Friday, 19 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’
সব ক্যাটাগরি

স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকাই কি বিয়ে?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 151 বার

প্রকাশিত: August 11, 2013 | 3:05 AM

বদলে যাচ্ছে বিয়ের সংজ্ঞা। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দীর্ঘদিন বসবাসকেও বিয়ের স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে। এমনকি কোন কোন দেশের আদালত সমলিঙ্গের বিয়েকেও স্বীকৃতি দিচ্ছে। যদিও এ নিয়ে সারা দুনিয়াতেই বিতর্ক রয়েছে। তবে বিপরীত চিত্রও আছে। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রেমের বিচ্ছেদের পর প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়েরের ঘটনাও ঘটছে। সম্প্রতি ভারতের আদালতের এ নিয়ে দেয়া এক রায় আলোচিত হচ্ছে নানা স্থানে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের দেয়া এক রায়েও মন্তব্য করা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসবাস করলে ধরে নিতে হবে এতে বিয়ের অস্তিত্ব বিদ্যমান। মমতাজ বেগম বনাম আনোয়ার হোসেন মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক বিচারপতি এ মন্তব্য করেন। ওই বিচারপতি মন্তব্য করেন, মুসলিম নর ও নারী যদি স্বামী ও স্ত্রীর পরিচয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করেন তবে প্রত্যক্ষ কোন প্রমান ছাড়াই তাদের বিয়ের বৈধতা অনুমান করা যায়।
সম্প্রতি ভারতের বোম্বে হাইকোর্টের এক রায়ে বলা হয়, প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর প্রেমিকা যদি প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ধর্ষণের অভিযোগে সাজা পাওয়া বোরিভালির অধিবাসী মানেশ কোটিয়ানের আপিলের রায়ে হাইকোর্টের বিচারপতি সাধনা যাদব এ রায় দেন।
মানেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বিচারপতি যাদব বলেন, মামলার জেরায় এটি প্রমাণিত হয়েছে এবং বাদী স্বীকার করেছেন যে, তাঁর সঙ্গে মানেশ কোটিয়ানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এবং তিনি (বাদী) মানেশকে বিয়েও করতে চেয়েছিলেন। এ অবস্থায় ভারতীয় প্যানেল কোডের ৩৭৬ ধারায় করা অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য।
আদালত জানান, অভিযুক্তের অপরাধ হলো, তিনি ওই নারীকে প্রস্তাব দিয়েছেন। অভিযোগকারী একজন শিক্ষিত ও বয়োপ্রাপ্ত নারী। মানেশ কী কারণে তাঁর প্রতি অনুরক্ত হয়েছেন, তা তিনি ঠিক ঠিক বুঝতে পেরেছেন। এর পরও তিনি তাঁর সঙ্গে গোরাই এলাকায় ঘুরতে যেতে সম্মত হন। তাঁর (মানেশের) জন্মদিন পালনের জন্য তিনি তাঁর সঙ্গে একটি হোটেলেও ওঠেন। এরপর যা হয়েছে, সে ব্যাপারেও তিনি পুরোপুরি সজাগ ছিলেন।
বিচারপতি আরও বলেন, ওই সময়ে তিনি কারও সাহায্যে চেয়েও চিৎকার করেননি এবং মানেশের বিরুদ্ধে কোন ধরনের প্রতিরোধের চেষ্টা করেননি। কোনো ধরনের ভীতি প্রদর্শন, ওষুধ খাইয়ে সম্মোহিত করে, জোরপূর্বক বাধ্য করা বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত করারও প্রমান পাওয়া যায়নি। তবে হাইকোর্ট মানেশের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগকে সঠিক বলে উল্লেখ করেন। এর আগে নিম্ন আদালত মানেশকে যেসব অভিযোগে সাত বছর শাস্তি দিয়েছিল সেগুলোর অন্যতম ছিল প্রতারণা।
আদালত জানান, মানেশ ওই নারীকে জানাননি যে তিনি বিবাহিত ও তাঁর সন্তানাদি আছে। তাই তিনি প্রতারণা করেছেন। তাই তিন বছর আগে থেকে কারাভোগ করা মানেশের সাজা কমিয়ে তিন বছর করে দেন আদালত এবং তাঁকে মুক্তির নির্দেশ দেন।
এ মামলার শুরু ২০১০ সালের মার্চে। সে সময় বাদী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তিনি মানেশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। বোরিভলির একটি স্টেশনারি দোকানে কাজ করার সময় তাঁদের পরিচয়। ২০০৯ সালের নভেম্বরে মানেশের জন্মদিন উদযাপনের জন্য তাঁরা দুজনে গোরাই যান। সে সময় মানেশ ওই নারীর সঙ্গে জোর করে সঙ্গম করেছেন বলে দাবি করেছিলেন মামলার বাদী। ২০১২ সালে একটি সেশন আদালত মানেশকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত করেন এবং তাঁকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এরপর মানেশ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন।
সমকামী বিয়েকে স্বীকৃতি দিয়ে ভারতেরই আদালতের আরেকটি রায় বিপুল সমালোচনা তৈরি করেছে। সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টও সমকামী দম্পতিদের  স্বীকৃতি দেয়। এর ফলে  ক্যালিফোর্নিয়ায় সমলিঙ্গে বিয়ের পথ প্রশস্ত হয় । সুপ্রিম কোর্টের রায় সমলিঙ্গের বিয়ের সমর্থকদের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV