Monday, 7 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations
সব ক্যাটাগরি

স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকাই কি বিয়ে?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 65 বার

প্রকাশিত: August 11, 2013 | 3:05 AM

বদলে যাচ্ছে বিয়ের সংজ্ঞা। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দীর্ঘদিন বসবাসকেও বিয়ের স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে। এমনকি কোন কোন দেশের আদালত সমলিঙ্গের বিয়েকেও স্বীকৃতি দিচ্ছে। যদিও এ নিয়ে সারা দুনিয়াতেই বিতর্ক রয়েছে। তবে বিপরীত চিত্রও আছে। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রেমের বিচ্ছেদের পর প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়েরের ঘটনাও ঘটছে। সম্প্রতি ভারতের আদালতের এ নিয়ে দেয়া এক রায় আলোচিত হচ্ছে নানা স্থানে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের দেয়া এক রায়েও মন্তব্য করা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসবাস করলে ধরে নিতে হবে এতে বিয়ের অস্তিত্ব বিদ্যমান। মমতাজ বেগম বনাম আনোয়ার হোসেন মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক বিচারপতি এ মন্তব্য করেন। ওই বিচারপতি মন্তব্য করেন, মুসলিম নর ও নারী যদি স্বামী ও স্ত্রীর পরিচয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করেন তবে প্রত্যক্ষ কোন প্রমান ছাড়াই তাদের বিয়ের বৈধতা অনুমান করা যায়।
সম্প্রতি ভারতের বোম্বে হাইকোর্টের এক রায়ে বলা হয়, প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর প্রেমিকা যদি প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ধর্ষণের অভিযোগে সাজা পাওয়া বোরিভালির অধিবাসী মানেশ কোটিয়ানের আপিলের রায়ে হাইকোর্টের বিচারপতি সাধনা যাদব এ রায় দেন।
মানেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বিচারপতি যাদব বলেন, মামলার জেরায় এটি প্রমাণিত হয়েছে এবং বাদী স্বীকার করেছেন যে, তাঁর সঙ্গে মানেশ কোটিয়ানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এবং তিনি (বাদী) মানেশকে বিয়েও করতে চেয়েছিলেন। এ অবস্থায় ভারতীয় প্যানেল কোডের ৩৭৬ ধারায় করা অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য।
আদালত জানান, অভিযুক্তের অপরাধ হলো, তিনি ওই নারীকে প্রস্তাব দিয়েছেন। অভিযোগকারী একজন শিক্ষিত ও বয়োপ্রাপ্ত নারী। মানেশ কী কারণে তাঁর প্রতি অনুরক্ত হয়েছেন, তা তিনি ঠিক ঠিক বুঝতে পেরেছেন। এর পরও তিনি তাঁর সঙ্গে গোরাই এলাকায় ঘুরতে যেতে সম্মত হন। তাঁর (মানেশের) জন্মদিন পালনের জন্য তিনি তাঁর সঙ্গে একটি হোটেলেও ওঠেন। এরপর যা হয়েছে, সে ব্যাপারেও তিনি পুরোপুরি সজাগ ছিলেন।
বিচারপতি আরও বলেন, ওই সময়ে তিনি কারও সাহায্যে চেয়েও চিৎকার করেননি এবং মানেশের বিরুদ্ধে কোন ধরনের প্রতিরোধের চেষ্টা করেননি। কোনো ধরনের ভীতি প্রদর্শন, ওষুধ খাইয়ে সম্মোহিত করে, জোরপূর্বক বাধ্য করা বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত করারও প্রমান পাওয়া যায়নি। তবে হাইকোর্ট মানেশের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগকে সঠিক বলে উল্লেখ করেন। এর আগে নিম্ন আদালত মানেশকে যেসব অভিযোগে সাত বছর শাস্তি দিয়েছিল সেগুলোর অন্যতম ছিল প্রতারণা।
আদালত জানান, মানেশ ওই নারীকে জানাননি যে তিনি বিবাহিত ও তাঁর সন্তানাদি আছে। তাই তিনি প্রতারণা করেছেন। তাই তিন বছর আগে থেকে কারাভোগ করা মানেশের সাজা কমিয়ে তিন বছর করে দেন আদালত এবং তাঁকে মুক্তির নির্দেশ দেন।
এ মামলার শুরু ২০১০ সালের মার্চে। সে সময় বাদী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তিনি মানেশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। বোরিভলির একটি স্টেশনারি দোকানে কাজ করার সময় তাঁদের পরিচয়। ২০০৯ সালের নভেম্বরে মানেশের জন্মদিন উদযাপনের জন্য তাঁরা দুজনে গোরাই যান। সে সময় মানেশ ওই নারীর সঙ্গে জোর করে সঙ্গম করেছেন বলে দাবি করেছিলেন মামলার বাদী। ২০১২ সালে একটি সেশন আদালত মানেশকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত করেন এবং তাঁকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এরপর মানেশ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন।
সমকামী বিয়েকে স্বীকৃতি দিয়ে ভারতেরই আদালতের আরেকটি রায় বিপুল সমালোচনা তৈরি করেছে। সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টও সমকামী দম্পতিদের  স্বীকৃতি দেয়। এর ফলে  ক্যালিফোর্নিয়ায় সমলিঙ্গে বিয়ের পথ প্রশস্ত হয় । সুপ্রিম কোর্টের রায় সমলিঙ্গের বিয়ের সমর্থকদের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ