎ করে আমার একাউন্টে বকেয়াসহ সব অর্থ জমা দেয়া হয়। বিষয়টি জানার পর আমি নিজে বিস্মিত হয়েছি। কারণ, দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের পর কেন আমি জনগণের অর্থ নেবো? নৈতিকতার কোন সংজ্ঞায় এটাকে ফেলা যাবে না।
তিনি বলেন, তিন বছর হলো মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছি। বিদেশে থেকে কাজ করি। আমাকে জোর করে দায়িত্বে রাখা হবে- এটা কি ছেলেখেলা? জোর করে কারও মন্ত্রিত্ব বা সংসদ সদস্যপদ টিকিয়ে রাখা সংবিধান বিরোধী। আমি নিজে বলছি, দায়িত্ব পালন করতে পারছি না। তারপরও আমাকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
সোহেল তাজ বলেন, আমার মা অসুস্থ। কিন্তু আমাকে সাধারণ পাসপোর্ট না দেয়ার কারণে তাকে দেখতে দেশে যেতে পারছি না। পদত্যাগ করার পর আমি সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। কিন্তু সেটাও গ্রাহ্য করা হচ্ছে না। পদত্যাগ করার পর কূটনৈতিক পাসপোর্ট ব্যবহারের নৈতিক অধিকার আমার নেই। সেটাও সরকারকে বলেছি। কিন্তু কেউ তাতে কর্ণপাত করছেন না। এ অবস্থায় অনেকটা আটকা পড়া অবস্থায় আছি। ১৪ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছি। চাইলে যে কোন সময় আমেরিকান পাসপোর্ট নিতে পারতাম। কিন্তু দেশের জন্য কাজ করার অভিপ্রায়ে সেটা নিইনি।
সোহেল তাজ বলেন, আমাকে যতই চাপ দেয়া হোক তাতে কাজ হবে না। আমি বেতন-ভাতা নেবো না। এটা সম্পূর্ণ অনৈতিক। লিখিত ও মৌখিকভাবে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানোর পরও এই আচরণের হেতু বুঝতে আমি অপারগ।
সোহেল তাজ বলেন, একদিকে জোর করে মন্ত্রিত্ব চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে- অন্যদিকে কিছুদিন আগে বিনা কারণে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে আমার ভাগ্নে। কার নির্দেশে, কোন উদ্দেশ্যে এসব হচ্ছে এটা জানতে চাই আমরা। এমন কি অপরাধ করেছি যাতে আমার আত্মীয়স্বজনরা পর্যন্ত নির্যাতনের শিকার হলো?
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’