Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৪০টি কারাগারে কারাগারে চার হাজার বাংলাদেশি :আইনি জটিলতার মধ্যে উদ্যোগেরও অভাব

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 145 বার

প্রকাশিত: March 31, 2012 | 11:55 PM

শ্যামল সরকার :  জীবিকার সন্ধানে দেশ থেকে গিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৪০টি কারাগারে চার হাজারের বেশি বাংলাদেশি আটক রয়েছেন। সর্বোচ্চ বারো থেকে চার বছর পর্যন্ত এসব বন্দি আটক আছেন। বাংলাদেশের পক্ষে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব এবং নানা আইনি জটিলতার ফাঁদে এসব বন্দিকে মুক্ত করাও সম্ভব হচ্ছে না।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আটক কিংবা বন্দি বাংলাদেশি বেশিরভাগই কাজের সন্ধানে ঐসব দেশে গিয়েছিল। অনেকে কাজ না পেয়ে অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। আবার অনেকে কর্মক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার হয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়েন। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও দেশে না ফিরে গোপনে কাজ করার সময় বেআইনি অবস্থানের অভিযোগে ধরা পড়ে কারাগারে আটক আছেন। বাংলাদেশি দূতাবাস, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আইনি সহায়তায় এসব বন্দিকে মুক্ত করা হয়ে থাকে। তবে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত বন্দির মুক্তির বিষয়ে অনেক দেশে আপত্তি বা আইনগত জটিলতা থাকায় তারা মুক্তি পান না। আমাদের অনেক দূতাবাসে আইনি সহায়তা দেয়ার মত তহবিলও নেই। দূতাবাস কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাবও রয়েছে।

বিভিন্ন দেশে যেমন কুয়েতে পুরুষ ১১৩, মহিলা ৬, ডিটেনশন সেনটারে ১২৬ জন রয়েছেন। ১৭ জনকে কোন সহায়তা করা হয় না। এরকম অবস্থায় ইন্দোনেশিয়ায় আছেন ১৫ জন। সৌদি আরবে ২ হাজার ৪৫২ জন রয়েছে। সেখানে সৌদি শরিয়া আইন অনুযায়ী চেষ্টা চলছে। নেপালে ১ জন রয়েছে। যার আইনি কোন সহায়তা নেই। জার্মানিতে ৯ জন থাকলেও জার্মান সরকার সহযোগিতায় রাজি হচ্ছে না। কাতারে ৮ জনকে মুক্ত করতে সহায়তা করা  হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ৮ জন অপরাধে যুক্ত থাকায় তাদের গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু কোরিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে রাজি হয়নি। ওমানে ২৮ জন রয়েছেন যাদের কোন সরকারি আইনি সহায়তা নেই। আবুধাবিতে ৩০০ পুরুষ, ৩৩ মহিলা, ৬ শিশুসহ ৩৩৯ জন আটক আছেন। এদের বিষয়ে সরকারি কোন উদ্যোগ নেই। দুবাইয়ে পুরুষ ৬৫, মহিলা ১৭, ৬ শিশুসহ ৮৮ জন রয়েছেন। দূতাবাস তাদের মুক্ত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানে ২২৭ পুরুষ, ১ মহিলা, ২ শিশুসহ ২৩০ জন রয়েছেন। তাদের মুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে কেউ কেউ মুক্ত হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। ব্রুনাইয়ে ১১ জন আটক আছেন। মালয়েশিয়ায় ১৭১ জন, বাহরাইনে ৪৪ পুরুষ ২০ মহিলাসহ ৬৪ জন, ( বাহরাইনে তিন বছরে ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে ১৫৫৭ জনকে মুক্ত করা হয়েছে) , ইরানে ৮ জন, ফিলিপাইনে ১ জন, ভারতে ১৮৭ জন, অস্ট্রেলিয়ায় ২২ জন, থাইল্যান্ডে ১৫ জন, সিঙ্গাপুরে ১৯২, নেদারল্যান্ডে ৩১ জন, স্পেনে ১ জন, চীনে ৮ জন, মঙ্গোলিয়ায় ৩ জন, হংকংয়ে ২৮ জন, মায়ানমারে ৪৭ পুরুষ, ১ মহিলা, সুইডেনে ১ দ্বৈতনাগরিক, মিশরে ২ জন, সাইপ্রাসে ২ জন, যুক্তরাষ্ট্রে আটক আছেন ১১ জন, মেক্সিকোতে ২০ জন, তুরস্কে ১ জনসহ মোট ৪ হাজার ১২৪ জন আলোচ্য দেশগুলোতে আটক রয়েছেন। ২০০৬ সালের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে তারা আটক রয়েছেন।

বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, যেসব বাংলাদেশি নাগরিক আটক রয়েছেন তাদের মুক্ত করার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা প্রধান। অধিকাংশই ভূয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। সেখানে গিয়ে তাঁরা নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। অপরাধের সাজা শেষ হলেও নাম-ঠিকানা সঠিক না থাকায় তাদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দেখা দিচ্ছে জটিলতা। অবশ্য ক্ষেত্রবিশেষে দূতাবাসগুলোর সদিচ্ছার অভাবও রয়েছে। রয়েছে আইনি সহায়তার জন্য দরকারি তহবিলের অভাব। ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ