Monday, 26 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
সব ক্যাটাগরি

১০ বছরে বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমেছে ২৬ ভাগ : বিশ্বব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 166 বার

প্রকাশিত: June 20, 2013 | 10:59 AM

ডেস্ক: বাংলাদেশে ২০০০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য কমেছে শতকরা ২৬ ভাগ। এর মূলে রয়েছে শ্রমিক আয় বৃদ্ধি ও ভূপ্রকৃতির পরিবর্তন। আজ বিশ্বব্যাংক এক প্রতিবেদনে এ কথা বলেছে। এতে বলা হয়, ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এই দারিদ্র্য কমেছে সুষম ও স্থির গতিতে। এর মধ্যে ২০০০ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে বার্ষিক ১ দশমিক ৮ ভাগ হারে এবং ২০০৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে বার্ষিক ১ দশমিক ৭ ভাগ হারে দারিদ্র্য কমেছে। এতে গরিব মানুষের সংখ্যা কমেছে। ২০০০ সালে তাদের সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৩০ লাখ। তা ২০০৫ সালে কমে দাঁড়ায় ৫ কোটি ৫০ লাখে। ২০১০ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৪ কোটি ৭০ লাখ। জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও গত ১০ বছরে গরিব মানুষের সংখ্যা কমেছে শতকরা ২৬ ভাগ। ‘বাংলাদেশ পোভার্টি অ্যাসেসমেন্ট: এ ডিকেড অব প্রগ্রেস ইন রিডিউসিং পোভার্টি, ২০০০-২০১০’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রমিকদের আয় উচ্চ আয়ের ক্ষেত্রে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে। একই সঙ্গে তা দারিদ্র্যের হার কমাতে সহায়তা করেছে। এর পাশাপাশি, গত কয়েক দশকে প্রজনন হার স্থির হারে কমেছে। এর ফলে নির্ভরশীলতার হার কমে গেছে। বেড়েছে মাথাপিছু আয়। কমেছে দারিদ্র্য। ভূপ্রকৃতির পরিবর্তনের ফলে শ্রম বাজারে যে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে তাতে দ্রুত বর্ধনশীল শ্রম শক্তিকে দক্ষ শ্রম শক্তিতে পরণিত করার বিষয়ে বাংলাদেশকে আরও মনোযোগী হতে হবে। নারী শিক্ষার ধারা ও শ্রমশক্তি হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ায় নজর দিতে হবে নারী-বান্ধব চাকরি, কর্মপরিবেশ ও শ্রম নীতিতে। যাতে শ্রম শক্তিতে অধিক হারে নারীর অংশ গ্রহণে সহায়তা করে। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং কলকারখানায়, সার্ভিস সেক্টরে বেতন বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে শ্রমিকের আয় বৃদ্ধি বজায় রাখা খুব কঠিন হয়ে পড়বে। ২০ বছরের মধ্যে প্রবীণদের নিয়ে বড় ধরণের একটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বাংলাদেশ।মানবজমিন
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ