Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

হলিউডের চলচ্চিত্র ‘দ্য ট্রু অ্যামেরিকান’-এ বাংলাদেশীর কাহিনী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 186 বার

প্রকাশিত: May 15, 2014 | 8:43 AM

যুক্তরাষ্ট্রের অস্কার বিজয়ী পরিচালক ক্যাথরিন বিগেলো ‘দ্য ট্রু অ্যামেরিকান’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। চলচ্চিত্রটির নাম-ভূমিকায় থাকবেন টম হার্ডি। চলচ্চিত্রের গল্পের একটি অংশে এক বাংলাদেশী অভিবাসীর কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে। আনন্দ গিরিধরাদাসের লেখা নন-ফিকশনধর্মী ‘দ্য ট্রু অ্যামেরিকান: মার্ডার অ্যান্ড মার্সি ইন টেক্সাস’ গ্রন্থ অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রে ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত গ্রন্থটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘অ্যারাব স্লেয়ার’ বা ‘আরবের অভিবাসীদের হত্যাকারী’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন কুখ্যাত মার্ক অ্যানথনি স্ট্রোম্যান। যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। সত্যি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে ‘দ্য ট্রু অ্যামেরিকান’-এর মূল পটভূমি। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তি রইসুদ্দিন ভূঁইয়া ডালাসের মুসলমান অভিবাসী। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নিজ চেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তিনি। ২০০১ সালের ২১শে সেপ্টেম্বরের ঘটনা। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসের একটি গ্যাস স্টেশনের কাউন্টারে কাজ করছিলেন রইস ভূঁইয়া। এ সময় দুই বাহুতে ট্যাটু আঁকা ও স্বাস্থ্যবান এক ব্যক্তি কাউন্টারে হেঁটে যান ও একটি শটগান বের করেন। আতঙ্কে রইস ক্যাশ রেজিস্টার থেকে টাকা বের করে তাকে দিতে যান। কিন্তু, টাকার দিকে তার কোন খেয়াল ছিল না। সে অবিচল থেকে জিজ্ঞেস করে, আপনার দেশ কোথায়? উত্তর জানামাত্রই রইসের মাথায় গুলি করে মার্ক স্ট্রোম্যান। সৌভাগ্যবশত, মাত্র কয়েক মিলিমিটারের জন্য শটগানের গুলিটি রইসের মস্তিষ্কে লাগেনি। তার একটি চোখ প্রায় অন্ধ হয়ে যায়। এর আগে ওয়াকার হাসান ও বসুদেব পাটেল নামে দুই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল স্ট্রোম্যান। এরপরই স্ট্রোম্যানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক হওয়ার সে জানতে পারে তার হাতে হতাহতদের কেউই আসলে আরবের নাগরিক নন। পুরোটাই ছিল তার ভ্রান্ত ধারণা। মানবিক বোধসম্পন্ন রইস উদ্দিন স্ট্রোম্যানকে মৃত্যুদণ্ডের হাত থেকে রক্ষারও চেষ্টা করেন। কিন্তু, তাতে লাভ হয় না। ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার পর আরবের অভিবাসীদের ওপর যে ঘৃণা জন্ম নিয়েছিল স্ট্রোম্যানের সেখান থেকে সে হয়ে ওঠে এক কুখ্যাত খুনী। শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে আদালত। এ গল্প ধরেই এগিয়েছে ‘দ্য ট্রু অ্যামেরিকান’-এর কাহিনী।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV