Monday, 15 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

হেরে গেলেন ‘মৃত্যুপ্রার্থীরা’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 126 বার

প্রকাশিত: July 31, 2013 | 3:16 PM

 

Right-to-dieঅনলাইন ডেস্ক : এক ব্রিটিশ আপিল আদালত আজ বুধবার স্বেচ্ছা-মৃত্যুর অধিকার চেয়ে করা একটি আবেদন ফিরিয়ে দিয়েছেন। বিবিসি জানায়, দুজন মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি তাঁদের দায়ের করা মামলায় দাবি জানিয়েছিলেন, চিকিত্সকদের সহায়তায় তাঁদের মৃত্যুবরণের অনুমতি দেওয়া হোক।
স্থবিরতা রোগী (লকড ইন সিনড্রোম) টনি নিকলিন্সন ও সড়ক দুর্ঘটনায় পক্ষাঘাতে আক্রান্ত পল ল্যাম্ব নিজেদের মৃত্যুর অধিকার দাবি করে আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে নিকলিন্সন গত বছর নিউমেনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
নিকলিন্সন ও ল্যাম্ব তাঁদের আবেদনে বলেছিলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবাধিকার কনভেনশন অনুযায়ী তাঁদের ‘ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনযাপনের’ অধিকার আছে। তাই যে আইনটির কারণে তাঁরা নিজেদের মৃত্যুর ক্ষণ বেছে নিতে পারছেন না, সে আইনটি মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে।

আপিল আদালত তাঁর আদেশে বলেন, চিকিত্সককে নিজের জীবননাশের জন্য অনুরোধ করার অধিকার নিকলিন্সনের নেই। তবে এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিকলিন্সনের বিধবা স্ত্রী। একই প্রস্তুতি নিচ্ছেন ল্যাম্ব।

বিচারকেরা তাঁদের রায়ে বলেন, কারও মৃত্যু বেছে নেওয়ার অধিকারের বিষয়টিতে আদালতের বিচারকদের ওপর নয়, বরং পার্লামেন্টের ওপর নির্ভর করা উচিত। তিন বিচারকের বেঞ্চটি নিকলিন্সনের স্ত্রী জেন ও পল ল্যাম্বের আবেদন প্রত্যাখ্যানে একমত হয়েছিলেন।

প্রধান বিচারক তাঁর রায়ে বলেন, গর্ভপাত ও প্রাণদণ্ডের মতো ইস্যুতে সবচেয়ে বড় সত্যিটি হলো, পার্লামেন্ট জাতির বিবেকের প্রতিনিধিত্ব করে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিচারকেরা মহত্ হলেও সবকিছু করতে পারেন না। আমাদের কর্তব্য হলো নির্দিষ্ট পরিসরের মধ্যে প্রাসঙ্গিক আইনগত নীতি নির্ধারণ করা এবং তা প্রয়োগ করা।’

তবে আরেকজন মৃত্যুপ্রার্থী তাঁর মামলায় জিতেছেন। স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তায় একজন ব্যক্তি কীভাবে আইনগত উপায়ে মৃত্যুবরণ করতে পারেন, সে নির্দেশনা চেয়ে এ ব্যক্তি আবেদন করেছিলেন। মার্টিন নামে পরিচয় দেওয়া এ ব্যক্তিটি মূলত সুইজারল্যান্ডের একটি ‘আত্মহত্যা প্রতিষ্ঠানের’ শরণাপন্ন হতে চান। তিনি চান ব্রিটেনের চিকিত্সক ও নার্সরা তাঁকে এ ক্ষেত্রে সহায়তা করুক। তবে মার্টিনের স্ত্রী বা পরিবার তাঁর সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে।

সরকারি কৌঁসুলিবর্গের পরিচালক জানিয়েছেন, তিনি মার্টিনের মামলার রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন।

মামলার রায়ের পর বিশেষ কম্পিউটার ব্যবহার করে কথা বলা মার্টিন জানান, রায়ে তিনি বেজায় খুশি। তিনি বলেন, ‘আমি আমার জীবন কখন, কীভাবে শেষ করব, সেটির সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমি একধাপ এগিয়েছি। আমার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার জন্য আমি নিজে আমার জীবন নিতে পারছি না।’

মার্টিন বলেন, তিনি নিজের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, তাই অন্তত মৃত্যুকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান।প্রথম আলো 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV