Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

৭৮ বছর পর জমজ বোনের পুনর্মিলন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 20 বার

প্রকাশিত: May 10, 2014 | 1:43 PM

জন্মের পর কোনদিনও তাদের মধ্যে দেখা হয়নি। জীবনের সুদীর্ঘ ৭৮টি বসন্ত পার করার পর প্রথমবার নিজেদের দেখলেন, অনেক গল্প করলেন। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ফুলারটনে। জমজ দুই বোন পুনর্মিলিত হয়েছেন ৭৮ বছর বয়সে। এ জন্য তাদের সন্তানরা ও মনোবিজ্ঞানের এক অধ্যাপক সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। দুই বোনের নাম অ্যান হান্ট ও এলিজাবেথ হ্যামেল। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। হান্ট ইংল্যান্ডে বসবাস করেন। তাকে জন্মের পরই দত্তক হিসেবে দিয়েছিলেন তার প্রকৃত মা। দত্তক মায়ের মৃত্যুর পর প্রকৃত মায়ের খোঁজ করতে গিয়ে তিনি জানলেন তার জমজ বোন রয়েছে। হ্যামেল থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের অরেগনে। তিনি বরাবরই জানতেন তার একটি জমজ বোন আছে। কিন্তু, স্বপ্নেও কখনও ভাবেননি তাদের কোনদিন দেখা হবে। হ্যামেল তার বোনকে কাছে পেয়ে জড়িয়ে ধরে বললেন, তোমাকে স্বশরীরে দেখে ভীষণ ভালো লাগছে। ১৯৩৬ সালে ইংল্যান্ডের অ্যালডারশট এলাকায় জন্ম হয়েছিল জমজ বোনের। তাদের মা মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কারণ, তার স্বামী তাদের ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। তাই তিনি এক সন্তানকে নিজের কাছে রেখে অপর সন্তানটিকে দত্তক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। জন্মের সময় হ্যামেলের মেরুদণ্ড একটু বাঁকা থাকায় তাকে দত্তক দেয়া কঠিন ছিল। যাই হোক। সম্প্রতি হান্টের তিন মেয়ের মধ্যে এক মেয়ে সামান্থা স্টেইসি হ্যামেলের ঠিকানা খুঁজে বের করে তাকে একটি চিঠি পাঠান। তার পর থেকেই টেলিফোনে জমজ দুই বোনের প্রথম কথা হয়। হ্যামেলের পুত্র কুইন্টন সেগ্যাল নামে মনোবিজ্ঞানের এক অধ্যাপকের একটি বই পড়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই অধ্যাপকই জমজ দুই বোনকে পুনর্মিলিত করেন। এখন একসঙ্গে আনন্দের সময়গুলো ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন দুই বোন ও তাদের সন্তানরা।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV