Saturday, 20 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

১৫ বছরের মধ্যে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবেন ইভানকা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 79 বার

প্রকাশিত: October 7, 2017 | 11:19 PM

লিহান লিমা: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাটানো জীবনের প্রথম অংশ নিয়ে বই লিখেছেন তার প্রথম স্ত্রী ইভানা ট্রাম্প। সপ্তাহিক নিউইয়র্ক ট্যাবলয়েডে প্রকাশিত হওয়া এই বইয়ের ধারাবাহিক কাহিনীতে উঠে এসেছে ট্রাম্পের জীবনের স্বতঃস্ফুর্ত মুহুর্ত, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের নানা ঘটনা।
১৯৭৭-৯২ পর্যন্ত ট্রাম্পের সঙ্গে দিন কাটিয়েছেন ইভানা। ‘ট্রাম্পের উত্থান’ নামের এই বইতে ইভানা বলেন, ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরেই আমার জানা হয়ে গিয়েছিল আমাদের বিয়ে আর টিকছে না। এক স্বর্ণকেশী নারী আমাকে বলেছিল, ‘আমি মার্লা। আমি তোমার হাজব্যান্ডকে অনেক পছন্দ করি। তুমি ও তাই?’ আমি উত্তর দেই, দূর হয়ে যাও এখান থেকে। আমি আমার হাজব্যান্ডকে ভালবাসি।’ ইভানা বলেন, এটি নারীসুলভ নয় কিন্তু আমি একটি ধাক্কা খেয়েছিলাম।
১৯৯০ সালে নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে মার্লা মাপসের সঙ্গে ট্রাম্পের প্রেমের কাহিনী শিরোনাম হয়েছিল। প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেয়ার পর ট্রাম্প ১৯৯৩ সালে মার্লাকে বিয়ে করেন। সামনের সপ্তাহে প্রকাশিত হতে যাওয়া এই বই সম্পর্কে অ্যাসোসিয়েট প্রেস জানায়, ইভানা এই বইতে তার দাম্পত্য জীবন এবং ট্রাম্প অর্গানাইজেশনে তার ভূমিকার কথাও লিখেছেন।
ইভানা জানান, বিচ্ছেদের পর আমি এবং আমার তিন সন্তান ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, ইভানকা এবং এরিক মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলাম। এমনকি ট্রাম্প জুনিয়র কয়েক বছর ধরে তার বাবার সঙ্গে কথা বলে নি। কিন্তু বিচ্ছেদের এক সপ্তাহ পরই আমার ও ট্রাম্পের মধ্যে যোগাযোগ হয় এবং আমি ট্রাম্পকে টুইটার ব্যবহার করতে উৎসাহ দিয়েছি।
এই সপ্তাহে সিবিএস নিউজে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ইভানা জানান, তিনি তার জন্মস্থান চেক রিপাবলিকের রাষ্ট্রদূতের পদের জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি এই পদ গ্রহণ করেন নি কারণ তিনি ইতোমধ্যেই একটি সম্পূর্ণ জীবন-যাপন করছেন। যদিও হোয়াইট হাউস রাষ্ট্রদূতের এই পদ সম্পর্কে কোন মন্তব্য করে নি।
বইয়ের কিছু অংশে ইউরোপে কাটানো ইভানা ট্রাম্পের শৈশব, নিউইয়র্কে তার মডেলিং পেশা এবং ট্রাম্পের সঙ্গে তার পরিচয়ের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি লিখেন, প্রথম সাক্ষাতে ট্রাম্প ম্যানহাটনের এক রেঁস্তোরায় তিনি এবং তার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছিলেন এবং বিল পরিশোধ করে বিশাল ক্যাডিলাকে করে তাকে হোটেলে পৌঁছে দেন। ইভানা লিখেন, আমার মন তখন বলছিল, ডোনাল্ড স্মার্ট এবং ফানি, এক অর্থে আমেরিকার জেন্টেলম্যান।
বইয়ের কিছু অংশে ইভানা তার সন্তানদের সম্পর্কে লিখেছেন। এই পরিচ্ছদে এসে ইভানা বলেন, সাবেক জীবনসঙ্গী ডোনাল্ড ট্রাম্পই শুধু তার হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করার কারণ নয়, তিনি ট্রাম্পের সাহায্য ছাড়াই হোয়াইট হাউসে জায়গা করে নিতে পারেন। সেটা হয়তো ১৫ বছরের মধ্যেই। তাহলে ইভানা কি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে যাচ্ছেন? না। ইভানা বলছেন ফার্স্ট ডটার ইভানকা ট্রাম্পের কথা। ইভানা লিখেন, হোয়াইট হাউসে ‘ফার্স্ট লেডি’ ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে কোন আবেদন রাখে না। ‘ফার্স্ট মাদার’ই শব্দটিই আমাকে টানে। সূত্র: ডেইলি মেইল।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV