মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে টেলিভিশন বিতর্ক : রমনি জিতলেন, কিন্তু ভোটে জিতবেন তো?

অনলাইন ডেস্ক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান দুই দলের প্রার্থীরা গতকাল বুধবার রাতে টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেন। ফলাফল বলছে, রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থী মিট রমনি হারিয়ে দিয়েছেন ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রার্থী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এ জয়ে কতটুকু লাভবান হবেন রমনি। প্রথম মুখোমুখি তর্কে জেতার পর নিশ্চিতভাবেই রমনির তহবিলে চাঁদার পরিমাণ বাড়বে, দোদুল্যমান ভোটারদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ রমনিকে ভোট দেবেন এবং রমনির দলের সমর্থকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এ ছাড়া অনেক প্রচারমাধ্যমও রামনির সমর্থনে এগিয়ে আসবে। এর পরও কথা থেকে যায়। নির্বাচনের মাত্র এক মাস বাকি। এত অল্প সময়ের মধ্যে বিতর্কের এ ফলকে পুঁজি করে কতটুকু এগোতে পারবেন রমনি? রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে আজ বৃহস্পতিবার বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এ ধরনের বিতর্ক যথেষ্ট জনপ্রিয়, অথচ সত্যি হলো, এসব বিতর্কের ফলাফল নির্বাচনের ফলকে খুব কমই প্রভাবিত করতে পারে। বিতর্কে ওবামা পিছিয়ে পড়লেও এমন বেফাঁস কোনো মন্তব্য করেননি, যাতে তাঁর সমর্থকেরা পিছিয়ে যেতে পারেন। সান দিয়াগোর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক স্যামুয়েল পপকিন বলেন, ‘এ বিতর্ককে কেন্দ্র করে কেউই পক্ষত্যাগ করবে না।’ এ বিতর্কে প্রেসিডেন্টের সমান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়ে রমনি সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছেন। তিনি ভোটারদের এটা বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর আছে। রমনি যেভাবে যথাযথ উপায়ে এবং তীক্ষতার সঙ্গে তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন, তা তাঁর পুঁজি হয়ে থাকল। নিশ্চিতভাবেই রমনির এসব আক্রমণ ক্যাবল টেলিভিশন ও ইউটিউবের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে। বিতর্কের সময় ওবামাকে খুব বেশি স্বতঃস্ফূর্ত মনে হয়নি। তাঁর উত্তরগুলো ছিল সরল এবং পেশাদারি। বক্তব্যে সত্যতা ছিল, কিন্তু গভীরতা ছিল কম। ওবামা যুক্তি দিয়ে দেখিয়েছেন, বাজেট এবং কর নিয়ে রমনি যে পরিকল্পনা দিয়েছেন, তা অকার্যকর হবে। কিন্তু, রমনির অনেক শক্তিশালী আক্রমণের কোনো জবাবই দিতে পারেননি ওবামা। ইয়াংসটাউন স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক পল স্রাকিক বলেন, ‘রমনি জিতেছেন। মজার ব্যাপার হলো, তিনি স্পষ্ট ব্যবধানেই জিতেছেন।’ এটা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে। বিতর্কের কিছুক্ষণ পর বার্তা চ্যানেল সিএনএনের চালানো এক জরিপের ৬৭ শতাংশ ভোটার বলেছেন, বিতর্কে রমনির জয় হয়েছে। অনলাইনে জরিপ চালায় এমন এক প্রতিষ্ঠান ইনট্রেড। এর ফলাফল বলছে, রমনির জনপ্রিয়তা ৭৪ থেকে ৬৬ শতাংশে নেমে এসেছে। আরও বেশকিছু জরিপের ফল বলছে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে যাচ্ছে নির্বাচনে। তবে যেসব অঙ্গরাজ্যের ওপর চূড়ান্ত ফল নির্ভর করবে, সেসবে এখনো নিশ্চিতভাবে এগিয়ে আছেন ওবামা।
বিতর্কের ফলের নিষ্ফলতা অনেক জরিপকারী ধারণা করছেন, বিতর্কের পর ওবামার জনপ্রিয়তা কমবে। কিন্তু, অভিজ্ঞতা বলছে, এসব বিতর্কের প্রভাব খুবই কম। উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টম হলব্রুক বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে ১৬টি বিতর্ক হয়েছে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, বিতর্কের কারণে মাত্র ১ শতাংশ ভোট এদিক-ওদিক হয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল ২০০৪ সালের নির্বাচনের সময়। তখন ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রার্থী জন কেরির জনপ্রিয়তা ২.৩ শতাংশ বেড়েছিল। কিন্তু, নির্বাচনে রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থী জর্জ ডব্লিউ বুশ জয় লাভ করেছিলেন। ‘দ্য ক্যান্ডিডেট’ বইয়ের লেখক পপকিন বলেন, ‘বিতর্কের ফল যা-ই হোক না কেন, যেসব ভোটার রমনিকে ভোট দেবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁরা সিদ্ধান্ত বদলাবেন বলে মনে হয় না।’ বেশকিছু বিশ্লেষক বলেছেন, রমনি যখন রক্ষণশীলদের পক্ষে কথা বলে মধ্যপন্থীদের নিজের দলে ভেড়াতে চাইছেন, তখন ওবামা শিক্ষা এবং অন্যান্য সমস্যা কাটাতে এসব মধ্যপন্থীদের ভূমিকাকে সাফল্যের সঙ্গে ব্যাখ্যা করেছেন। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ডটি লিঞ্চ বলেন, ‘ভোটাররা বেশির ভাগ সময় বাচনশৈলীর চেয়ে সারকথা বেশি পছন্দ করেন।’প্রথম আলো
বিতর্কের ফলের নিষ্ফলতা অনেক জরিপকারী ধারণা করছেন, বিতর্কের পর ওবামার জনপ্রিয়তা কমবে। কিন্তু, অভিজ্ঞতা বলছে, এসব বিতর্কের প্রভাব খুবই কম। উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টম হলব্রুক বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে ১৬টি বিতর্ক হয়েছে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, বিতর্কের কারণে মাত্র ১ শতাংশ ভোট এদিক-ওদিক হয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল ২০০৪ সালের নির্বাচনের সময়। তখন ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রার্থী জন কেরির জনপ্রিয়তা ২.৩ শতাংশ বেড়েছিল। কিন্তু, নির্বাচনে রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থী জর্জ ডব্লিউ বুশ জয় লাভ করেছিলেন। ‘দ্য ক্যান্ডিডেট’ বইয়ের লেখক পপকিন বলেন, ‘বিতর্কের ফল যা-ই হোক না কেন, যেসব ভোটার রমনিকে ভোট দেবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁরা সিদ্ধান্ত বদলাবেন বলে মনে হয় না।’ বেশকিছু বিশ্লেষক বলেছেন, রমনি যখন রক্ষণশীলদের পক্ষে কথা বলে মধ্যপন্থীদের নিজের দলে ভেড়াতে চাইছেন, তখন ওবামা শিক্ষা এবং অন্যান্য সমস্যা কাটাতে এসব মধ্যপন্থীদের ভূমিকাকে সাফল্যের সঙ্গে ব্যাখ্যা করেছেন। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ডটি লিঞ্চ বলেন, ‘ভোটাররা বেশির ভাগ সময় বাচনশৈলীর চেয়ে সারকথা বেশি পছন্দ করেন।’প্রথম আলো
সর্বশেষ সংবাদ
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK