Friday, 23 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

সর্বোচ্চ দরিদ্রতার পথে যুক্তরাষ্ট্র : কারণ দুর্বল অর্থনীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সরকারের অর্থ ব্যয়ের পরিমাণ কমানো

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 187 বার

প্রকাশিত: July 25, 2012 | 4:20 AM

ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রতার হার ১৯৬০’র দশকের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছার কাছাকাছি রয়েছে। দেশটিতে বর্তমানে অনেক শ্রেণীর মানুষের মধ্যে দরিদ্রতা ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি রেকর্ড পর্যায়ে রয়েছে। আর এর কারণ হচ্ছে দুর্বল অর্থনীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সরকারের অর্থ ব্যয়ের পরিমাণ কমানো। পার্টটাইম কাজ করে বা সিজিন্যাল কাজ করে এমন মানুষ ও গ্রামাঞ্চলের মানুষ আরও বেশি দরিদ্র হচ্ছে। বার্তা সংস্থা এপি’র এক অনুসন্ধানে ২০১১ সালে করা আদমশুমারি ও গৃহগণনার রিপোর্ট থেকে বেরিয়ে এসেছে এই তথ্য। এ বছরের নভেম্বর মাসে মার্কিন নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগের স্পর্শকাতর সময়ে এই শুমারির ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এপি অনেক অর্থনীতিবিদ, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও শিক্ষাবিদদের কাছ থেকে ইন্টারভিউ নেয়। এতে বেরিয়ে আসে যে দরিদ্রতার হার ২০১০ সালের ১৫.১ ভাগ থেকে বেড়ে ২০১১ সালের শুমারিতে ১৫.৭ ভাগে পৌঁছতে পারে। অনেকে আশঙ্কা করেছেন, এই অঙ্ক যদি আর ০.১ ভাগও বাড়ে তবে সেটা অর্ধশতাব্দী পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াবে। ১৯৮৩ সালে সর্বশেষ ১৫.২ ভাগ ছিল দরিদ্রতার হার। ১৯৫৯ সালে সর্বোচ্চ দরিদ্রতার হার ২২.৪ ভাগ ছিল। এর পর থেকে সরকারের বিভিন্ন প্রচেষ্টায় এই সংখ্যা নিচের দিকে যেতে থাকে। বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৪ কোটি ৭০ লাখ বা প্রতি ৬ জনে ১ জন লোক দরিদ্র ছিলেন। আর এর কারণ হচ্ছে বেকারত্ব। যেখানে ২০১০ সালের বেকারত্ব হার ৯.৬ থেকে উন্নতি করে ২০১১ সালে ৮.৯-তে নেমে এসেছে। অথচ কর্মজীবী মানুষের সংখ্যার হার আগের মতোই রয়ে গেছে। যার অর্থ হচ্ছে হতাশ মানুষ কাজ খোঁজাই ছেড়ে দিয়েছে। বর্তমানে শহরতলির মানুষের মধ্যে দরিদ্রতার হার সর্বোচ্চ ১১.৯ ভাগ রয়েছে। এই সংখ্যা ২০১১ সালের শুমারিতে বাড়বে। ২০১০ সালে পার্টটাইম চাকরীজীবীদের মধ্যে দরিদ্রতা ছিল ১৫ ভাগ। এটাও বাড়বে বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদেরা। শিশু দরিদ্রতাও ২০১০ সালের ২২ ভাগ থেকে ২০১১ সালে বাড়বে।মানবজমিন
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ