৩৭ বছর আগে নিউইয়র্কে বাঙালি বন্ধু শ্রী চিন্ময়ের সাথে মোহাম্মদ আলী ‘আমি গ্রেটেষ্ট নই, একমাত্র আল্লাহ-ই গ্রেটেষ্ট, সর্বশক্তিমান’
এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক : ৩৭ বছর আগে নিউইয়র্কে বাঙালি বন্ধু শ্রীচিন্ময়ের সাথে বিশ্ববরেণ্য বক্সার মোহাম্মদ আলীর হৃদ্যতাপূর্ণ কিছু কথোপকথন প্রকাশ করেছে ‘শ্রীচিন্ময় সেন্টার।’ মুষ্টিযুদ্ধে অপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আলীর জানাযা ও দাফন হবে ৮ জুন শুক্রবার। এই মানুষটির মহানুভবতার স্মারক হিসেবে কিছু অজানা তথ্য পাঠকের জন্যে প্রকাশ করেছে নিউইয়র্কস্থ শ্রী চিন্ময় সেন্টার।
জাতিসংঘের শান্তির দূত হিসেবে কর্মরত থেকে বিশ্বে শান্তি আর সম্প্রীতির বন্ধন সুসংহত করতে সর্বাত্মকভাবে নিয়োজিত ছিলেন চট্টগ্রামের সন্তান শ্রী চিন্ময়। ৭০ দেশে তার অনুসারি রয়েছে এবং ২২শতাধিক ভক্তের বাঙালি নাম দিয়েছিলেন। শিখিয়েছেন বাংলা গান। ১৩ হাজারের অধিক বাংলা গান লিখেছেন শ্রীচিন্ময়। তারই একটি ছিল কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলীকে নিয়ে। গানটির শিরোনাম ছিল ‘গ্রেটার দ্যান দা গ্রেটেষ্ট’। সেই গানের ইংরেজী অনুবাদ শোনানো হয় মোহাম্মদ আলীকে।
মোহাম্মদ আলী যৌবন, বিজয় ও বিদ্রোহের প্রতীক ছিলেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধে যেতে তিনি অস্বীকার করেছিলেন। তিনি ছিলেন আশাহীনদের কাছে আশার আলো। ৩৭ বছর আগে বাঙালি বন্ধুর সাথে একান্ত আলাপচারিতার একজন সাক্ষী, যিনি বর্তমানে শ্রীচিন্ময় সেন্টারের দেখভাল করছেন, তিনিই সে স্মৃতিচারণ করেন অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে। উল্লেখ্য, শ্রীচিন্ময়ও পরলোক গমন করেছেন ৭৬ বছর বয়সে ২০০৭ সালের ১১ অক্টোবর। ইংরেজী কথোপকথনের অনুবাদ করেছেন শ্রীচিন্ময় সেন্টারের আরেক কর্মী খুরশীদুল ইসলাম।
মোহাম্মদ আলী ও শ্রী চিন্ময় ১৯৭৯ সালের ৩০ জানুয়ারি জাতিসংঘের সন্নিকটে ইউএন প্লাজা হোটেলে মিলিত হয়েছিলেন। এ সময়ে আলী জাতিসংঘ সফরে এসেছিলেন। তাঁরা দুজন ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা নিয়ে আলাপ করেন। মেডিটেশন গ্রুপের গায়কের দল মোহাম্মদ আলীকে নিয়ে রচিত শ্রী চিন্ময়ের লেখা একটি গান গেয়ে শোনান। গানটির শিরোনাম ছিল ‘গ্রেটার দ্যান দা গ্রেটেষ্ট’। এটি ছিল শ্রী চিন্ময়ের সাথে মোহাম্মদ আলীর তৃতীয় সাক্ষাৎ। তাদের সাক্ষাতে বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হয়েছিল। এখানে তা উল্লেখ করা হলো।
মোহাম্মদ আলীঃ আর্নি সেভার্সের সাথে মুষ্ঠিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট বিজয়ের জন্য লড়াইর আগে সেপ্টেম্বর ১৯৭৭ সালের সকালের কথা স্মরণ করে শ্রী চিন্ময়কে বলেন, ‘ভাই, গতবার লড়াইতে জয়ী হতে আপনি আমাকে অনেক সাহস যুগিয়ছিলেন’। মুসলিম প্রথা মতো আলী শ্রী চিন্ময়কে জড়িয়ে ধরে সাদরে গ্রহন করেন এবং বলেন ‘আপনাকে দেখতে ভাল লাগছে, আপনাকে এখনো যুবকের মতো লাগছে এবং খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। মানুষ হয়তো ভাবছে আপনি আমাকে ধর্মান্তরিত করছেন কিন্তু আমাকে কেউ ধর্মান্তরিত করতে পারবে না।
শ্রী চিন্ময়ঃ এটা একদম সত্যি; আপনার সব কিছুই আল্লাহর জন্য। আমি আপনাকে ধর্মান্তরিত করতে আসিনি। আমি জন্মগতভাবে হিন্দু। কিন্তু যখন থেকে প্রার্থনা ও মেডিটেশন শুরু করি, তারপর থেকে আমার কোন ধর্ম নেই। আমি সব ধর্মের।
মোহাম্মদ আলীঃ বাহ ! এটা খুব ভালো। আমিও আপনাকে নিশ্চিত করতে পারি যে আমি ধর্মের উর্ধে। আলী এসময়ে দ্রুত তাঁর ব্রিফকেস খুলে তিন চারটি বই বের করেন এবং ইউরোপের সুফি ধারার নেতা পীর বিলায়েত খানের বাবা হযরত ইনায়েত খানের লিখিত একটি বই দেখান।
শ্রী চিন্ময়ঃ আমি তাঁকে দেখিনি কিন্তু তাঁর ছেলে পীর বিলায়েত আমার খুব ভালো বন্ধু। আমি আপনার উপর এবং আপনার আঁকা ছবির উপর একটি গান লিখেছি।
মোহাম্মদ আলীঃ আমার আঁকা ছবির উপর ? কখন আমি তা শুনতে পাব?
শ্রী চিন্ময়ঃ নিচে কিছু শিল্পী অপেক্ষা করছে; আপনি যদি তা শুনতে চান।
মোহাম্মদ আলীঃ দয়া করে তাদের উপরে আসতে বলুন। মোহাম্মদ আলী গায়ক গায়িকাদের স্বাগত জানান এবং বলেন, ‘তোমারা সবাই খুব পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর। সবাই যদি আপনার মতো ভাবতে পারতো তাহলে আমাদের পৃথিবীতে মানব জাতির মধ্যে শুধু শান্তি ও একতাই থাকতো। এসময় মেডিটেশন গ্রুপের শিল্পীরা ‘গ্রেটার দ্যান দ্যা গ্রেটেষ্ট’ সঙ্গীতটি পরিবেশন করেন।
মোহাম্মদ আলীঃ গানটি খুব সুন্দর হয়েছে। আপনি আমাকে নিয়ে গান লিখেছেন এবং এখানে এসে গানটি শুনালেন। কিন্তু আমি একটা কথা বলতে চাই। যে চেতনা থেকে আপনি গানটি লিখেছেন তা আমি বুঝি। কিন্তু আমি গ্রেটেষ্ট নই। একমাত্র আল্লাহ-ই গ্রেটেষ্ট,সর্বশক্তিমান। নাম, সুনাম ও প্রভাব পতিপত্তি মানুষকে অহংকারি ও দূষিত করে ফেলে এবং তখন মানুষ অস্বাভাবিক আচরণ করে। আমি সব সময় স্বাভাবিক থাকতে চাই। আল্লাহর কাছে আমি সব সময় প্রার্থনা করি আমাকে শক্তিশালি,বিনয়ি ও নিরহংকারি রাখার জন্য। একমাত্র আল্লাহই সর্ব শক্তিমান আখ্যা পেতে পারেন।
শ্রী চিন্ময়ঃ সারা বিশ্ব থেকে সর্বোচ্চ সম্মান পাওয়ার পরও আপনি বিনয়ি ও অমায়িক আচরণ অক্ষুন্ন রেখেছেন। সেজন্যই আপনি গ্রেটার দ্যান দ্যা গ্রেটেষ্ট।
মোহাম্মদ আলীঃ গানটি আমার খুব ভাল লেগেছে। আপনি আমার অনেক প্রশংসা ও সুনাম করেছেন। কিন্তু একমাত্র আল্লাহ-ই সর্ব শক্তিমান। আমি যদি নিজেকে সর্ব শক্তিমান বলি তাহলে তাঁর দৃষ্টিতে আমি অপরাধি হব। আমি সর্বশক্তিমান নই। আমি আপনাকে ও বিশ্বকে বলতে চাই যে, তিনিই সর্ব শক্তিমান। গানে আপনি কী বোঝাতে চেয়েছেন তা আমি জানি। একজন মানুষ কাউকে হত্যা করতে পারে। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা যেহেতু সব কিছু জানেন,তিনি হয়তো কাউকে শাস্তি নাও দিতে পারেন এবং ভাবেন, কোথাও হয়তো কোন ভুল হচ্ছে। আমি স্রষ্টা সম্পর্কে কি রকম অনুভব করি তা যদি আপনাকে না বলি তাহলে স্রষ্টা আমাকে শাস্তি দেবেন। তাই এটা বলা আমার দায়িত্ব যে আমি শ্রেষ্ঠ বক্সার। কিন্তু গ্রেটার দ্যান গ্রেটেষ্ট নই । এটা একমাত্র আল্লাহ। আমি গড নই। এটা আমি বলছি যাতে আপনি বুঝতে পারেন আমি কি রকম অনুভব করি।
শ্রী চিন্ময়ঃ একটু আগে আপনি বলছিলেন,নদী ও পুকুর সবই সাগরে মিশে একাত্ম হয়ে যায়। পুত্রের প্রার্থনা ও মেডিটেশনের মাধ্যমে যখন পিতা ও পুত্র পুরাপুরি এক হয়ে যায়, তখন আপনি যদি পিতা সম্পর্কে কিছু বলেন তখন পুত্র আনন্দিত ও গর্বিত হয়,আর আপনি যদি পুত্র সম্পর্কে কিছু বলেন তখন পিতা আনন্দিত হন।
মোহাম্মদ আলীঃ আমি এটাকে নিয়ে এভাবে কখনো ভাবিনি। এরপর গানের শিল্পীদের দিকে ঘুরে বলেন, উনি একজন জ্ঞানী মানুষ। এখন আমি বুঝছি, কেন তোমরা তাঁর সাথে থাক।
শ্রী চিন্ময়ঃ পুত্রের গৌরবে পিতা গর্বিত । আর পিতার কথা চিন্তা করে পুত্রও খুব গর্ব অনুভব করেন।
মোহাম্মদ আলীঃ অনেক ধন্যবাদ। আজ যদি এটাই আমি বুঝে থাকি তাহলে এ দিনটি আমার হারিয়ে যাবে না।
এর আগে ১৯৭৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বক্সিং-এ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের শ্রেষ্ঠত্বের জন্য আরেক মুষ্ঠিযোদ্ধা আর্নি সেভার্স এর সাথে লড়াইয়ের দিন সকাল বেলা মোহাম্মদ আলী এক ঘন্টার জন্য শ্রী চিন্ময়ের সাথে ধর্মীয়,আধ্যাত্মিক বিষয়ে আলাপ আলোচনা ও মেডিটেশনের জন্য মিলিত হন। শ্রী চিন্ময়ের অনুসারি ত্রিশ জন ছাত্র-ছাত্রীর একটি দল মোহাম্মদ আলীকে নিয়ে শ্রী চিন্ময়ের লিখিত একটি গান গেয়ে শোনান। তাঁরা দুজন একসাথে কুড়ি মিনিট নীরবে মেডিটেশন করেন। সব শেষে মোহাম্মদ আলী শ্রী চিন্ময়কে বলেন, আমি গভীরভাবে অবিভূত; আবেগে আমি কিছুই করতে পারছিনা।
শ্রী চিন্ময়ের গ্রুপটির বিদায় বেলায় মোহাম্মদ আলী আরো বলেন, এটা আমার মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তিকে বিপুলভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন লড়াইটা এক রাউন্ডেও শেষ হয়ে যেতে পারে। স্রষ্টা আপনাদের মঙ্গল করুক।
এখানে সংক্ষিপ্ত ভাবে তাঁদের দুজনের কথোপকথন উল্লেখ করা হলো।
শ্রী চিন্ময়ঃ গতকাল আমাদের খুব দৃঢ় প্রত্যাশা ছিল, আপনাকে জাতিসংঘে সাদর অভ্যর্থনা জানাব। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আপনি জাতিসংঘে আসতে পারেননি। আমরা জাতিসংঘে সপ্তাহে দুদিন মেডিটেশন ও প্রার্থনায় মিলিত হই। মঙ্গল ও শুক্রবার আমরা বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি ও ষ্টাফদের সাথে প্রার্থনায় মিলিত হই। সেখানে আপনার জন্য আমার গভীর কৃতজ্ঞতা জানাবো। কারণ আপনি শুধু কালো মুসলিমদের জন্য নয়,সমগ্র মানব জাতির জন্য লড়াই করছেন। আপনি বিশ্বের চেহারা ও বিশ্বাসকেও বদলিয়ে দিচ্ছেন। আপনার নামই মানুষকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করে। যখনই মানুষ শোনে মোহাম্মদ আলী তখনই তারা অনুপ্রাণিত হয়। তারা ভীষন আনন্দ পায়। মানুষ মোহাম্মদ আলী নামটি শুনলেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এক ধরনের উদ্দীপনা,সাহস ও প্রাণশক্তি পায় ও অজ্ঞতাকে রুখে দাঁড়াতে পারে। আপনার নামটাই অনুপ্রেরণার । সেজন্যই আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ এবং আপনার জন্য গর্বিত।
মোহাম্মদ আলীঃ আমার স্বপ্ন আমি একদিন আপনার মতো হতে পারবো। মানবতা ও স্রষ্টার জন্য এবং শান্তির জন্য কাজ করতে পারবো। তখন আমি খেলার জগৎ থেকে বেরিয়ে আসব। আমি জেরেমিয়াকে বলছিলাম যে, আমাদের বক্সিং শেষ হলে জানতে হবে, আমরা কিভাবে খেলার এই জীবন থেকে বেরিয়ে আসবো এবং আমার জনপ্রিয়তাকে ও বুদ্ধিকে কোনভাবে মানব জাতির সেবায় ও মঙ্গলের কাজে লাগানো যায়। আমি জানিনা কিভাবে করবো কিন্তু আমি স্রষ্টার জন্য, মানুষের সেবায় সব মানুষকে সুখে শান্তিতে থাকার জন্য একতাবদ্ধ করতে চাই। আমাকে কিছু করতে হবে,এটা আমি বুঝি কিন্তু কি করতে হবে তা আমি জানিনা। তবে কিছু একটা করতে হবে। পৃথিবীতে মহান অনেক মানুষ আছেন কিন্তু আল্লাহ-ই শ্রেষ্ঠ ও মহান। আমাকে গ্রেটেষ্ট বলা বন্ধ করতে হবে এবং এসব ভুলে যেতে হবে। আমি একজন বিনত ভৃত্য মাত্র এবং আমাকে অনেক কিছু জানতে হবে। আপনার মতো মানুষদের আমার দরকার যারা আমাকে শিক্ষা দিবেন, কি বলতে হবে, কি করতে হবে এবং কোন কিছুর সাথে কিভাবে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। সুতরাং আমি গ্রেটেষ্ট এসব মনোভাবের কথা ও প্রশংসা শুনতে চাইনা। আমি কি বলতে চাচ্ছি তা কি আপনি বুঝতে পারছেন?
শ্রী চিন্ময়ঃ আপনাকে বলতে হবেনা যে আপনি গ্রেটেষ্ট; কিন্তু মানবতার সাথে একাত্ম হওয়ার যে হৃদয় আপনার রয়েছে তাই আপনাকে গ্রেটেষ্ট বানিয়েছে।
পরদিন নিউইয়র্ক টাইমসে মোহাম্মদ আলীর ঐতিহাসিক বিজয়ের যে সংবাদ ছাপা হয় তাতে দুটি ছবি ছিল। প্রথমটিতে মোহাম্মদ আলী ও শ্রী চিন্ময় আগেরদিন সকালে যে মেডিটেশনে মিলিত হয়েছিলেন তার ছবি। আরেকটিতে বিকেলে মোহাম্মদ আলী, আর্নি সেভার্সকে পরাজিত করে যে বিজয়ীর মুকুট পেয়েছিলেন সেই বক্সিং খেলার ছবি।
শ্রী চিন্ময় বাংলাদেশের চট্টগ্রামে জন্ম নেয়া একজন বাঙালি যিনি ছিলেন আধ্যাত্মিক ও ফিটনেস গুরু। জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল উ থান্টের অনুরোধে তিনি জাতিসংঘের মূল ভবনে মেডিটেশন করাতেন।
বিশ্ব শান্তির দূত হিসেবে পরিচিত এ মানুষটি শান্তির সন্ধানে ও মানব জাতিকে একাত্ম হৃদয় করার জন্য সব মহাদেশে চারণের বেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন।
মোহাম্মদ আলী বার্দ্ধক্যে পারকিনসন্স রোগে দীর্ঘ দিন অসুস্থ ছিলেন। এসময়ে মাঝে মাঝে তিনি শ্রী চিন্ময়ের দর্শনের ভিত্তিতে করা ওয়াশিংটন ডি সি তে শিশুদের একটি স্কুলে মাঝে মাঝে যেতেন এবং শিশুদের সাথে খেলতেন, গল্প করতেন। নিরহংকার, বিনয়ি মানুষটি শিশুদের মাধ্যমে হয়ত ভবিষ্যতের জাতি,ধর্ম,বর্ণের উর্দ্ধে একাত্ম বিশ্ব সম্প্রদায়ের স্বপ্ন দেখতেন। মানব সেবার যে স্বপ্ন তাঁর ছিল অসুস্থতার জন্য অনেক স্বপ্নই তাঁর অপূর্ণই রয়ে গেল।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!