Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

২০৩০-এ মোটাদের দেশ হবে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 68 বার

প্রকাশিত: September 1, 2011 | 8:46 PM

যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ যে হারে স্থূল স্বাস্থ্যের অধিকারী হচ্ছে, সে ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেক মার্কিনি স্থূলকায় হয়ে যাবে, আর দেশটি পরিণত হবে মোটা লোকের দেশে। ওই সময়ের মধ্যে স্থুল স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত নারী-পুরুষের সংখ্যা ১৬ কোটি ৪ লাখ ছাড়িয়ে যাবে। একদল স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এই সতর্কতা বাণী শুনিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের জায়গা দখল করতে যাচ্ছে স্থূলতা। এই সমস্যার কারণে আগামী দুই দশকে ৭৮ লাখ মানুষের নতুন করে ডায়াবেটিস, ৬৮ লাখ মানুষের হৃদরোগ ও স্ট্রোক এবং ৫ লাখ ৩৯ হাজার মার্কিনির ক্যান্সার হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন তারা। নিউইয়র্কে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইলম্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথে ক্লেয়ার ওয়াং পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ শতাংশ পুরুষ ও ৩৫ শতাংশ নারী বর্তমানে স্থূল স্বাস্থ্যের অধিকারী। স্থূলতা নিয়ে পরিচালিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনটি চারটি আলাদা ধারাবাহিক নিবন্ধে দ্য ল্যানচেট সাময়িকীতে প্রকাশ করা হয়েছে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বের নেতৃস্থানীয় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মানুষ সবচেয়ে বেশি স্থূল। আর এ সমস্যা দিন দিন ব্যাপক আকার ধারণ করছে। স্থূল স্বাস্থ্য সমস্যার দিক দিয়ে ব্রিটেনের মানুষও রয়েছে বেশ ঝুঁকির মধ্যে। ২০৩০ সালের মধ্যে ব্রিটিশদের ৪১ থেকে ৪৮ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৫ থেকে ৪৩ শতাংশ নারী স্থূল স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগবেন। বর্তমানে এই হার নারী-পুরুষ মিলিয়ে ২৬ শতাংশ। আর এই স্থূলতার কারণে ৬ লাখ ৬৮ হাজার ব্রিটিশ ডায়াবেটিস, ৪ লাখ ৬১ হাজার ব্রিটিশ হৃদরোগ এবং এক লাখ ৩০ হাজার ব্রিটিশ ক্যান্সারে আক্রান্ত হবেন বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
এই স্থূলতার সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, মাত্রাতিরিক্ত খাবার গ্রহণ ও অপর্যাপ্ত কায়িক পরিশ্রম।
পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই স্থূলতা এখন একটি উদীয়মান সমস্যা। আর এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করলে স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা খাতে রাষ্ট্রীয় ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থূলতার কারণে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কলেস্টেরলসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।
ওয়াং ও তার সহকর্মীরা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু স্থূলতা সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দকৃত অর্থের ২ দশমিক ৬ শতাংশ অতিরিক্ত খরচ করতে হবে, যার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রতিবছর ৬ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। অপরদিকে ব্রিটেন সরকারকে খরচ করতে হবে অতিরিক্ত ২০০ কোটি ডলার, যা স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দের অতিরিক্ত ২ শতাংশ।
এদিকে এশিয়ার চীন ও জাপানও রয়েছে একই ধরনের ঝুঁকির মধ্যে। এই দুই দেশে প্রতি ২০ জনে একজন নারী স্থূলকায়। নেদারল্যান্ডসে ১০ জনে একজন, অস্ট্রেলিয়াতে ৪ জনে একজন এবং টোঙ্গাতে প্রতি ১০ জনে ৭ জন নারীই স্থূল স্বাস্থ্যের অধিকারী।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবমতে, সারাবিশ্বে দেড়শ’ কোটি পূর্ণবয়স্ক লোক অতিরিক্ত ওজন ও ৫০ কোটি লোক স্থূলকায় স্বাস্থ্যের অধিকারী। ১৭ কোটি শিশু মাত্রাতিরিক্ত ওজন অথবা স্থূলতার সমস্যায় ভুগছে। অনেক দেশেই স্থূলতার পেছনে স্বাস্থ্য সুরক্ষা খাতে বরাদ্দের ২ থেকে ৬ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিপস, উপাদেয় খাবার, অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার, খাদ্য সরবরাহ ও বাজারজাতকরণে অভিনবত্ব এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি মানুষের ভোগ প্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর এ কারণেই স্থূলতা এখন প্রায় মহামারি আকার ধারণ করছে।
হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক স্টিভেন গর্টমেকার ওই চারটির একটি নিবন্ধে এই স্থূলতার সমস্যা মোকাবিলায় কিছু পরামর্শ তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, স্থূলতা মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আগেই সরকারগুলোকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। এই ব্যবস্থার মধ্যে অস্বাস্থ্যকর (বিশেষ করে চিনিযুক্ত খাবার) খাবার ও পানীয়র ওপর কর বাড়ানো এবং শিশুদের জন্য খাবার ও পানীয়ের বিজ্ঞাপনে বিধিনিষেধ আরোপ করার সুপারিশ করেছেন তিনি।আমার দেশ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ