Friday, 23 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ : বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব পড়েছে সর্বত্র, সামরিক ব্যয়ের গতি মন্থর

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 181 বার

প্রকাশিত: April 18, 2012 | 6:02 PM

ডেস্ক : বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব পড়েছে সর্বত্র। এর তীব্র চাপ থেকে ছাড় পায়নি ধনী দেশগুলোও। মন্দায় সৃষ্ট বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় প্রায় সব খাতেই কাঁচি চালাতে হয়েছে সরকারগুলোকে। কাটছাঁট থেকে বাদ পড়েনি তাদের প্রতিরক্ষা খাতও। এরই প্রতিফলন দেখা যায় গত মঙ্গলবার প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে। এতে দেখা যায়, ২০১১ সালে সামরিক ব্যয় না বেড়ে বরং ২০১০ সালের তুলনায় প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। স্বতন্ত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান এসআইপিআরআই তাদের প্রতিবেদনে জানায়, আগের বছরের তুলনায় ২০১১ সালে সামরিক ব্যয় বেড়েছে মাত্র দশমিক তিন শতাংশ। অথচ ১৯৯৮-২০১০ সাল পর্যন্ত ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ২০০১-২০০৯ সালের মধ্যে এ খাতে বার্ষিক গড়পড়তায় খরচ বেড়েছে চার দশমিক পাঁচ শতাংশ। এবার খরচের হার দেখে বোঝা যায়, ওই প্রবণতা থেমেছে। বিশ্বের শীর্ষ ছয়টি সামরিক খাতে ব্যয়কারী দেশ গত বছর এ খাতে তাদের খরচ কমিয়েছে। দেশগুলো হচ্ছে ব্রাজিল, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। মূলত বাজেট ঘাটতি মোকাবিলার জন্যই এ পদক্ষেপ নেয় তারা। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়ার মতো কয়েকটি দেশ এ খাতে খরচ বাড়িয়েছে। এসআইপিআরআইয়ের সামরিক ব্যয় প্রকল্পের প্রধান ম্যাম পেরলো ফ্রিম্যান বলেন, বৈশ্বিক মন্দার কারণে বাজেট ঘাটতি মোকাবিলার জন্যই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো খরচ কমাচ্ছে। ফলে অন্তত এখনকার মতো হলেও এক দশক ধরে চলে আসা সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা থেমেছে। বাজেটের চাপের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো কৃচ্ছ্র সাধনে বাধ্য হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের শীর্ষ সামরিক খাতে ব্যয়কারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র এ খাতে তাদের খরচ এক দশমিক দুই শতাংশ (৮৭০ কোটি ডলার) কমিয়েছে। পশ্চিম ইউরোপের তিন শীর্ষ ব্যয়কারী দেশ ফ্রান্স, জার্মানি ও ব্রিটেন বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় কৃচ্ছ্র সাধনের অংশ হিসেবে খরচ কমাতে শুরু করেছে। ফ্রান্সের সামরিক বাজেট ২০০৮ সালের তুলনায় চার শতাংশ কমেছে। একই সময় জার্মানির কমেছে এক দশমিক চার শতাংশ এবং ব্রিটেন কমিয়েছে দশমিক ছয় শতাংশ। এই দেশগুলোর আগামী বছরগুলোতে খরচ আরো কমানোর ইচ্ছা আছে। তবে গ্রিস, স্পেন, ইতালি ও আয়ারল্যান্ডের মতো দেশগুলোর খরচ কমানোর হার আরো বেশি। মূলত ঋণ সংকট মোকাবিলার জন্যই এ খাতে বড় ধরনের কাটছাঁট করেছে তারা। এসআইপিআরআই জানায়, বিপরীত দিকে রাশিয়া সামরিক খাতে গত বছর তাদের খরচ ৯ দশমিক তিন শতাংশ বাড়িয়েছে। তারা এ খাতে গত বছর মোট সাত হাজার ১৯০ কোটি ডলার ব্যয় করে। ফলে এ খাতে ব্যয়কারী বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ দেশ তারা। এর আগে ব্রিটেন ও ফ্রান্স এই অবস্থানে ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী কয়েক বছরে রাশিয়া এ খাতে খরচ আরো বাড়াবে। ২০২০ সালের মধ্যে সাবেক সোভিয়েত আমলের সব অস্ত্র-সরঞ্জাম পাল্টে আধুনিক করার যে প্রকল্প তারা হাতে নিয়েছে তারই জেরে তাদের খরচ বাড়ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও সামরিক খাতে ব্যয় বাড়ছে। তবে ইরান বা সংযুক্ত আরব আমিরাত এ খাতে কত ব্যয় করে তার কোনো স্পষ্ট তথ্য নেই এসআইপিআরআইয়ের কাছে। এশিয়াতে এ খাতে ব্যয় দুই দশমিক চার শতাংশ বেড়েছে। মূলত চীন তাদের খরচ ছয় দশমিক সাত শতাংশ (৮২০ কোটি ডলার) বাড়ানোতে মহাদেশের সামগ্রিক ব্যয় বেড়েছে। তবে চীনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত ভারত সামরিক খাতে খরচ তিন দশমিক ৯ শতাংশ বা ১৯০ কোটি ডলার কমিয়েছে। সূত্র : এএফপি। কালের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ